শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪০, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি

আওয়ামী লীগের তিন কালের নয়টি গোপন কাহিনি বলব। কাহিনিগুলো খুবই সহজসরল এবং কিছুটা ঘরোয়া ধরনের। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নব সংসদ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার দশম সংসদ এবং রাতের ভোটের ১১তম সংসদের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হয়েছিল সেই সরকারের কিছু কার্যক্রম এবং সরকারি দলের হর্তাকর্তাদের কিছু কাহিনি বললেই আপনারা বুঝতে পারবেন কীভাবে একটি গণতান্ত্রিক দল ধীরে ধীরে স্বৈরাচারীর পোশাকে নিজেদের আবৃত করল এবং ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ৫ তারিখে বাঙালির পলায়নপর স্বভাবের ঐতিহাসিক নাটক মঞ্চস্থ করল।

শুরুটা করি ২০০৯ সাল দিয়ে। আমার যতটা মনে হয়েছে আওয়ামী লীগ জানত তারা বিজয়ী হবে কিন্তু সেবারের নির্বাচনে যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জিত হয়েছিল, তা তাদের স্বপ্নের মধ্যে ছিল না। স্বয়ং শেখ হাসিনা নির্বাচনের ফলাফল দেখে কতটা বিস্মিত হলেন সেই কাহিনি বললে আপনারা চমকিত না হয়ে পারবেন না। প্রথম সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হয়ে তিনি এমপিদের সংখ্যা এবং নতুন মুখ দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন, মোট দলীয় এমপিদের সংখ্যা কত এবং সবাই উপস্থিত কিনা। প্রথমবার এমপি হয়েছে কারা, তারা দাঁড়াও- এই কথা শোনার পর আমরা দাঁড়ালাম। তিনি মাথায় হাত দিয়ে বললেন, ‘এ-ও কী সম্ভব!’ উল্লিখিত ঘটনার পর তিনি বললেন, ‘এক-এগারোর সময় যখন জেলে ছিলাম তখন মনে হতো আজই বোধ হয় শেষ দিন। কোনো দিন বের হব, এমপি-মন্ত্রী হব- এমন কল্পনা করার সাহস ছিল না। অথচ আজ এ কী দেখছি, আল্লাহ কী না পারেন।’ এতটুকু বলার পর তিনি একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন এবং এক-এগারোর সময় সংস্কারবাদী রূপে পরিচিত র‌্যা ট গ্রুপের সদস্যদের দিকে তির্যকভাবে তাকালেন। বললেন, ‘বুঝেছি। আল্লাহ আমাকে ক্ষমতায় এনেছেন, তোমরা যারা আমার সর্বনাশ করার চেষ্টা করেছ তাদের কথায় আর চলব না। যেহেতু আল্লাহ ক্ষমতা দিয়েছেন সেহেতু তিনিই আমাকে রক্ষা করবেন। কাজেই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমার মন যা বলে জ্ঞানবুদ্ধি-অভিজ্ঞতা যেভাবে আমাকে তাড়িত করবে সেভাবেই সরকার চালাব ইনশাল্লাহ।’

তিনি আরও বললেন, ‘তোমাদের মুরোদ কতটুকু তা এক-এগারোর সময় হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। সবাই কাঁটা খাওয়া বিলাই। চকির নিচে পালিয়ে থাকে কাঁটা দেখলে লোভের তাড়নায় বেরবিস্ময় হতবাক হয়ে ফুচকি দেয় এবং লাঠি উঠালে দৌড়ে আবার চৌকির নিচে পালায়।’ শেখ হাসিনা যে কাউকে পাত্তা দেবেন না কিংবা করও সঙ্গে পরামর্শ করবেন না সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেলাম যেদিন মন্ত্রিপরিষদ গঠন হলো। বঙ্গভবনে সেদিন কী যে ঘটেছিল তা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হতো না। পটুয়াখালী সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া আমাদের জেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রবীণ মানুষ। আমরা তাঁকে শ্রদ্ধা করে সবাই চাচা বলি। তিনি গুলিস্তানের একটি হোটেলে ছিলেন। আমি ফোন করলাম, চাচা বঙ্গভবনে কখন যাবেন। তিনি বললেন, ‘আমার তো গাড়ি নেই। তোমার সঙ্গে যাওয়া যাবে কি না।’ আমি বললাম, অবশ্যই। আমি আরও বললাম, আপনার মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা আছে জেলা কোটা অথবা বিভাগীয় কোটায় আপনি মন্ত্রী হবেন। খুশিতে আটখানা হয়ে চাচা বললেন, ‘কও কী ব্যাডা! আমি এখনই তোমার অফিসে আসছি।’

বঙ্গভবনের অনুষ্ঠান ছিল সন্ধ্যা ৭টায় আর চাচা আমার অফিসে এলেন বেলা ৩টার সময়। আমি বললাম, যাক ভালোই হলো। আমার গাড়িতে করে বঙ্গভবনে যাবেন আর ফিরবেন মন্ত্রীর পতাকাওয়ালা গাড়িতে। চাচা বললেন, ‘ব্যাডা! একটা ঘরের কথা কই। তোমার চাচিও মনে করে আমি মন্ত্রী হব, তাই আমার সঙ্গে ঢাকা এসেছে।’ যা হোক, আমরা বিকাল ৫টার মধ্যে বঙ্গভবনে পৌঁছলাম। তখন আমি লেক্সাস ভি৮ মডেলের যে গাড়িটি চালাতাম তা ঢাকা শহরে সেই জমানায় বেশ প্রাইড অ্যান্ড প্রেস্টিজের সিম্বল ছিল। বঙ্গভবনের মূল হলরুমের সামনে আমরা যখন গাড়ি থেকে নামলাম তখন অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিগেডিয়ার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা প্রথমে গাড়ির দিকে তাকালেন তারপর আমাদের লক্ষ্য করে স্যালুট দিলেন। আমি এই প্রথম কোনো কর্মকর্তার স্যালুট পেলাম এবং অবাক হলেও তা আমার অভিব্যক্তিতে প্রকাশ করলাম না। কিন্তু চাচার ক্ষেত্রে ঘটল ভিন্ন ঘটনা। তিনি বললেন, ‘ব্যাডা! আমি তো আগেও কয়েকবার এমপি হইছি, জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র কিন্তু ওসি ছাড়া তো কেউ স্যালুট দ্যায় নাই। তা আজ ব্রিগেডিয়ার সাব স্যালুট দিল ক্যা! সে কি জেনে গেছে যে আমি মন্ত্রী হচ্ছি।’ আমি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম, হয়তো তাই। এরপর চাচা-ভাতিজা হাত ধরাধরি করে বঙ্গভবনের হলরুমে প্রবেশ করলাম। দেখলাম, আমরা ছাড়া সেখানে কেউ নেই। সুতরাং সময় পেয়ে আমরা সুখদুঃখের গল্পে মেতে উঠলাম। চাচা বললেন, ‘ব্যাডা! তোমার তো অনেক বুদ্ধি! আমারে একটা পরামর্শ দ্যাও তো।’ আমি বললাম, কী পরামর্শ! তিনি বললেন, ‘সংসদে যেদিন শপথ নিলাম সেদিন অনেককে টেলিভিশনে দেখা গেছে কিন্তু আমারে দেখা যায় নাই। এই কারণে পৌট্টাখালীর শয়তানরা বলাবলি করতাছে যে শাহজাহান উকিলরে শপথ পড়ায় নাই। পাবলিকের কথায় তোমার চাচি রেগেমেগে আগুন। আজ আসার সময় বলে দিয়েছে, আজ যদি টেলিভিশনে তোমার ছবি না দেখা যায় তাইলে কিন্তু খবর আছে। এখন বল, কীভাবে টেলিভিশনে ছবি দেখানো যাবে।’

আমি বললাম, যথাসম্ভব আমাদের সামনে বসতে হবে। কথামতো আমরা একেবারে সম্মুখসারিতে গিয়ে বসলাম, যা বিচারপতি, সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং রাষ্ট্রদূতদের জন্য বরাদ্দ ছিল, যা উত্তেজনাবশত আমরা প্রথমে লক্ষ করিনি। কিন্তু যখন বুঝতে পারলাম তখন চাচা ভয়ে আঁতকে উঠলেন। বললেন, ‘ব্যাডা কাম সারছে- আইজ তো আমও গ্যালো-ছালাও গ্যালো।’ আমি বললাম, ক্যানো। তিনি বললেন, ‘এখান থেকে তো আমাদের উঠিয়ে দেবে। তখন কই বসব, চাইয়্যা দ্যাহো। পেছনের সব সিট ভইরা গেছে।’ আমি শান্তভাবে জবাব দিলাম, চিন্তার কোনো কারণ নেই- কেউ জোর করে আমাদের এখান থেকে উঠে যেতে বলবে না। এমন সময় হঠাৎ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এসে আমাদের পাশে বসলেন, একটু পরে শেখ সেলিমও এলেন এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পাশে বসলেন। চাচা বললেন, ‘ব্যাডা খাইছে অ্যাহন যদি তোফায়েল ভাই, আমু ভাই আসেন তবে তো সিট ছেড়ে দিয়ে আমাদের আবারও পেছনে চলে যেতে হবে।’

চাচাকে আশ্বস্ত করে বললাম, তোফায়েল ভাই, আমু ভাই আমাকে চেনেন না। তাঁদের দেখে আমি না চেনার ভান করব, তখন তাঁরা মনে করবেন আমি হয়তো কোনো রাষ্ট্রদূত। কিন্তু সমস্যা তো আপনাকে নিয়ে। আপনি তো আর না চেনার ভান করতে পারবেন না। সিট ছেড়ে দিয়ে পেছনে যেতে হবে। চাচা প্রথমে আঁতকে উঠলেন তারপর আমাকে দায়ী করে বললেন, ‘পোলার বুদ্ধি গলায়। তোমার কথায় আজ আমি সামনে বসতে গিয়ে কী যে বিপদে পড়লাম।’ আমি তাঁকে আশ্বস্ত করে বললাম, চিন্তার কারণ নেই। আপনি চোখ বুজে ঘুমের ভান করুন। ১০-১৫ মিনিটে সব আসন পূর্ণ হয়ে যাবে। সিনিয়র কেউ এলে আপনাকে ঘুমন্ত মনে করে ডিস্টার্ব করবে না। চাচা আনন্দে আমার পিঠ চাপড়ে বললেন, ‘ব্যাডা! এত বুদ্ধি নিয়ে ঘুমাও কীভাবে’- তারপর চোখ বুজে ঘুমের ভান করলেন।

সব আসন পূর্ণ হয়ে গেলে আমি চাচাকে চোখ খুলতে বললাম। তিনি চোখ খুলে প্রথমেই বললেন, ‘সর্বনাশ! আজও তো আমাকে টেলিভিশনে দেখা যাবে না।’ তারপর তাঁর সামনের চেয়ারে বসা বিশালদেহী একজনকে দেখিয়ে বললেন, ‘ওই দ্যাহো। ম্যান মাউনট্যান! আমার চেয়ে তিন ফুট উঁচা। ওনারে ভেদ করে ক্যামেরার আলো আমার দিকে আসবে না।’ চাচাকে আশ্বস্ত করে বললাম, আমাদের তিন-চারবার দাঁড়াতে হবে। সে ক্ষেত্রে সবার আগে দাঁড়াব এবং সবার পরে বসব- তখন হয়তো খানিকটা দেখা যেতে পারে। চাচা এটাকে মন্দের ভালোরূপে মনে করে খানিকটা আশ্বস্ত হওয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু মধ্যে একটি ঘটনা পুরো হলরুমে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিল। এ দফায় কারা মন্ত্রী হবেন সেই তথ্য আগে জানানো হয়নি। ফলে সবার মধ্যে ছিল আবেগ, উৎকণ্ঠা এবং টানটান উত্তেজনা, এই অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্তারা অনেকগুলো চেয়ার আনলেন এবং সেসব চেয়ারে মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের নামসংবলিত ছোট প্ল্যাকার্ড টাঙিয়ে দিলেন, যা কাছাকাছি না গিয়ে দেখা সম্ভব নয়।

যাঁরা মন্ত্রী হওয়ার প্রত্যাশায় ছিলেন তাঁরা দৌড়ে চেয়ারগুলোর সামনে গেলেন। যাঁরা নিজেদের নাম দেখতে পেলেন তাঁদের চেহারায় পূর্ণিমার চাঁদ ভেসে উঠল- আর যাঁরা নিজেদের নাম দেখতে পেলেন না, তাঁরা হতাশা-ক্ষোভ-ক্রোধে বিমর্ষ হয়ে এমনভাবে নিজ নিজ আসনের দিকে ফিরে এলেন, যা দেখে মনে হলো তাদের মতো হতভাগ্য-অসহায় এতিম বোধ হয় দুনিয়াতে দ্বিতীয়টি নেই। আগেই বলেছি আমাদের পাশে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এবং শেখ সেলিম ছিলেন। তাঁরা মন্ত্রী তালিকায় নিজেদের নাম দেখতে না পেয়ে যায়পরনাই হতাশ-ক্ষুব্ধ এবং রাগান্বিত। এমন সময় বঙ্গভবনে কর্মরত একজন মহিলা কর্তা, যিনি হয়তো শেখ সেলিমকে চিনতেন না, তিনি তাঁর কাছে এসে বিনয়ের সঙ্গে বললেন, ‘স্যার! দয়া করে আপনাকে একটু পেছনে যেতে হবে- একজন সম্মানিত বিচারপতি এসেছেন।’ শেখ সেলিম মেজাজ হারালেন, চিৎকার করে বললেন, ‘অ্যাই যা ভাগ।’ ভদ্রমহিলা আতঙ্কে তাড়াতাড়ি পেছনে চলে গেলেন।

উল্লিখিত ঘটনার পর চাচা বললেন, ‘ব্যাডা! দেখে আস তো! আমার নাম আছে কিনা।’ আমি বললাম, আপনি গেলেই তো ভালো হয়। আমি আপনার সিট পাহারা দিতে পারব। কিন্তু আমি গেলে যদি অন্য কেউ আমার সিটে বসে যায় তখন আমার কী হবে। চাচা বললেন, ‘ব্যাডা, তুমি আমারে কী মনে কর, তুমি যাও। কিয়ামত হয়ে গেলেও তোমার সিট কেউ দখল করতে পারবে না।’ উত্তরে বললাম, আপনার এত সাহস তাহলে নিজে কেন নিজের নামটি নিজ চোখে দেখে আসছেন না। চাচা বললেন, ‘যদি দেখি আমার নাম নেই তবে ওখান থেকে ফিরে সিট পর্যন্ত আসতে আমার যে কী দশা হয়, তার ভরসা নেই। আমার বয়স ৭৩ বছর, হার্টের অবস্থা ভালো না। তা ছাড়া আমার আব্বা এবং দাদি ৭৩ বছর বয়সে মারা গেছেন।’ আমি আর কথা বাড়ালাম না। দৌড়ে গিয়ে তালিকা দেখে এসে জানালাম যে তালিকায় চাচার নাম নেই।

আমার কথা শুনে চাচা বললেন, ‘আমু ভাই, তোফায়েল ভাইয়ের নাম আছে!’ আমি বললাম, নেই। তখন তিনি স্বস্তি প্রকাশ করে বললেন, ‘যেখানে আমু ভাই, তোফায়েল ভাই নেই সেখানে শাহজাহান উকিলের নাম কেন থাকবে। আমার তো বাবা মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা বা খায়েশ নেই। তবে কর্মীদের কথায় তোমার চাচি যে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে সে কারণে আমার আগ্রহ ছিল যা হোক মন্ত্রী ফন্ত্রী লাগবে না, এখন টেলিভিশনে চেহারা দেখালেই হলো।’

অনুষ্ঠান যথারীতি শুরু হলো। টেলিভিশন ক্যামেরায় নিজের ছবি দেখানোর জন্য চাচা প্রতিবারই আগে দাঁড়ালেন এবং বসার সময় ২০-৩০ সেকেন্ড পরে বসলেন এবং প্রতিবারই পেছন থেকে শব্দ হলো, ‘এই মিয়া বসেন।’ অনুষ্ঠান শেষে আমরা চাচার হোটেলে ফিরলাম। বিষণ্ন চাচি বললেন, ‘আজও তোমারে দেখা যায় নাই।’  চাচা বললেন, ‘আমি কী করব। রনির কথামতো সবার আগে দাঁড়াইলাম আবার সবার পরে বসলাম। পেছন থেকে লোকজনের গালিগালাজ শুনলাম তারপরও যদি টেলিভিশনে না দেখা যায় তবে কিছু করার নেই...।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : শিরোনামের নয়টি কাহিনির মধ্যে মাত্র দুইটি বলা হলো। পাঠকদের আগ্রহ এবং পত্রিকা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকলে ভবিষ্যতে একই শিরোনামে বাকি কাহিনিগুলো প্রকাশ করা হবে।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপি : রাজনীতির হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা
বিএনপি : রাজনীতির হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ (সা.)
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ (সা.)
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন
বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য
বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সর্বশেষ খবর
হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ
হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল
বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি
ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’
‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি
সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪
নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল
আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা
গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের
চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার
শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন
পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার
রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি

সম্পাদকীয়

রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়
রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও
স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!
ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল
বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল

নগর জীবন

পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ
পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ

পেছনের পৃষ্ঠা

জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের
জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের

মাঠে ময়দানে

৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ
৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত
বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত

নগর জীবন

রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা
রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে
গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম
শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম

পেছনের পৃষ্ঠা

আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার খুলছে সুন্দরবন
আবার খুলছে সুন্দরবন

পেছনের পৃষ্ঠা

অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান
অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী
জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী

নগর জীবন

ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন
ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন

নগর জীবন

দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত

প্রথম পৃষ্ঠা

১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান
১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার
বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার

দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই
কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই

পেছনের পৃষ্ঠা

কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর

প্রথম পৃষ্ঠা

মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫
মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫

দেশগ্রাম

ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে
ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে

প্রথম পৃষ্ঠা

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি
ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি

পূর্ব-পশ্চিম

কুড়িগ্রামে ১০ টাকার হাসপাতাল
কুড়িগ্রামে ১০ টাকার হাসপাতাল

দেশগ্রাম