নীলফামারী-২। সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে আসনটি গঠিত। জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন বিএনপির পাঁচ নেতা। তারা হলেন- নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান জামান, জেলা বিএনপির সদস্য কাজী আখতারুজ্জামান জুয়েল ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেদওয়ানুল হক বাবু। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত। দলটির জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আল ফারুক আবদুল লতিফ। এর বাইরে ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফেজ মাওলানা এম হাছিবুল ইসলাম। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। মনোনীত এবং মনোনয়ন প্রার্থীদের তৎপরতায় এরই মধ্যে জমে উঠেছে ভোটের রাজনীতি। এ আসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যানার-ফেস্টুন, পোস্টার আর বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে। এ আসনটিতে এবার বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে।
বিগত সময়ে জোটগত নির্বাচনে জামায়াতকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় বিএনপিতে প্রার্থীসংকট। আসনটিতে জামায়াতের শক্ত অবস্থান থাকলেও তাদের বিএনপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই আসতে হবে, এমনটাই বলছেন তৃণমূলের মানুষ। হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভোটারের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি এবং তারা কোন দলকে ভোট দেবে তার ওপর নির্ভর করবে জয়-পরাজয় এমনটা বলছেন স্থানীয়রা।