Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ মে, ২০১৯ ২৩:৪৩

র‌্যাঙ্কিংয়ে নেই কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

র‌্যাঙ্কিংয়ে নেই কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, সম্প্রতি লন্ডনভিত্তিক টাইমস হায়ার এডুকেশন পরিচালিত র‌্যাঙ্কিং ব্যবস্থা এশিয়ার ৪১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। যেখানে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নিতে পারেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে হাজারের মধ্যেও নেই কেন? সেটি আজ জাতির কাছে বড় প্রশ্ন। গতকাল রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ড. আবদুল মঈন খান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, র‌্যাঙ্কিংয়ে সার্বিকভাবে চীনের ৭২টি, ভারতের ৪৯টি, তাইওয়ানের ৩২টি, পাকিস্তানের ৯টি, এবং হংকংয়ের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আছে। এমনকি নেপাল ও শ্রীলঙ্কার বিশ্ববিদ্যালয়ও আছে এই র‌্যাঙ্কিংয়ের তালিকায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই । র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান না পাওয়ার বিষয়ে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, কোর্স কারিকুলাম বা সিলেবাসসমূহে অনেক ডিপার্টমেন্টেই উন্নত বিশ্বের নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হালনাগাদ করা হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উন্নত বিশ্বের দেশগুলো থেকে ছাপা হওয়া নামি প্রকাশকের পাঠ্যবইয়ের বদলে অখ্যাত ভারতীয় বা অনুন্নত বিভিন্ন দেশের প্রকাশকের পাঠ্যবইগুলো বেছে নেওয়া হয় ক্লাসরুমে পাঠদানের জন্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব আজ চরম আকার ধারণ করেছে। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাকে মূল্যায়ন না করে নিছক দলীয় রাজনৈতিক কর্মী অর্থাৎ ‘ছাত্রলীগের কর্মীকে’ নিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে ভোটার তৈরির চেষ্টা করা হয়, যাতে শিক্ষক রাজনীতিতে প্রভাব বজায় রাখা সম্ভব হয়। ড. মঈন খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কথা শিক্ষা ও গবেষণার স্থান। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কার্যক্রম অপ্রতুল যা আমরা সবাই জানি। গবেষণা তহবিলের অপ্রতুলতার কথাও বহুল আলোচিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো পর্যাপ্ত তহবিল দিয়ে দিলেই কি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বা রাতারাতি গবেষণা কার্যক্রম বিশ্বমানে পৌঁছাতে সাহায্য করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে? আমার মনে হয় তা না।

 বেশ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে যা দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সমাধান করতে হবে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের পরীক্ষা নেওয়া এবং খাতা দেখার মতো কাজের জন্য বাড়তি সময় দেওয়ার কারণেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মৌলিক গবেষণায় অংশগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত সময় বের করতে পারেন না।


আপনার মন্তব্য