শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪৬

সরকারই আদালত অবমাননা করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারই আদালত অবমাননা করেছে

বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই এখন বিএনপির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে হলে আন্দোলন ও সংগ্রাম করতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে হবে। এখানে আমাদের অনেক তরুণ রয়েছেন। তাদেরই এ দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা রক্ত দিয়ে কিন্তু আইয়ুব খানকে সরিয়েছিলাম। তখন আমরা বয়সে তরুণ ছিলাম। এখনকার তরুণদেরও এ সরকারকে সরাতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। স্বৈরাচার পতন দিবসে দেশের গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত খবর প্রকাশ না হওয়ায় আমি বিস্মিত। সংবাদমাধ্যমও কি মনে করছে, এখন আর গণতন্ত্রের প্রয়োজন নেই? গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ’৯০-এর ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্রঐক্য আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের সাজা বাতিল দাবি ও স্বৈরাচার এরশাদের পতন উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এতে সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন। ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার এরশাদের পতন দিবস প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমার কাছে মনে হয় আজকে জাতি এ দিনটাকে ভুলে যাচ্ছে। আজকের পত্রিকা খুলে প্রথম পাতায় দেখলাম, এ দিনটাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়নি। যাদের বলা হয়, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যারা গণতন্ত্রকে ধরে রাখে, গণতন্ত্র ও জাতির বিবেক হিসেবে কাজ করে, গণতন্ত্র রক্ষার কবচ যাদের হাতে, সেই গণমাধ্যম আজকে ৬ ডিসেম্বরকে ভুলে গেছে! তাহলে কি আমরা মনে করব, সংবাদমাধ্যমও মনে করছে এখন আর দেশে গণতন্ত্রের প্রয়োজন নেই? আমি বিস্মিত! বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, নজিরবিহীন তো আমরাও মনে করছি।

 এ ধরনের সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন। আর গতকালও তো সরকার আদালত অবমাননা করেছে। বিএসএমএমইউর ভাইস চ্যান্সেলরও আদালত অবমাননা করেছেন। কারণ কোর্টের নির্দেশ ছিল, ৫ তারিখের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। তা দেওয়া হয়নি। এজন্য তো আদালত অবমাননা হওয়া উচিত। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধান বিচারপতিকে সম্মান করি ও শ্রদ্ধা করি। বিচার বিভাগকেও শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমরা বিস্মিত হই, যখন দেখি তাদের সম্পর্কে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর