শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:২২

এসএ গেমসে আরও তিন সোনা বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছিলেন না এবার নেপাল এসএ গেমসে বাংলাদেশ কটি সোনা জিতবে। বলাও সম্ভব নয়। তবে সেভ দ্য মিশন আসাদুজ্জামান কোহিনুর দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিলেন, আগের গেমসের চেয়ে সোনার পদক বাড়বে। শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে। গৌহাটিতে যেখানে বাংলাদেশের চার সোনা এসেছিল। সেখানে এবার ৭-এ দাঁড়িয়েছে। অঘটন যদি না ঘটে তাহলে ১০ সোনা জিতেই গেমস শেষ করতে পারবে বাংলাদেশ। তবে চার সোনা জিতে বাংলাদেশ হঠাৎ ঝিমিয়ে পড়ে। রুপা ও তামা ছাড়া কিছুই মিলছিল না। ভয়ও ঢুকে গিয়েছিল সোনা আর আসবে কি না। শেষ পর্যন্ত ভয়কে জয় করল বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা। টানা তিন দিন বিরতির পর স্বস্তি ফিরে এলো লাল-সবুজের শিবিরে। গতকাল দুই ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশ দেখা পেল দুই সোনার। প্রথম আবার মাবিয়া আক্তার সীমান্তের। গত আসরে ৬৩ কেজি ওজন শ্রেণিতে ভারোত্তোলনে সোনা জেতেন বাংলাদেশের এ তরুণী। তার সোনা জয়ের আনন্দাশ্রু আবেগে ভাসিয়ে ছিল এ দেশের ক্রীড়ামোদীদের। দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিকখ্যাত এসএ গেমসে আবারও বিজয়ের পতাকা ওড়ালেন মাবিয়া। গতকাল ৭৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সোনা জেতেন মাবিয়া। সব মিলিয়ে ১৮৫ কেজি ওজন তুলে সেরা হয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় সোনাটাও আসে ভারোত্তোলন থেকে। তবে পুরুষ বিভাগে, ৯৬ ওজন শ্রেণিতে সোনা জেতেন জিয়ারুল। প্রায় ১০ বছর পর পুরুষ কোনো ভারোত্তোলক বাংলাদেশকে সোনা এনে দিলেন। জিয়ারুল বলেন, ‘পদক জেতার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলাম। তবে সোনা পাব তা ভাবেনি। এখন অনেক ভালো লাগছে। আশা করি আগামীতেও ভালো করব’। ভারোত্তোলনের পর দিনের তৃতীয় সোনা আসে ফেন্সিং থেকে। এবারই প্রথম এসএ গেমসে ফেন্সিং অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আর তাতেই সোনা জিতে ইতিহাস হয় গেলেন নারী ক্রীড়াবিদ ফাতেমা মুজিব।


আপনার মন্তব্য