শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তরুণদের চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তরুণদের চাই

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তরুণদের ‘জেগে ওঠার’ আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল বিকালে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। বিএনপি মহাসচিব বলেন, তরুণদের আহ্বান জানাই- সামনে এগিয়ে আসুন। আর সময় নেই। এখন জেগে উঠতে হবে এবং দেশকে, দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আপনাদেরই জেগে উঠতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশকে যদি আমরা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চাই তাহলে আন্দোলন, আন্দোলন, আন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই। আমরা যদি স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে চাই, জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করতে চাই তাহলে আন্দোলন করতে হবে। দেশের মানুষের অধিকার যদি ফিরিয়ে আনতে চাই তা হলেও আন্দোলন ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই।

বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে গতকাল একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই সন্তান তারেক রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোসহ বেগম খালেদা জিয়া পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ব›ঈ হওয়ার দিনটি পালন উপলক্ষে এ ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হয়। জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব আবদুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজউদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম প্রমুখ বক্তব্য দেন। ভার্চুয়াল আলোচনায় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি আত্মপ্রচারে বিশ্বাস করে না। আজকে যারা এক যুগ ধরে গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে তারা ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছরের ইতিহাস বিকৃত করছে। বর্তমান প্রজন্ম এবং দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। তখনই আমরা এ দিনটি সামনে নিয়ে এসেছি। আজ তাদের ভয় জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে। এজন্যই তারা একের পর এক ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করছে।

মির্জা আব্বাস বলেন, এ সরকার খালেদা জিয়াকে, বিএনপিকে ও দেশপ্রেমিক নাগরিকদের ভয় পায়। যে কারণে আজ তারা ভোটে যেতে চায় না। যে কারণে আজ তারা এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে নিচ্ছে। অর্থাৎ তারা আগামীতে ক্ষমতায় থাকার জন্য এখন থেকে তাদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে চাচ্ছে। এ অবস্থার অবশ্যই অবসান হতে হবে। ইনশা আল্লাহ দেশের মানুষ তৈরি হচ্ছে। বিএনপির নেতৃত্ব সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আজ পত্রপত্রিকায় কিছু সুধীজন আমাদের মাঝেমধ্যে কিছু কিছু উপদেশ দিয়ে থাকেন। আমাদের নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলে থাকেন। তাদের সবিনয়ে বলব, এ কথাগুলো প্রকারান্তরে ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে। যারা ক্ষমতায় আছে তাদের ক্ষমতায় থাকার পথটাকে আরও প্রশস্ত করে।