শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫ আপডেট: ০২:০৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫

চক্ষু হাসপাতালে তুলকালাম

জুলাইয়ে আহত ও রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্মচারীদের সংঘর্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
চক্ষু হাসপাতালে তুলকালাম

ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে জুলাই আন্দোলনে আহত এবং চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতালের কর্মচারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চিকিৎসক, কর্মচারীদের অনেকে আহত হয়েছেন বলে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. জানে আলম জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বেলা ১১টার দিকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপুর দেড়টার দিকে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের সময় জুলাই আন্দোলনে আহত এবং রোগীর স্বজনদের হামলায় আমাদের চিকিৎসক, কর্মচারীদের অনেকে আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর উনারা হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়া চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের উদ্ধার করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহত চারজন রোগী হাসপাতালে বিষপান করেন। এটিকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের পরিচালক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা, গায়ে হাত তোলা ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটে। পরিচালকের কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ারও চেষ্টা করেন জুলাই আন্দোলনে আহতরা।

এ ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গতকাল সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা বিপাকে পড়েন। শিডিউল অনুযায়ী অস্ত্রোপচার করার কথা থাকলেও তা হয়নি। আউটডোরে লাইন থাকলেও টিকিট দেওয়ার লোক ছিল না। রুমের সামনে লোক থাকলেও চিকিৎসক ও কর্মচারীরা ছিলেন না। শুধু জরুরি বিভাগ খোলা ছিল। এ সময় সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাগবিতণ্ডা, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে পুরো হাসপাতালে। পরে হাসপাতালে অবস্থান করা জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহত রোগীরাও এতে যোগ দেন। তারা দেশি অস্ত্র নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মারধর শুরু করেন। বাদ যাননি চিকিৎসকরাও। তাদের সঙ্গে যোগ দেন পাশে জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) চিকিৎসাধীন জুলাই আন্দোলনে আহতরাও।

দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত চক্ষু হাসপাতালের কর্মকর্তা মিজানকে বের করে আনছিলেন কয়েকজন। মাথা থেকে অঝোরে রক্ত ঝরা অবস্থায় তাকে নিয়ে আসা ব্যক্তিরা বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতরা মিজানকে আঘাত করেছে। চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাপ্রার্থী সবাইকেই দৌড়ে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় শহীদুল ইসলাম নামের একজন সহযোগী অধ্যাপক চিকিৎসককে হামলাকারীরা জাপটে ধরে ফেলেন এবং আঘাত করতে থাকেন। আবার তাদেরই কয়েকজনকে নিবৃত করতেও দেখা যায়। জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহত সালমান বলেন, মূলত কয়েক দিন ধরেই ঝামেলা চলছে। আহতদের মধ্যে চারজন বিষ খেয়েছে। এসব বিষয়ে আলোচনা করতে গতকাল পরিচালকের রুমে যাই। সেখানে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে সেনাবাহিনী এসে পরিচালককে উদ্ধার করে। তিনি আরও বলেন, আজ (বুধবার) সকাল থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করছিল। সেখান থেকে আমাদের ওপর হামলা করবে বলে শুনতে পারি। পরে আবার আমাদের ওয়ার্ডের কলাপসিবল গেটে তালা দেয়। আমরা তালা ভেঙে বের হয়েছি। গন্ডগোল হয়েছে। তারপর সেনাবাহিনী এসেছে।

চিকিৎসকরা জানান, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতির ফলে ভোগান্তিতে পড়া সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে হাসপাতালের কর্মীদের তর্কবিতর্ক এবং হাতাহাতি হয়েছে। এতে পরিস্থিতি একটু উত্তপ্ত হয়। তখন ভিতরের রোগীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সব ওয়ার্ডের কলাপসিবল গেট লাগিয়ে দেওয়া হয়। জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহতদের ওয়ার্ডে একইভাবে তালা দেওয়া হয়। তারা বিষয়টিতে ভুল বুঝে তালা ভেঙে চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেবাপ্রার্থীদের গণপিটুনি শুরু করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন পঙ্গু হাসপাতালের জুলাই আন্দোলনে আহতরাও।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের এডিসি আলমগীর কবির বলেন, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

নানা দাবিতে গত মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে জুলাই আন্দোলনে আহতদের একটা অংশ। এ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টা পরিচালককে তার কার্যালয়ে অবরোধ করে রাখে তারা। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতালের পরিচালক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে জুলাই আন্দোলনে আহতদের একটা অংশ আমার কার্যালয়ে আসে। গত রবিবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে হাসপাতালে ভর্তি চারজনও তাদের সঙ্গে ছিল। তারা হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আসে। এরসঙ্গে যোগ দেয় আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুলাই আন্দোলনের কয়েকজন। তাদের নিজেদের মধ্যেও অনেক ধরনের কোন্দল আছে, একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ করে। তাদের ৪০ থেকে ৫০ জন আমার রুমে আসে। সেখানে তারা নিজেদের মধ্যে গোলমাল করছিল, একজন আরেকজনকে দোষারোপ করছিল যে একদল অনুদান এনেছে অন্যদের দেয়নি। তিনি আরও বলেন, তারা অভিযোগ করছিল আমি নাকি তাদের একদলের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর নামের তালিকা করি। কিন্তু এখানকার বিশেষজ্ঞ কমিটি নির্ধারণ করে দেয় কারা বিদেশ যাবে। তো এসব বিষয় নিয়ে পরিস্থিতি উত্যপ্ত ছিল, তাদের মধ্যে আকতার হোসেন নামে একজন পেট্রোল নিয়ে এসেছিল। যে কারণে আমি কিছুটা ভয় পেয়ে যাই, কোনো দুর্ঘটনা ঘটায় কি না। বিষয়টি আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাই। এরপর সেনাবাহিনীর সদস্যরা এলে তারা সরে যায়। এর আগেই আমি আহতদের একটা অংশের সহায়তায় কক্ষ থেকে বের হয়ে আসি।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৯ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন