শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০০:১১, বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫

ষড়যন্ত্রের জালে বন্দি গণতন্ত্র?

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
ষড়যন্ত্রের জালে বন্দি গণতন্ত্র?

জুলাই বিপ্লবের এক বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জুলাইয়ের গণ অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে, এক বছর পর সেই আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে যেন হাঁটছে বাংলাদেশ। জুলাই বিপ্লবের স্বপ্নগুলো আস্তে আস্তে মলিন হয়ে যাচ্ছে। এক বছর আগে যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য সৃষ্টি হয়েছিল, সেই ঐক্য এবং সংহতিতে এখন ফাটলের ক্ষতচিহ্ন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে- জুলাই কি ব্যর্থ হতে চলেছে? জুলাই বিপ্লবের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন এক বাংলাদেশ বিনির্মাণ। একটি কর্তৃত্ববাদী স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনগণের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। আর তা অর্জনের জন্য সবচেয়ে

প্রধান এবং প্রথম কাজ হলো গণতন্ত্রে উত্তরণ। জনগণের নির্বাচিত একটি সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও অভিপ্রায় অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা। কিন্তু সেই গণতন্ত্রের পথে যেন কাঁটা বিছানো, পায়ে পায়ে নানারকম প্রতিবন্ধকতা। নির্বাচন নিয়ে যখনই কথাবার্তা শুরু হয়, তখনই দেশে শুরু হয় অস্থিরতা। গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষাকে যেন ষড়যন্ত্রের জালে বন্দি করা হয়। ষড়যন্ত্র হচ্ছে চারপাশ থেকে। একটি ষড়যন্ত্র শেষ হতে-না হতেই আরেকটি নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হচ্ছে। যেন গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ বন্ধ হয়ে যায়, জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য অর্জিত না হয়।

জুলাই বিপ্লবের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গণতন্ত্রের কথাই বলেছিলেন। তিনি সব রাজনৈতিক দল এবং অভ্যুত্থানের সূর্যসন্তানদের এক বাক্যে বলেছিলেন, জনগণ গত ১৫ বছর অধিকার বঞ্চিত হয়েছেন। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল। কোনো মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এটি ছিল স্বৈরাচারী সরকারের সবচেয়ে বড় অপরাধ। ক্ষমতা দখল করে তারা দেশে একটি লুণ্ঠনতন্ত্র কায়েম করেছিল, প্রতিষ্ঠা করেছিল অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতার এক নজিরবিহীন ব্যবস্থাপনা। সেই ব্যবস্থাপনা থেকেই মুক্তি চেয়েছিল এ দেশের মানুষ। সেই ব্যবস্থাপনা থেকে মুক্তির পথ একটাই, তা হলো জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানানো এবং জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা। যেটি ড. মুহাম্মদ ইউনূস বারবার বলছেন। কিন্তু সে লক্ষ্যে আমরা গত এক বছরে আদৌ কি এগোতে পেরেছি?

অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মূলত তিনটি কাজ করার জন্য। প্রথমত, জুলাই বিপ্লবের সময় যে গণহত্যা, নিপীড়ন, নির্যাতন সংঘটিত হয়েছিল তার অবাধ, সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন করা। এ বিচার যেন দ্রুত হয়, স্বচ্ছ হয় এবং বিশ্বাসযোগ্য হয়। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যেন সে বিচার নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে।

দ্বিতীয়ত, সংস্কার। যেমন- নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কিছু জরুরি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রয়োজন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রসঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য দরকার। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেন ভবিষ্যতে কোনো সরকার নিজের ইচ্ছামতো কুক্ষিগত করতে না পারে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেন দলের ক্ষমতায় টিকে থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ইত্যাদি। রাষ্ট্র সংস্কারের একটি রূপরেখা প্রণয়ন, যা সরকার বাস্তবায়নে বাধ্য থাকবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও আমরা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কোনো ইঙ্গিত পাচ্ছি না। বরং জনগণের অধিকারের পথ যেন ক্রমশ বন্ধুর এবং জটিল হয়ে পড়ছে। গণতন্ত্র ও নির্বাচনের প্রবল এক প্রতিপক্ষ যেন ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে।

দেশের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দাবি করেছে। যে তিনটি কাজ অন্তর্বর্তী সরকারের করার কথা, সে তিনটি কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার ক্ষেত্রে কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা আছে বলে আমি অন্তত মনে করি না। এক বছর রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে একটি অভিন্ন ঘোষণা প্রণয়নের জন্য যথেষ্ট সময়। কিন্তু এ নিয়ে যেন কালক্ষেপণের প্রতিযোগিতা চলছে।

গণহত্যার বিচারের বিষয়টি ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার বিচারের কার্যক্রম সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে। এ বিচারকে তার আপন গতিতে চলতে দেওয়া উচিত। কিন্তু সারা দেশে শুরু হয়েছে মামলাবাণিজ্য। যে যার মতো যেভাবে পারছে মামলা করছে।

চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের পর এখন দেশে মামলাবাণিজ্য একটি রমরমা ব্যবসা। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য, ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নাজেহাল করার জন্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার জন্য, এমনকি প্রতিবেশীকে শায়েস্তা করার জন্য হত্যা মামলা হচ্ছে। গত এক বছরে এসব মামলার তদন্ত হয়নি, বিচার তো দূরের কথা। প্রায় ১৬ হাজার মামলায় ১ লাখের বেশি আসামি হয়েছেন। অধিকাংশ আসামি নিরীহ। বাদী জানে না আসামি কে, আসামি বাদীকে চেনে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মামলাগুলো হয়েছে নানারকম মতলবে, আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায়। ফলে জুলাই গণহত্যার বিচারের বিষয়টি ক্রমশ একটি রাজনৈতিক খেলায় পরিণত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ বিরক্ত। ব্যবসায়ী, শিল্পপতি থেকে শুরু করে সাংবাদিক, সরকারি চাকরিজীবী থেকে শুরু করে নিরীহ শ্রমিক, মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক কর্মী কেউই মামলার তালিকা থেকে বাদ যাননি। মামলাবাণিজ্য বন্ধে সরকার এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। মামলাবাণিজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে মব সন্ত্রাস। মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল, চাঁদাবাজি, দখলের সংস্কৃতি চলছে দেশজুড়ে।

দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়ংকর অবনতি ঘটেছে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, লুটতরাজ এখন একটা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। অন্তর্বর্তী সরকার যেন হাত-পা গুটিয়ে বসে আছে। তাদের যেন কিছুই করার নেই। এরকম একটি পরিস্থিতিতে সুযোগ নিচ্ছে গণতন্ত্রবিনাশী শক্তি। ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে নতুন করে। যখনই এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে, তখনই শুরু হচ্ছে ‘ব্লেইম গেম’।

সর্বশেষ গত ৯ জুলাই বুধবার মিটফোর্ডের ঘটনাটির কথাই উল্লেখ করা যায়। একজন রাজনৈতিক কর্মী সোহাগকে নির্মমভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, এ ঘটনা যখন ঘটছিল তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোথায় ছিল? খুব কাছেই আনসার ক্যাম্প ছিল, সেই আনসার ক্যাম্পের আনসাররা কী করল? ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দীর্ঘক্ষণ ধরে এ বর্বরতা ঘটেছে। অথচ সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যেন তামাশা দেখেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এগিয়ে আসেনি। সাধারণ নাগরিকরাও সাহসে বুক বেঁধে এই নৃশংস পৈশাচিক ঘটনাকে রুখতে এগিয়ে আসেনি। ফলে একটি মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ। এ ঘটনার পরপরই বেশ কিছু রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পরপরই জুলাই বিপ্লবের যে ঐক্যবদ্ধ শক্তি তার মধ্যে সুস্পষ্ট ফাটল দেখা দিয়েছে। একটি পক্ষ অন্যপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য যেন মাঠে নেমেছে।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ একে অন্যের সমালোচনা করতেই পারে। এটাই গণতান্ত্রিক রীতি। কিন্তু এ সমালোচনা যেন শিষ্টাচারবহির্ভূত না হয়, অশ্লীল কুরুচিপূর্ণ না হয়, সে বিষয়টি সবার লক্ষ্য রাখা উচিত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো সোহাগ হত্যার পর গত রবিবার থেকে রাজনীতির মাঠে যেন তৃতীয় শক্তির অদৃশ্য ছায়া দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ সৃষ্টি করে কেউ কেউ পানি ঘোলা করে সেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। লক্ষণীয় বিষয় হলো- এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধ যারাই করুক না কেন, তারাই অপরাধী। তাদের রাজনৈতিক কোনো পরিচয় নেই। অপরাধীকে শুধু অপরাধী হিসেবে দেখতে হবে। কিন্তু সেটি না করে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় খুঁজে তার দায়দায়িত্ব একটি রাজনৈতিক দলের ওপর চাপিয়ে দেওয়াটা এক ধরনের রাজনৈতিক কূটকৌশল। এ ধরনের রাজনৈতিক কূটকৌশল দেশের জন্য ভালো নয়, গণতন্ত্রের জন্য অশুভসংকেত। এটিই হলো বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়া।

আমরা লক্ষ্য করেছি, এ ঘটনাটি প্রথম নয়। জুলাই বিপ্লবের পর এ ধরনের বেশ কিছু মব সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। অনেকেই এ ধরনের মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমরা তোফাজ্জলের কথা ভুলে যাইনি। ধানমন্ডিতে একজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে মব বাহিনী আক্রমণ করেছিল। পুলিশ সেখানে তাকে রক্ষা করেছিল। এ ধরনের ঘটনা যখন নিরন্তর ঘটতে থাকে এবং সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যখন তার বিরুদ্ধে কোনোরকম প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তখন এ ঘটনাগুলো বাড়তেই থাকবে। আর তারই একটি ধারাবাহিকতা হলো সোহাগ হত্যাকাণ্ড। এ হত্যাকাণ্ডকে কখনই একটি রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। যদি কেউ রাজনৈতিক রং দেয় সেটি এক ধরনের ষড়যন্ত্র। আর এ ষড়যন্ত্র হচ্ছে খুব পরিকল্পিতভাবে। এমন এক সময় এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, যে সময় লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকের মধ্য দিয়ে সরকার এবং দেশের রাজনৈতিক দলগুলো দ্রুত গণতন্ত্রে উত্তরণের ব্যাপারে একটি সমঝোতায় পৌঁছে। প্রধান উপদেষ্টা এবং তারেক রহমান একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সারা দেশে স্বস্তির নিশ্বাস পড়েছিল। কিন্তু সে অনুযায়ী দেশে ফিরে প্রধান উপদেষ্টা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন বলে দৃশ্যমান হয়নি। এ নিয়ে যখন আবার রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা আলাপ-আলোচনা শুরু হলো, তখন প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ দিলেন।

লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো- সোহাগ হত্যাকাণ্ড এ ঘটনার পরপরই ঘটেছে। তাহলে কি নির্বাচনের সঙ্গে মব সন্ত্রাসের কোনো সম্পর্ক রয়েছে? প্রধান উপদেষ্টা যখনই ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতির ঘোষণা দিলেন, তার পর থেকে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়ংকর অবনতি লক্ষ করা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় মব সন্ত্রাস আবার বেড়ে গেছে। এ মব এবং সন্ত্রাস বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে একটি রাজনৈতিক দল অন্য রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করছে। রাজনীতিতে আবার একটি মাইনাস ফর্মুলা নিয়ে গুঞ্জন ও আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে। তার মানে কী, বাংলাদেশে কোনো কোনো মহল আছে যারা চান না দেশে নির্বাচন হোক?

আমাদের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘদিন ধরে আলাপ-আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করছে। এত দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করা আদৌ দরকার কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে। তাহলে তারা কি নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চান? দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভাজন ছড়িয়ে দিয়ে বাংলাদেশে কি অন্য কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করতে চান কেউ কেউ? সে প্রশ্ন এখন সামনে উঠে এসেছে। গণতন্ত্র যেন ষড়যন্ত্রের জালে আবার বন্দি হয়ে যাচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি
নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে
মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না

নগর জীবন