শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:২০, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্র

♦ নিহত ৪, আহত শতাধিক ♦ গুলি টিয়ারগ্যাস বোমা ♦ কারফিউ জারি ♦ সেনাপ্রহরায় নেতারা খুলনায় ♦ হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার চায় এনসিপি
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্র

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে দফায় দফায় হামলা-সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতরা হলেন গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫), কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮), টুঙ্গিপাড়ার সোহেল রানা মোল্লা (৩০) ও ইমন তালুকদার (১৮)। আহত হয়েছেন সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি।

গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা চালান নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল বিনিময়, গুলি, টিয়ারগ্যাস, বোমা বিস্ফোরণে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোটা গোপালগঞ্জ। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ছিল ব্যাপক তৎপর। সংঘর্ষের পর গোপালগঞ্জ থেকে সেনাবাহিনী এনসিপি নেতাদের খুলনা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। গতকাল সভা শুরুর আগে বেলা দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে প্রথম দফা হামলা ঘটে। এনসিপির মার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচি কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে ইউএনওর গাড়িবহরে হামলা, পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করেছে সরকার। গতকাল সন্ধ্যায় প্রেস উইংয়ের পাঠানো বার্তায় এ কথা জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, বুধবার রাত ৮টা থেকে পরবর্তী দিন (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিকালে তিনজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা গুলিবিদ্ধ ছিলেন। আরও নয়জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের অস্ত্রোপচার হয়েছে। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাবিল জানান, আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। মোট চারজনের লাশ হাসপাতালে রয়েছে বলে তিনি জানান।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া অস্থিরতা ও সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। কারফিউ চলাকালে জনসাধারণের চলাচল সীমিত থাকবে এবং বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বেরোতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।

বেলা ১১টায় শহরের পৌর উন্মুক্ত মঞ্চে সমাবেশের স্থান নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সকাল থেকে এনসিপিকে প্রতিরোধ করতে বিভিন্ন এলাকায় বাধার সৃষ্টি করেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার উলপুরে পুলিশের একটি টহল গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন তারা। ১১টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িতে হামলা করা হয় কংশুরে। এর পরপরই সমাবেশস্থলে হামলা ও মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন স্থানে বাধা ও বৃষ্টির কারণে সমাবেশস্থলে বেলা ২টার দিকে উপস্থিত হন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ নেতা-কর্মীরা। সমাবেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, জেলা আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম দাড়িয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন। বেলা ৩টার দিকে সমাবেশ শেষ করে নেতারা শহর ত্যাগ করার সময় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের বিক্ষুব্ধ জনগণ ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণ করে তাঁদের আটকে দেয়। পরে পুলিশ টিয়ার শেল ও ফাঁকা গুলি করে তাঁদের ওখান থেকে ফিরিয়ে দেয়। এরপর সেনাবাহিনী তাঁদের নিরাপত্তা দিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সহিংসতা বাড়তে থাকে এবং জনগণ মারমুখী হয়ে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার শেল ও ফাঁকা গুলি করে। শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা গোপালগঞ্জের নাম বদলাতে আসি নাই। আমরা এসেছিলাম এই নতুন বাংলাদেশে যাতে গোপালগঞ্জের মানুষের অধিকার রক্ষা করা হয়, সেই প্রতিশ্রুতি দিতে। মুজিববাদীরা আজ বাধা দিয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের মধ্যে আমরা বলেছিলাম বাধা দিলে বাধবে লড়াই, সে লড়াইয়ে জিততে হবে এবং সেই লড়াইয়ে আমরা জিতেছিলাম। আজ আমাদের বাধা দেওয়া হয়েছে, দ্বিগুণ গতিতে এর জবাব আমরা দেব ইনশাল্লাহ। সারজিস আলম বলেন, কেউ যদি কোনো ব্যক্তি, দল আর কোনো পরিবারকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জকে বর্গা দিতে চায় তাহলে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিহত করব।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ওরা হামলা করেছে, ককটেল বিস্ফোরণ করেছে, ওরা রাস্তা আটকিয়েছে। কিন্তু গোপালগঞ্জে সাহসী জনতাকে নতুন বাংলাদেশের পদযাত্রায় দাবিয়ে রাখতে পারেনি। ওই সব চোর-সন্ত্রাসীকে বলতে চাই-আমরা আপনাদের মতো হিংস্র নই। কিন্তু আমাদের প্রতিশোধ নিতে বাধ্য করবেন না।

সেনা প্রহরায় গোপালগঞ্জ ত্যাগ করেন এনসিপি নেতারা  ছবি : ভিডিও ফুটেজ থেকে
সেনাপ্রহরায় গোপালগঞ্জ ত্যাগ করেন এনসিপি নেতারা ছবি : ভিডিও ফুটেজ থেকে

গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে এনসিপির গাড়িবহরে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। এর ফলে হামলাকারী ও পুলিশের মধ্যে প্রায় ৩ ঘণ্টা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। এতে বাজার এলাকা থেকে পাচুড়িয়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক রণক্ষেত্র পরিণত হয়। নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী হামলাকারীদের ওপর গুলি চালায়। এতে নিষিদ্ধ যুবলীগ সদস্যসহ তিনজন নিহত ও সাংবাদিক, পুলিশসহ প্রায় এক শ জন আহত হয়েছেন। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেছেন, গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা কেন্দ্র করে উূ¢ত পরিস্থিতির জন্য জেলাজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পরে বুধবার রাত ৮টা থেকে পর দিন বৃহস্পতিবার ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়। এসব ঘটনায় জেলা শহরসহ আশপাশ এলাকায় ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গতকাল বেলা আড়াইটার পর এনসিপি তাদের কর্মসূচি শেষ করে যাওয়ার সময় শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্থানীয় জনতা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংঘর্ষ থামাতে মুহুর্মুহু রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল ছোড়ে। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এলাকা। সংঘর্ষ শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্থানীয় জনতা জেলা কারাগারে হামলা করে। তারা কারাগারের প্রধান ফটক ভাঙার চেষ্টা করে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রতিহত করেন। এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। পরে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে এনসিপি নেতা-কর্মীদের একত্র করে সেনা পাহারায় বাগেরহাটের প্রবেশদ্বার মোল্লাহাট সেতু পার করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম এনসিপির : গোপালগঞ্জে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে এ হামলার প্রতিবাদে আজ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের আহ্বান করা হয়েছে। গতকাল রাত ১০টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আখতার হোসেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, তাসনিম জারা উপস্থিত ছিলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছে। ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগ গোপালগঞ্জে আশ্রয় নিয়েছে। তারা সেখানে অন্য কোনো সংগঠনকে কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। সেই ঘোষণা উপেক্ষা করে এনসিপি কর্মসূচি পালন করলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, যত বাধাই আসুক এনসিপি দেশব্যাপী পদযাত্রা কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। গোপালগঞ্জে হামলার বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। মুজিববাদীদের হাত থেকে গোপালগঞ্জবাসীকে রক্ষায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বিচার সংস্কার ও নতুন সংবিধানের দাবিতে চলমান কর্মসূচিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, এখানে প্রশাসনের ব্যর্থতা রয়েছে। গোপালগঞ্জে যদি শুরু থেকেই পুলিশ সতর্ক থাকত তাহলে এ ঘটনা ঘটত না। আওয়ামী লীগ এখন জঙ্গি সংগঠনের মতো কাজ করছে। এখানে এনসিপি নেতা-কর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। ফলে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশাসনকে দেখা উচিত ছিল। এ কারণে আওয়ামী লীগের যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

গোপালগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে ব্লকেড ঢাবিতে বিক্ষোভ : গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, নাগরিক পার্টিসহ সমমনা বেশ কিছু সংগঠন ও প্ল্যাটফর্মের নেতা-কর্মী। গতকাল বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে ব্লকেড শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শেষ হয়। এদিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গোপালগঞ্জে হামলার বিরুদ্ধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে কাল শুক্রবার লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।

গোপালগঞ্জে আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত : আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় গোপালগঞ্জে আজ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডর আওতাধীন গোপালগঞ্জ জেলার ১৭ জুলাইয়ের এইচএসসির ভূগোল (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। তবে ঢাকা বোর্ডের অন্যান্য জেলা ও অন্য শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপালগঞ্জ জেলার সব কেন্দ্রে আজকের আলিমের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অন্য জেলাগুলোতে আলিম পরীক্ষা যথারীতি চলবে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপালগঞ্জ জেলার কারিগরি বোর্ডের অধীনে চলমান ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল, এইচএসসি ভোকেশনাল, এইচএসসি বিএমটিসহ আজকের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অন্য জেলার পরীক্ষাগুলো যথারীতি চলমান থাকবে। স্থগিত পরীক্ষার তারিখ পরে জানিয়ে দেবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি
নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না

নগর জীবন