শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০২:০৩, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি

জ্বালানি তেলের পাম্পের বাইরে দীর্ঘ লাইন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনচালকদের দুর্ভোগ ও ভোগান্তি কমেনি। তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর ফিলিং স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা কমে আসবে এমন ধারণা করা হলেও বাস্তবে তেমন ঘটেনি। বিগত কয়েক দিনের মতো গতকালও রাজধানীর ফিলিং স্টেশন ও এর আশপাশে দেখা যায় তেলের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এদের অনেকেই শনিবার রাত ও গতকাল ভোরে লাইনে দাঁড়ান। কিছু পাম্প আবার তেলের সংকটে বিক্রি বন্ধ রেখেছিল। ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বুঝতে আরও দুই-তিন দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ  করতে হবে। আর সাধারণ মানুষ দাম বৃদ্ধির পরও তেলসংকট ও ভোগান্তি না কমায় বিরক্তি এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সরেজমিন বেলা ২টায় রাজধানীর মানিকদীর সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তেলের জন্য অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি গত শনিবার দুপুরের তুলনায় গতকাল সামান্য কম ছিল। তবে ভোগান্তি আগের মতোই। এ স্টেশনে তেলের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা চালকরা জানান, দাম বৃদ্ধির পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এই পাম্পের কর্মচারী মো. রাজীব বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দাম বৃদ্ধির পরও বিগত কয়েক দিনের মতো তেলের জন্য যানবাহনের দীর্ঘ গাড়ির সারি কমেনি। তা আগের মতোই আছে। আরও দুই-তিন পরিস্থিতি দেখে তারপর বোঝা যাবে তেলের দাম বৃদ্ধিতে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না। বর্তমানে এই স্টেশনে মোট জ্বালানি চাহিদা ৮০ হাজার লিটার। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৪০ হাজার লিটার তেল। এখানে ফুয়েল পাস নিয়ে ১০ লিটার বা ১৪০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। আর ফুয়েল পাস ছাড়া ১ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। প্রাইভেট কারে সাড়ে ৩ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। আগে রেশনিং করা না হলেও গত শনিবার থেকে তেল বিক্রিতে লিমিট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এই স্টেশনে। সুমাত্রায় তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আল আমিন (শিক্ষক) বলেন, তেলের দাম এত বৃদ্ধি পায়নি কখনো। এই দাম বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি জীবনযাত্রার ওপর পড়বে। আমি রবিবার ভোর ৫টার দিকে এখানে তেলের লাইনে দাঁড়াই বেলা আড়াইটার দিকেও অর্থাৎ সাড়ে ৯ ঘণ্টায়ও তেল নিতে পারিনি। দাম বৃদ্ধির পরও অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। আগের ভোগান্তিই রয়ে গেছে। আরেক মোটরসাইকেল চালক জীবন হাসান (শিক্ষার্থী) বলেন, আগে যেমন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে, এখনো তেলের দাম বৃদ্ধির পর লাইন দীর্ঘই আছে। অথচ এর কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। প্রতি ৫ লিটারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হবে। এই শিক্ষার্থী রবিবার ভোর ৪টায় দাঁড়িয়ে বেলা ৩টায় তেল কিনতে পারেন। এই পাম্পে আসা অন্য চালকরা জানান, সরকার তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে এতে তাদের আপত্তি নেই, কিন্তু সব ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে হবে এবং ভোগান্তি দূর করতে হবে। রাজধানীর নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টারে গতকাল বেলা ৩টায় প্রাইভেট কারের লাইন আগের দিনগুলোর চেয়ে সামান্য কম থাকলেও মোটরসাইকেল চালকদের তেল নেওয়ার লাইন ছিল অন্য দিনগুলোর মতোই দীর্ঘ। এই পাম্পে দুপুরেই ডিজেল শেষ হয়ে গিয়েছিল আর অকটেন যা ছিল তাও দ্রুত ফুরিয়ে যাবে এ কথা জানান কর্মকর্তারা। পাম্পের ম্যানেজার সোহেল রানা জানান, লাইনের সারি আগের মতোই আছে। এই পাম্পে ফুয়েল পাস দিয়ে ১২০০ টাকার অকটেন আর পাস ছাড়া ৮০০ টাকার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিলে যেখানে এই পাম্পে গড়ে সাড়ে ২৯ হাজার লিটার ডিজেল দেওয়া হয়, গতকাল দেওয়া হয় সাড়ে ২২ হাজার লিটার ডিজেল। আর এপ্রিলে ৫২ হাজার লিটার অকটেন দেওয়া হলেও গতকাল ২৭ হাজার লিটার অকটেন দেওয়া হয়। দাম বৃদ্ধির প্রভাব বুঝতে আরও দু-একদিন লাগবে। রবিবার যারা তেল নিচ্ছেন তাদের বেশির ভাগই শনিবার গভীর রাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে তেলের সরবরাহ যদি সরকার আরেকটু বৃদ্ধি করে তাহলে চাহিদামতো সবাইকে তেল দিলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে তিনি জানান। এই পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক নাজমুল হাসান (চাকরিজীবী) বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির পরও ভোগান্তি আগের মতোই আছে। গতকাল ভোর ৬টায় এসেও বেলা ৩টা পর্যন্ত তেল নিতে পারিনি। এই দাম বৃদ্ধির সুফল পেতে আরও কয়েক দিন লাগবে। এই পাম্পের অন্য মোটরসাইকেল চালকরা জানান, দাম বৃদ্ধিতে সমস্যা নেই। কিন্তু এত দীর্ঘক্ষণ পাম্পে দাঁড়িয়ে যে ভোগান্তি হচ্ছে তা খুব কষ্টের। দাম বৃদ্ধি করেও যদি পাম্পে সব সময় তেল পাওয়া যেত তাহলে সমস্যা ছিল না।

এই বিভাগের আরও খবর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
পবিত্র আশুরা আজ
পবিত্র আশুরা আজ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দিনদুপুরে চার খুন
দিনদুপুরে চার খুন
সর্বশেষ খবর
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম
মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬
নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

২৭ মিনিট আগে | পরবাস

রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ
রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

৪৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬

৫০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা
ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

৫৭ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ
ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১
পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন
ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?
রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক