শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৩৩, শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬ আপডেট: ২০:৪২, শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

রাজনৈতিক বিশ্লেষক
অনলাইন ভার্সন
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অভূতপূর্ব জনপ্রত্যাশার মধ্যে ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। অনেক বাংলাদেশি এই পরিবর্তনকে দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নতুন করে সাজানোর একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন। নাগরিকরা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বৃহত্তর জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক শাসনে প্রত্যাবর্তনের আশা করেছিলেন। 

তবে, অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসের কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর বিতর্ক রয়ে গেছে। তাদের সমর্থকরা ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের পর শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর এবং কিছু প্রশাসনিক পরিবর্তনের কথা বললেও, সমালোচকদের মতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যাশা পূরণে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যর্থ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক সংস্কার।

কিন্তু সমালোচকদের মতে, শাসনব্যবস্থা ক্রমশ অনির্বাচিত সুশীল সমাজের ব্যক্তিত্বদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। যাদের অনেকেই বিদেশি নাগরিক। এছাড়াও সক্রিয় ছিল একটি প্রভাবশালী ‘কিচেন ক্যাবিনেট’। সেইসঙ্গে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যারা গণতান্ত্রিক জবাবদিহি ছাড়াই ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিল। সংস্কারের পরিবর্তে অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ এবং রাজনৈতিক কর্মীদের ব্যাপকহারে গ্রেফতার ও দীর্ঘ আটকাদেশের মাধ্যমে প্রতিশোধের রাজনীতির বাস্তবায়ন করেছে। তারা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কতজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে বা শেষ পর্যন্ত বিচার করা হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণসহ জনসমক্ষে উত্থাপন না হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে।

আরেকটি বড় সমালোচনা হলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কথিত রাজনৈতিকীকরণকে কেন্দ্র করে। সমালোচকদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আমলাতন্ত্র ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অংশে তাদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে। সুশাসন শক্তিশালী করার পরিবর্তে এই সময়ে উল্টো আত্ম-অহংকার, স্বজনপ্রীতি এবং দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’র (টিআইবি) সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে এই উদ্বেগগুলো আরও জোরদার হয়েছে। সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের সময় দুর্নীতির সূচক আরও খারাপ হওয়ার কথা বলা হয়।

সমালোচকরা যুক্তি দেন যে, স্বচ্ছ শাসনের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কার্যত জবাবদিহির কোনো ব্যবস্থা ছাড়াই পরিচালিত হয়। নির্বাচিত সরকারের মতো এর উপদেষ্টারা অর্থপূর্ণ সংসদীয় তদারকি বা জনসমীক্ষার আওতাধীন ছিলেন না। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভূমিকাও ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও তিনি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপকভাবে সম্মানিত এবং পশ্চিমা সরকার, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে শক্তিশালী সমর্থন পেয়েছেন।

সমালোচকদের মতে, তার প্রশাসন সরকারি পদকে ব্যক্তিগত স্বার্থ থেকে পৃথক করতে ব্যর্থ হয়েছে। ইউনূস ও তার সহযোগী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কর-সংক্রান্ত মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার ব্যবসায়িক স্বার্থের সাথে যুক্ত সংস্থাগুলোকে জনশক্তি রফতানির লাইসেন্স প্রদানের মতো বাড়তি সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকে এই চুক্তিকে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।

তবে সমালোচকদের মতে, এই চুক্তি অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এর কারণে আমেরিকার কৌশলগত ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা পাবে। একই সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বকে সীমিত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

সাধারণ নাগরিকদের জন্য সম্ভবত সবচেয়ে দৃশ্যমান হতাশার কারণটি হলো আইনশৃঙ্খলার অবনতি। ‘মব’ যেন ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। অন্যদিকে ‘তাওহিদি জনতা’ নামে পরিচিত গোষ্ঠীগুলো ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। সমালোচকদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকার এই ধরনের গোষ্ঠীগুলোকে দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে। যার ফলে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড ক্রমশ স্বাভাবিক হয়ে উঠে। এতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর জনগণের আস্থা ক্রমাগত হ্রাস পায়।

অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক মত প্রকাশের পরিসর সংকুচিত হওয়াটাও সমানভাবে উদ্বেগজনক ছিল। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, লেখক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নিজেদেরকে ক্রমশ কোণঠাসা অবস্থায় দেখতে পান। ভিন্নমত প্রকাশে তারা অনিচ্ছুক হয়ে পড়েন।

সমালোচকদের যুক্তি, বহুত্ববাদকে উৎসাহিত করার পরিবর্তে প্রশাসন প্রায়ই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং ন্যায্য সমালোচনাকে স্তব্ধ করতে ‘ফ্যাসিস্ট’-এর মতো তকমা ব্যবহার করেছে। তারা আরও দাবি করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সমর্থকরা, জামায়াত ও এনসিপির পাশাপাশি, সমসাময়িক রাজনীতিতে একই ধরনের বাগাড়ম্বর ব্যবহার করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো।

বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন এগারো-দলীয় জোটের সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ শুরুর ঘোষণা এই উদ্বেগগুলোকে আরও তীব্র করেছে। সমালোচকরা এই বিক্ষোভগুলোকে কেবল গণতান্ত্রিক বিরোধিতা হিসেবেই দেখছেন না, বরং স্বাভাবিক সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার আরেকটি চক্র তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

এসব ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে, এটা যুক্তিযুক্ত যে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত ত্রুটিগুলোর জন্য জামায়াত এবং এনসিপির রাজনৈতিক দায়ভার বহন করা উচিত। উভয় দলই এই আঠারো মাসের সময়কালে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিবেশ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হয়েছে। এর ফলস্বরূপ তারা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব বিস্তার করেছে।

একইভাবে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগকারী উপদেষ্টারাও তদন্তের আওতার বাইরে থাকতে পারেন না। ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি আটক, পক্ষপাতমূলক বিচার, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার বা স্বার্থের সংঘাতের যেকোনো অভিযোগ যথাযথ প্রক্রিয়ার অধীনে স্বাধীন তদন্তের দাবি রাখে। জবাবদিহি গণতান্ত্রিক শাসনের একটি মূল ভিত্তি এবং এটি নির্বাচিত ও অনির্বাচিত উভয় প্রশাসনের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

পরিশেষে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিচার হবে তার প্রতিশ্রুতির নিরিখে নয়, বরং তার রেখে যাওয়া কীর্তির নিরিখে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক নবায়নের জন্য লাখ লাখ বাংলাদেশির আকাঙ্ক্ষা কেবল আংশিকভাবেই পূরণ হয়েছে। বাংলাদেশকে যদি সামনে এগিয়ে যেতে হয়, তবে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা আন্তর্জাতিক সমর্থন নির্বিশেষে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রতিটি প্রশাসনকে জবাবদিহির একই মানদণ্ডে বিচার করতে হবে। টেকসই গণতন্ত্র কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না, বরং শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, আইনের সমান প্রয়োগ এবং গণতান্ত্রিক নীতির প্রতি শ্রদ্ধার ওপর নির্ভর করে। 
 

এই বিভাগের আরও খবর
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
তৃতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষার গুরুত্ব: জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাস্তাবায়নের রূপরেখা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

৪৮ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

১৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম
মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬
নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

৩৮ মিনিট আগে | পরবাস

রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ
রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

৫৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা
ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ
ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১
পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন
ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?
রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক