শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০১ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:১০, শুক্রবার, ০১ মে, ২০২৬

রেমিট্যান্সের আড়ালে চাপা কান্না

► গড়ে দিনে আসছে ১৪ শ্রমিকের লাশ ► অমানবিক নির্যাতনের শিকার নারী শ্রমিক
জিন্নাতুন নূর
প্রিন্ট ভার্সন
রেমিট্যান্সের আড়ালে চাপা কান্না

দেশের ইতিহাসে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা এক মাসে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন গত মার্চে। রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েও শ্রমিকরা কিন্তু ভালো নেই। বিশাল অঙ্কের রেমিট্যান্সের ভারে উল্টো চাপা পড়েছে তাঁদের কান্না। অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বরাবরই বাংলাদেশে অবহেলিত। এই শ্রমিকদের দেখার এবং তাঁদের কথা শোনার যেন কেউ নেই। বিদেশ যাওয়ার সোনার হরিণের পেছনে ছুটে দালালের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন শ্রমিক। অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার পথে মাঝসমুদ্রেই করুণ মৃত্যু হচ্ছে অনেকের। কেউ কেউ অস্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করছেন। নারী শ্রমিকরা প্রায়ই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় দেশে ফিরছেন। এ অবস্থায় আজ শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস বা মহান মে দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত’।

বাংলাদেশ ১৯৭৬ সাল থেকে বিশ্ব শ্রমবাজারে অংশ নিচ্ছে। দীর্ঘ এই সময়ে বাংলাদেশের দক্ষ শ্রমবাজারে বড় পরিসরে প্রবেশের কথা থাকলেও তা হয়নি।  অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেশের বাইরে যে পরিমাণ শ্রমিক গিয়েছেন সে পরিমাণ শ্রমিকের সেবা দিতে সরকার জনবল যুক্ত করেনি। শ্রমিকের অধিকার আদায়ে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার কাজটিও হয়নি। উল্টো ইন্স্যুরেন্সের নামে শ্রমিকদের থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বাংলাদেশি কাজ না পেয়ে এখন রাস্তায় ঘুরছেন। বাংলাদেশে শ্রমিকদের অভিবাসন খরচ অনেক বেশি। অন্য দেশের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ খরচে শ্রমিকদের বিদেশে যেতে হয়। আবার শ্রমিকদের স্বার্থে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক থেকে কম সুদে টাকা ঋণ নেওয়ার কথা, কিন্তু সেখানে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে। এ টাকা পেতেও আবার তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

দিনে আসছে ১৪ শ্রমিকের লাশ : ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্যে, গত বছর দেশ ৪ হাজার ৯৭২ জন প্রবাসীর লাশ দেশে আসে। এ হিসেবে মাসে গড়ে ৪১৫ এবং দিনে ১৪ প্রবাসীর লাশ দেশে আসে। মার্চের শেষে লিবিয়া থেকে সাগরপথে রাবারের নৌকায় গ্রিসে যাওয়ার সময় মানবিক বিপর্যয়ে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর নির্মম মৃত্যু হয়। নৌকাটি মাঝসমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়ায় দিক হারিয়ে ফেলে। খাবার ও পানির অভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ২২ জনের ২০ জনই ছিলেন বাংলাদেশি। এর আগে ১৮ এপ্রিল কুয়েত থেকে ৩০ বাংলাদেশি প্রবাসীর লাশ দেশে ফেরে। একই দিন মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে আরও কয়েকজন প্রবাসীর লাশ আসে। প্রবাসীকল্যাণ ডেস্ক সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বেশ কয়েকবার ফ্লাইট বাতিল হয়। এ লাশগুলো সে সময় আসতে না পারায় পরে চার্টার ফ্লাইটে দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়।

৩১ শতাংশের অস্বাভাবিক মৃত্যু : অভিবাসন খাতের বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) গবেষণা বলছে, বিভিন্ন দেশে কাজ করতে যাওয়া কর্মীদের মধ্যে প্রবাসে যাঁদের মৃত্যু হয়, তাঁদের ৩১ শতাংশের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ১৬ শতাংশের মৃত্যু হয় দুর্ঘটনায়। ১৫ শতাংশ আত্মহত্যা করেন। আর ২৮ শতাংশের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। বাকিরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

অমানবিক নির্যাতন নারী শ্রমিকদেও : জনশক্তি, কর্মসংস্থান এবং প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যে, বর্তমানে ১০ লাখের বেশি নারী বিদেশে কাজ করেন। আর ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য বলছে, গত সাত বছরে অন্তত ৭০ হাজার নারী দেশে ফিরেছেন। বিদেশে কাজ করতে গিয়ে নারীরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। ঠিকমতো বেতন ও খাবার পান না। নির্ধারিত সময়ের চেয়েও তাঁদের বেশি কাজ করতে হয়। আবার কাজ করতে যাওয়া দেশের ভাষা না জানায় নারী কর্মীরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। বরিশালের এক নারী গৃহকর্মী সৌদি আরব থেকে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফেরেন। চারবার হাতবদলের পর শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া সেই নারী সৌদিতে কাজ করতে গিয়ে কোনো বেতন পাননি, খেতে পাননি। ২০২৪ সালে এক দালালের মাধ্যমে সৌদিতে যান। সেখানে প্রথমে একটি অফিসে রাখা হয়, পরে একের পর এক বাড়িতে কাজে পাঠানো হয়।

দালালের খপ্পরে সর্বস্বান্ত : বিদেশে যাওয়ার সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে গিয়ে শ্রমিকরা দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে বা ভিসাবাণিজ্যের কারণে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। ভুয়া কাগজপত্রের কারণে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন থেকেই অনেকে ফেরত আসছেন। আবার বিদেশে গিয়ে মাসের পর মাস কাজ না পেয়ে নিদারুণ কষ্টে আছেন অনেকে। কেউ কেউ খালি হাতে দেশে ফিরছেন। কিছু অসাধু ট্রাভেল এজেন্সি ও অসৎ দালালরা বিদেশে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের সহজসরল তরুণদের ফাঁদে ফেলে বিপুল অর্থ লুটে নিচ্ছেন। দালালরা জাল ভিসা বানিয়ে এই যুবকদের টোপে ফেলছেন।

রামরুর নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনিম সিদ্দিকী গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘রাষ্ট্রকে নিপীড়নের শিকার শ্রমিকদের কাছে দায়বদ্ধ হতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন অদক্ষ শ্রমবাজারে বিচরণ করছি। সব মন্ত্রণলায় একত্র হয়ে সমন্বিতভাবে দক্ষ শ্রমিক গড়ে তোলার উদ্যোগ না নেওয়ায় দক্ষ শ্রমবাজার তৈরি হয়নি। এ কারণে শ্রমিকদের শোষণ করার হারও কমছে না। অসাধু একটি চক্র রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ে যাঁরা সিদ্ধান্ত নেন এবং এ খাতে বেসরকারিভাবে যাঁরা কাজ করেন তাঁদের সঙ্গে জড়িত। এ চক্র নিম্নমানের ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে এসে তার মাধ্যমে লোক পাঠায়। এর ফলে সরকার যে খবরদারি করবে তা হয় না। কারণ সরকারের মধ্যে থাকা একটি অংশ অসাধু চক্রের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শ্রমিকদের শোষণের কথা শোনা যায়নি। কিন্তু রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় থাকলে এ চক্র, যারা সিন্ডিকেট করতে চায়, তারা বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের অবৈধ কাজ চালু রাখতে চাইবে। এজন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরো ঘুরিয়ে দক্ষ অভিবাসনব্যবস্থা চালু করতে হবে। অবৈধ চক্রটিকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। এ মুহূর্তে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে কাজ শুরু করলে আগামী বছর থেকে এ খাতে ইতিবাচক ফল মিলবে। আর এক দশকে এটি দক্ষ খাত হিসেবে গড়ে উঠবে।’

বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, ‘বিদেশে কাজের খোঁজে যাওয়া শ্রমিকের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ কমে গেছে। কিন্তু এর বিপরীতে আমাদের রেমিট্যান্স বেড়েছে। যুদ্ধের জন্য প্রবাসী শ্রমিকের যাঁর কাছে যে অর্থ ছিল দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু প্রবাসী শ্রমিকের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন কমেনি। ভিসার নামে কিছু এজেন্সি এই শ্রমিকদের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে তার হিসাব রাখা হচ্ছে না। শ্রমিকদের বিদেশে যাওয়ার জন্য সরকারি সেবা দেওয়ার মান শূন্য। শ্রমিকের রেমিট্যান্স, ইন্স্যুরেন্স ও ফিঙ্গার প্রিন্টের নামে প্রচুর টাকা ব্যাংকে রাখা হচ্ছে। কিন্তু প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন চলছে না। এজন্য সরকারকে শ্রমিক যে দেশে যাচ্ছেন সে দেশের সরকারকে দায়বদ্ধ করে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে হবে।’

এই বিভাগের আরও খবর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
পবিত্র আশুরা আজ
পবিত্র আশুরা আজ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দিনদুপুরে চার খুন
দিনদুপুরে চার খুন
সর্বশেষ খবর
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিস্টদের আর সুযোগ দেওয়া হবে না: আজম খান
ফ্যাসিস্টদের আর সুযোগ দেওয়া হবে না: আজম খান

২৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

৩২ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

৪০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

৫৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম
মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬
নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ
রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক