শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:০৩, শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ওয়াশিংটন একে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দাবি করলেও তেহরানের ভাষ্য ভিন্ন। এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ বর্ণনার কারণে অনেকের কাছেই মনে হচ্ছে যে চুক্তিটি সম্ভবত অকার্যকর হয়ে পড়ছে। তবে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, আলোচনার টেবিলে এই ধরনের পরস্পরবিরোধী অবস্থান থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয় বরং এটি প্রমাণ করে যে উভয় পক্ষই নিজ নিজ দেশের জনগণের কাছে পরিস্থিতিটি নিজেদের অনুকূলে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

মূল সংকটটি তৈরি হয়েছে চুক্তির বাইরের বিষয়গুলোকে নিয়ে। বিশেষজ্ঞ মনিকা ডাফি টফটের মতে, এটি কোনো সাধারণ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা নয় বরং একটি জটিল ‘ফাইভ-লেভেল গেম’। ওয়াশিংটনকে যেমন একদিকে তেহরানকে সামলাতে হচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে ইসরায়েল, কংগ্রেস, আরব মিত্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর স্বার্থের কথা ভাবতে হচ্ছে। একইভাবে তেহরানকেও তাদের সুপ্রিম লিডার, রেভল্যুশনারি গার্ড এবং নিষেধাজ্ঞার চাপে থাকা জনগণের কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে। ফলে প্রতিটি পক্ষ এমন সব প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যা চুক্তির মূল কাঠামোর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দেখলে বোঝা যায়, শান্তিচুক্তিগুলো টিকে থাকে তখনই যখন পক্ষগুলো তাদের নিজ নিজ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে পারে। কিন্তু বর্তমান মার্কিন-ইরান চুক্তিতে একটি বড় দুর্বলতা রয়ে গেছে। এই চুক্তিটি উভয় পক্ষকে প্রচুর আর্থিক সুবিধা এবং ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উদার হলেও, নিয়ম ভাঙলে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে সে সম্পর্কে প্রায় নীরব। এটিই চুক্তির দীর্ঘস্থায়ী সাফল্যের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো বড় যুদ্ধ অবসানের পর যেসব শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, সেগুলোর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে তা গৃহযুদ্ধের মতো সংঘাতের চেয়েও দ্রুত ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। বর্তমান চুক্তিতে ইরানকে তেল বিক্রির সুবিধা, অবরুদ্ধ তহবিল ছাড় এবং পুনর্গঠনের জন্য বিশাল অংকের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে তেহরান হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমানোর মতো পদক্ষেপ নিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু এসব শর্ত লঙ্ঘিত হলে কার্যকর কোনো শাস্তির বিধান সেখানে নেই।

এই চুক্তির আরেকটি বড় ঝুঁকির জায়গা হলো এর আওতার বাইরে থাকা পক্ষগুলো। ইসরায়েল, হেজবুল্লাহ বা ইরানের মদদপুষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো এই চুক্তির অংশ নয়। যেহেতু তারা চুক্তির কোনো শর্তে স্বাক্ষর করেনি, তাই তারা কোনো বাধ্যবাধকতার ভেতরও নেই। ফলে তারা যখন খুশি এই শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে, কারণ এমন কাজ করার জন্য তাদের কোনো বাড়তি মাশুল গুনতে হবে না। এটি মূলত একটি অসম্পূর্ণ নিরাপত্তা কাঠামো।

শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা এখানে অনুপস্থিত। মিশর ও ইসরায়েলের ১৯৭৯ সালের শান্তি চুক্তির দীর্ঘস্থায়িত্বের মূলে ছিল একটি সুনির্দিষ্ট তদারকি ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি। কিন্তু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট নজরদারি বলবৎ করার প্রক্রিয়া এখনো তৈরি হয়নি। সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় ‘ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ’ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছে তা ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখা হয়েছে।

পরবর্তী সংঘাত যে আসবে না, তা হলফ করে বলা যায় না। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, শান্তি প্রক্রিয়ার শুরুতে নাটকীয় বাগবিতণ্ডা বা টানাপোড়েন থাকা স্বাভাবিক। তবে বড় সংকট হলো, পুরস্কারগুলো শেষ হয়ে গেলে বা প্রণোদনাগুলো শুকিয়ে গেলে তখন কী হবে। চুক্তিটি ততক্ষণ পর্যন্তই টিকবে যতক্ষণ সব পক্ষ বাড়তি সুবিধাগুলো পাচ্ছে। কিন্তু একবার এসব সুবিধা ফুরিয়ে গেলে চুক্তির পেছনে যদি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ভয় না থাকে, তবে তা ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল।

 এই চুক্তি টিকিয়ে রাখার প্রধান দায়িত্ব শুধু চুক্তিতে স্বাক্ষরকারীদের নয়। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেখানে সহিংসতায় ফিরে আসার মতো যেকোনো পদক্ষেপের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বড় অংকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর না করা তৃতীয় পক্ষগুলোকেও এই শাস্তির আওতাভুক্ত করতে না পারলে, বর্তমানের এই যুদ্ধবিরতি কেবল একটি সাময়িক বিরতি হিসেবেই গণ্য হবে।

সূত্র: এশিয়া টাইমস 

বিডি প্রতিদিন/এনএইচ

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি
রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি
সর্বশেষ খবর
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৫২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে দেখা যাবে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ
জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ রোধ ও শিক্ষায় ফেরাতে অভিনব উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম
মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬
নোয়াখালীতে ধূমপান নিয়ে বিরোধের জেরে গুলি, আহত ৬

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক