শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর, ২০২০ ১১:৫৩

ইরান সীমান্তবর্তী এলাকা মুক্ত করার আজারি বক্তব্য সম্পর্কে যা বলল তেহরান

অনলাইন ডেস্ক

ইরান সীমান্তবর্তী এলাকা মুক্ত করার আজারি বক্তব্য সম্পর্কে যা বলল তেহরান
গত আগস্টে আজারবাইজানে রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হওয়ার আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ছিলেন সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আর্মেনিয়ার নিয়ন্ত্রণ থেকে ইরানের সীমান্তবর্তী কিছু এলাকা মুক্ত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন সে সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরান বলেছে, দু’দেশের সীমান্ত অতীতের মতোই ‘বন্ধুত্ব, শান্তি ও নিরাপত্তা’র সীমান্ত হয়ে থাকবে। 

বাকুতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি শুক্রবার নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে প্রেসিডেন্ট আলিয়েভকে উদ্দেশ করে লেখা এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ইরান ও আজারবাইজানের মধ্যে ৭৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে দীর্ঘকাল ধরে শান্তি ও নিরাপত্তা বিদ্যমান ছিল এবং কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ ছাড়াই এই শান্তি ও নিরাপত্তা ভবিষ্যতেও বহাল থাকবে। আজারবাইজানের ভ্রাতৃপ্রতীম নাগরিকদের আনন্দে ইরানও আনন্দিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ গত মঙ্গলবার রাতে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে সংঘর্ষকবলিত নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলের আরও কিছু গ্রাম ও শহর আর্মেনিয়ার দখলমুক্ত করার কথা ঘোষণা করেন। 

আলিয়েভ বলেন, কারবাখ অঞ্চলের জাংগিলান শহর ও এর আশপাশের ছয়টি গ্রাম এবং ফুজুলি, জাবরাইল ও খোজাবান্দ এলাকার ১৮টি গ্রাম আর্মেনিয়ার দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। যদিও আলিয়েভের এ বক্তব্য সম্পর্কে এখনও আর্মেনিয়ার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জাংগিলান শহরটি আজারবাইজানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। ‘আরাস’ নদীর উত্তর তীরে এটির অবস্থান যার সঙ্গে ইরান ও আর্মেনিয়া উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।

বিতর্কিত নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। এ সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হওয়া ছাড়াও দু’দেশেরই সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর