শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল, ২০২১ ০৯:১১
প্রিন্ট করুন printer

সম্মতি থাকলেও কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ‘ধর্ষণ’! কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন ফ্রান্সে

অনলাইন ডেস্ক

সম্মতি থাকলেও কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ‘ধর্ষণ’! কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন ফ্রান্সে
প্রতীকী ছবি

১৫ বছরের কম বয়সী মেয়ের সম্মতি নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলেও সেটি ধর্ষণ বলে গণ্য হবে ফ্রান্স। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি আইন পাস হয়েছে দেশটিতে। নতুন আইন অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বসয়ী কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ হিসেবেই গণ্য করা হবে এবং দোষীর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাবাস হবে। 

এই আইন পাশ হওয়ার পর সে দেশের আইনমন্ত্রী এরিক মোরেট্টি এটাকে তাদের সমাজব্যবস্থা এবং শিশুদের জন্য ‘ঐতিহাসিক আইন’ বলে উল্লেখ করেছেন।

এই বিলটি সর্বসম্মতিতে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে পাস হয়েছে। এর আগে তা উচ্চকক্ষেও অনুমোদিত হয়েছিল। 

তবে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির কিছু সদস্য বলেন, যদি ১৫ বছরের কম বয়সীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ বলা হয়, তা হলে অপ্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে বয়সে কয়েক বছরের বড় কেউ সম্পর্ক স্থাপন করলেই শাস্তি পাবে। এতে সমাজে বিরূপ প্রভাব দেখা দিতে পারে। তবে আইনে একটি রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট ধারা রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে পাঁচ বছর পর্যন্ত বড়রা সম্মতির ভিত্তিতে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুললে তাকে ধর্ষণ বলা হবে না। কিন্তু যৌন নিগ্রহ করলে শাস্তি পেতে হবে।

উল্লেখ্য, আগে ফ্রান্সে ‘এজ অব কনসেন্ট’-এর ক্ষেত্রে সম্মতির ন্যূনতম বয়স ছিল ১৫। তার নীচে কারো সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িত থাকার অভিযোগ এলে আইনজীবীদের প্রমাণ করতে হতো, সম্মতি ছাড়া সেই সম্পর্ক হয়েছে। তাহলেই তা ধর্ষণ বলে স্বীকৃত হতো। এবার আইন আরও কড়া করা হল। এখন থেকে ১৫ বছর বয়সের নীচে শারীরিক সম্পর্ক মানেই ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে।

ফ্রান্সে নারী ও বাচ্চাদের ওপর যৌন নিগ্রহ বেড়েই চলেছে। অনেক সময় তা বাইরে বের হয় না। কিন্তু ২০১৭ সালের মি-টু আন্দোলন অনেক হিসাবই বদলে দিয়েছে। ফ্রান্সেও তা আলোড়ন ফেলেছে। অনেক তারকার ভাবমূর্তি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। ২০১৮ সালেই ফ্রান্স যৌনতা সংক্রান্ত অপরাধ আইন কড়া করেছে। এবার এই নতুন আইন আনল সে দেশের সরকার। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর