শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২২ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মে, ২০১৯ ০০:১৫

অবশেষে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ

মসজিদে হত্যাকাণ্ড

অবশেষে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলা চালিয়ে ৫১ জনকে হত্যা করা অস্ট্রেলীয় যুবকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনেছে পুলিশ। প্রায় দুই মাস আগে হামলার এ ঘটনা ঘটেছিল। গতকাল তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আনা হয়। এর আগে ২৮ বছর বয়সী ওই যুবকের বিরুদ্ধে ৫১টি হত্যার অভিযোগ ও ৪০টি হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনতে দুই মাসেরও বেশি সময় নিল নিউজিল্যান্ডের পুলিশ। তারা বলছে, সরকারি আইন বিশেষজ্ঞ ও কৌঁসুলিদের সঙ্গে পরামর্শ করে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে টুইন টাওয়ারে হামলার পর ২০০২ সালে নিউজিল্যান্ডে ‘টেররিজম সাপ্রেশন অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত এই আইনের আওতায় কোনো বিচার হয়নি। ফলে মসজিদে হামলাকারীর বিচারই এই আইনে প্রথম বিচার হতে যাচ্ছে। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি  হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদ । গত ১৫ মার্চ মসজিদে হামলার দিনই নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন একে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। হামলাকারীকে আটক করে কারাগারে রাখা হয়েছে। সেখানে তিনি মানসিকভাবে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার মতো সুস্থ কিনা, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। জুনের ১৪ তারিখ তার আবার আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে। মসজিদে হামলার ঘটনার পর নিউজিল্যান্ডে বন্দুক কেনা সংক্রান্ত আইন কঠিন করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো ঠেকাতে সামাজিক মাধ্যমগুলোকে আরও শক্ত ভূমিকা রাখতে বাধ্য করতে নিউজিল্যান্ডের উদ্যোগে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ দেওয়া হয়েছে। ফলে গত সপ্তাহে প্যারিসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ ও নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ‘ক্রাইস্টচার্চ কল’ নামে একটি সনদ প্রকাশ করা হয়। সনদে স্বাক্ষর করা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে, তারা ইন্টারনেট থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিষয়ক সহিংস কনটেন্ট সরানোর বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। ডয়েচে ভেলে


আপনার মন্তব্য