বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা

মমির সোনার জিহ্বা

মমির সোনার জিহ্বা

প্রাচীন সভ্যতার এক জীবন্ত নিদর্শন মিসর। দেশটির নানা প্রান্তে লুকিয়ে আছে তার পরশ। দেশটিতে এখনো উদ্ধার হয় ৫ হাজার বছর আগের মমি। যা দেখলে মনে হয় দিনকয়েক আগের মৃতদেহ। এবার দেশটির এক পুরনো প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট থেকে একটি অত্যন্ত পুরনো মমি আবিষ্কার করলেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। যার জিহ্বাটি সোনার। প্রাচীন মিসরীয় রীতিতে মনে করা হতো, মৃত্যুর পর মানুষ মমি হয়ে ঈশ্বরের সঙ্গে কথা বলে। সম্ভবত এ কারণেই ওই মমি সোনার জিহ্বায় সমাধিস্থ করা হয়েছিল। সোনার জিহ্বার এ মমিটি পাওয়া গেছে মিসরের প্রাচীন অঞ্চল তাপসিরিস ম্যাগনায়। এটি প্রায় ২০০০ বছরের পুরনো মমি। মিসরীয় প্রত্নতাত্ত্বিক মন্ত্রণালয়ের সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্ভবত সেই সময় মানুষ বিশ্বাস করত মৃত্যুর পর সে ঈশ্বরের সঙ্গে কথা বলবে, তাই সোনার জিহ্বার সঙ্গে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। তবে সোনার জিহ্বা কেন দেওয়া হতো- এ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক কারণ প্রকাশিত হয়নি। কেন এ জিহ্বা শুধু সোনা দিয়ে তৈরি হতো সেটা একটা প্রশ্ন। এমনো হতে পারে যে, মৃত্যুর সময় ওই ব্যক্তির জিভে কোনো সমস্যা ছিল, হয়তো সে কারণেই সোনার জিভ দেওয়া হয়। তাপসিরিস ম্যাগনা খননের সময় ১৬টি কবরের হদিস মেলে। তাতে পাওয়া মমিগুলোর মধ্যে একটিতে সোনার জিহ্বা পাওয়া গেছে। এর আগে প্রত্নতাত্ত্বিকরা ওই সমাধিস্থলে অনেক মুদ্রা উদ্ধার করেন। যে মুদ্রাগুলোর ওপরে ক্লিওপেট্রা-৭ এর ছবি আঁকা ছিল। মনে করা হয়, ওই মুদ্রাগুলো ক্লিওপেট্রা-৭ এর সময়কালে ব্যবহৃত হতো। এ ছাড়া অন্য যে ১৫টি মমি ছিল, সেখান থেকে কী উদ্ধার হয় সেদিকে নজর রয়েছে সবার। আশা করা হচ্ছে, বহু পুরনো ধন-সম্পদ বের হয়ে আসবে ওই মমিগুলো থেকে।

 

এই রকম আরও টপিক

সর্বশেষ খবর