শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর, ২০২০ ১৪:৩০
প্রিন্ট করুন printer

বাংলাদেশি রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশি কলকাতার হাসপাতালগুলো!

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

বাংলাদেশি রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশি কলকাতার হাসপাতালগুলো!
ফাইল ছবি

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বেসরকারী হাসপাতালগুলির অন্যতম প্রধান আয়ের উৎসই বাংলাদেশ থেকে আসা রোগী। কিন্তু করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গত মার্চ মাসের শেষের দিক থেকেই গোটা ভারতজুড়ে লকডাউন শুরু হয়ে যায়, বন্ধ হয়ে যায় আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত ও বিমান পরিষেবা। স্বাভাবিক ভাবেই হাসপাতালগুলিতে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে। কিন্তু পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে এগোতেই ফের বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা একটু একটু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে-আর তাতেই দীর্ঘ সাত মাস পর আশার আলো দেখতে পাচ্ছে কলকাতার বেসরকারী হাসপাতালগুলি। 

বিশেষ করে গত কয়েক মাসের তুলনায় চলতি নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ থেকে আসা রোগীর সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহে এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন একাধিক বেসরকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  

দক্ষিণ কলকাতার মুকুন্দপুরের পিয়ারলেস হাসপাতালের সিইও সুদীপ্ত মিত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘দীপাবলির পর থেকে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ থেকে আসা রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং এটা আগামী দিনে আরও বাড়বে। বর্তমানে ১১ জনের মতো বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং গত পনেরো দিন ধরে বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ১০-১১ জন বাংলাদেশি রোগী আসছেন। সংখ্যাটা দিন দিন বাড়ছে এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এই সংখ্যা দ্বিগুন হবে বলে আমরা আশা করছি। তিনি আরও জানান ‘কোভিড-১৯ এর আগে পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪৫ জনের মতো রোগী বহির্বিভাগে দেখাতে আসেন। এছাড়াও গড়ে ১৫ জন বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি থাকেন।’ 

মুকুন্দপুরের আরেকটি বেসরকারি হাসপাতাল ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেস’ (আরটিআইআইসিএস) এও বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর, করোনার আগে গত মার্চ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে ৬ হাজার রোগী আসতেন এখানে।

আরটিআইআইসিএস’এর আঞ্চলিক পরিচালক আর. ভেঙ্কটেশ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘চলতি নভেম্বরেই বহির্বিভাগে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা আশ্চর্যজনক ভাবে বেড়েছে। আমরা আশা করছি যে এই মাসেই বহির্বিভাগে ৬০০ বাংলাদেশি রোগী আসবেন। ডিসেম্বরে এই সংখ্যাটা বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু করোনার আগে যত সংখ্যায় বাংলাদেশি রোগীরা এখানে আসতেন তা হয়তো হবে না।’ 

ভেঙ্কটেশের অভিমত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি শিথিল না হওয়া বা নন-কোভিড শয্যার সংখ্যা না বাড়ানো পর্যন্ত বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা বাড়বে না। এই মাসে এখনও পর্যন্ত ২৫ জন বাংলাদেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন। 

এএমআরআই’এর মতো আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালেও নভেম্বর মাসে প্রতিদিন গড়ে ইনডোরে ১৫ জন ও বহির্বিভাগে ৩৫ জন বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসা করাচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশা ডিসেম্বরে সংখ্যাটা অন্তত ১০ শতাংশ বাড়বে। 

হাসপাতালের সিইও রূপক বড়ুয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত তাদের তিনটি শাখা মিলিয়ে ৪০ জনের বেশি বাংলাদেশি রোগী (ইনডোর) ভর্তি হতেন।’ 

অন্যদিকে মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের চেয়ারপার্সন অলোক রায় জানান তাদের হাসাতালে দৈনিক ১২ জনেরও কম বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসা করাতে আসছেন তবে আগামী দিনে সংখ্যাটা বাড়বে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।  

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:১০
প্রিন্ট করুন printer

প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমাকে অপমান করা হয়েছে, অভিযোগ মমতার

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমাকে অপমান করা হয়েছে, অভিযোগ মমতার
মমতা ব্যানার্জি

গত ২৩ জানুয়ারি কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানের দর্শকাসন থেকে ভেসে আসা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান নিয়ে মুখ খুললেন মমতা ব্যানার্জি। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-কে ‘ভারত জ্বালাও পার্টি’ বলে বিদ্রুপ করেন তিনি। তার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমায় টিজ করা হয়েছে। 

ভারতের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মশতবার্ষির্কী উপলক্ষ্যে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়’এর মতো বিশিষ্টরা। কিন্তু বক্তব্য রাখার জন্য মমতার নাম ঘোষণার পরই ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান ওঠার পরই ক্ষুব্ধ হন মমতা। ওই ঘটনার প্রতিবাদ করে বক্তব্য না রেখেই ডায়াস ছাড়েন। 

সোমবার রাজ্যটির হুগলি জেলার পুরশুড়াতে এক দলীয় সভায় থেকে ওই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মমতা বলেন ‘নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আমাদের সকলের নেতা। তার অনুষ্ঠানে আমি গেলাম.. এত বড় সাহস! কয়েকটা গর্ধ গদ্দার এবং উগ্র গর্ধ ধর্মান্ধ প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমার টিজ করছে। ওরা আমায় চেনে না, আমায় যদি কোন মা-বোনেরা বাসন মেজে দেওয়ার কথা বলে আমি তাই করে দেবো কিন্তু আমায় যদি বন্দুক দেখিয়েছো তবে আমি তোমাদের বন্দুকের সিন্দুক দেখাবো। কারণ আমি সত্যি কারের বন্দুকে বিশ্বাস করি না, আমি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি, রাজনীতি দিয়ে আমি এর প্রত্যুত্তর নেবো।’ 

তিনি আরও বলেন ‘আমি সেদিন বলেছিলাম যে আপনারা (প্রধানমন্ত্রী, সংস্কৃতিমন্ত্রী, বন প্রতিমন্ত্রী) এসেছেন বলে আমি ধন্য। আপনারা যদি নেতাজীর কথা বলতেন আমি স্যালুট করতাম কিন্তু তা না করে যা করা হয়েছে বাংলাকে অপমান করা হয়েছে, নেতাজীকে অপমান করা হয়েছে। এর আগেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সাঁওতাল নেতা বীরসা মুন্ডাকে অপমান করা হয়েছে।’ 

রাজ্যটির ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতার অভিমত ‘তৃণমূল কংগ্রেস ছিল, আছে, থাকবে। বিজেপির মতো আমাদের অত রুপি নেই। কিন্তু আমরা দলের পুরেনো পতাকা কেঁচে নিয়ে বা পত্রিকা কেটে আমাদের দলের পোস্টার করা হবে, দরকার হলে রক্ত দিয়ে কাজ করবো কিন্তু আমাদের শপথ বিজেপিকে, বহিরাগতদের আমরা এই বাংলায় ঢুকতে দেবো না। 
বিজেপিকে বহিরাগত জ্বালাও পার্টি বলেও কটাক্ষ করে মমতা বলেন ‘যারা বাইরে থেকে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে এসে বলছে আমরা বাংলাকে গুজরাট বানিয়ে দেবো। কখনও বলছে বাংলার মেরুদণ্ড ভেঙে দেবো, কখনও বলছে হয় জেলে থাকো, নয় ঘরে থাকো। আমি জেলে থাকতে রাজি আছি কিন্তু বিজেপির ঘরে থাকতে রাজি নই। আর যতদিন বেঁচে থাকবো মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকবো। মাথা যদি নিচু করতে হয় জনগণের কাছে তা করবো কিন্তু বিজেপির কাছে মাথা নত করতে পারবো না। তার চেয়ে ভাল নিজের গলা নিজে কেটে দেবো। তাতে আমাকে যেখানে ইচ্ছে পাঠাতে পারে।’

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২০
প্রিন্ট করুন printer

‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান শুনেই রেগে ডায়াস ছাড়লেন মমতা!

দীপক দেবনাথ, কলকাতা:

‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান শুনেই রেগে ডায়াস ছাড়লেন মমতা!

সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাকে অপমান করা হয়েছে-এই অভিযোগ তুলে কোন বক্তব্যই রাখলেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আজ ভারতের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষির্কী উপলক্ষ্যে বিকালে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে একটি অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। 

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল, কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। 

অনুষ্ঠানে প্রহ্লাদ সিং প্যাটেলের বক্তব্য শেষেই সঞ্চালক মমতাকে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানান। কিন্তু মমতার নাম ঘোষণার পরই দর্শক আসন থেকে হাল্কা গুঞ্জন ও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান ভেসে আসে। আর তাতেই মেজাজ হারান মমতা। 

পরে ডায়াসে দাঁড়িয়ে তার তীব্র প্রতিবাদ করেন মমতা। তিনি বলেন ‘আমার মনে হয় সরকারি অনুষ্ঠানের একটা ডিগনিটি (মর্যাদা) থাকা উচিত। এটা সরকারি অনুষ্ঠান, কোন একটি রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠান নয়। এটা সব রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের অনুষ্ঠান। আমি প্রধানমন্ত্রী ও সংস্কৃতি মন্ত্রীর কাছে খুবই কৃতজ্ঞ যে আপনারা কলকাতায় নেতাজীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। কিন্তু কাউকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাকে বেইজ্জত করা আপনাদের শোভা পায় না (লেকিন কিসি কো আমন্ত্রিত কর কে বেইজ্জত করনা আপ লোগো কো শোভা নেহি দেতা)। এই ঘটনার প্রতিবাদেই আমি আর কিছু বলতে চাই না। জয় হিন্দ, জয় বাংলা।’ এরপরই ডায়াস ছেড়ে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর পাশে নিজের আসনে গিয়ে বসে পড়েন। তবে তার পরও বেশ কিছুটা বিধ্বস্ত দেখায় মমতাকে। 

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাত জাহান রুহি। তিনি লেখেন ‘ভাররেতর অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্ম বাষির্কী উদযাপনের মতো একটি সরকারি অনুষ্ঠান থেকে কোন রাজনৈতিক বা ধর্মীয় স্লোগানের কঠোর নিন্দা জানাই।’ 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:১৬
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

কলকাতাকে রাজধানী করা হোক : মমতা

দীপক দেবনাথ, কলকাতা :

কলকাতাকে রাজধানী করা হোক : মমতা
ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি  প্রশ্ন তুললেন, ‘দেশে (ভারতে) কেন একটা রাজধানী? দেশের চার প্রান্তে চারটি রাজধানী হোক। ভারতের দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব, এই চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী হোক।'' নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী উদ্‍যাপন উপলক্ষ্যে জয়ন্তীর মঞ্চ থেকে আজ এই দাবি যেআলোড়ন সৃষ্টিকারী, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কলকাতাকে ভারতের রাজধানী করার পক্ষে কিছু তথ্য তুলে ধরে মমতা বলেন, ‘কলকাতা একদিন ভারতের রাজধানী ছিল। এই কলকাতা থেকে ব্রিটিশরা ভারত চালাত। এমনি এমনি কলকাতাকে নির্বাচিত করা হয়নি। তবে আজ কলকাতা কেন ভারতের একটা রাজধানী তবে না? আমি তো মনে করি ভারতের একটা রাজধানী কলকাতা হতে হবে। তার কারণ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্মদাতা ছিল বাংলা, বিহারসহ এই সব জায়গায়।’

তিনি বলেন, ‘কলকাতা বেলেঘাটা গান্ধী ভবনে এসে জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী আন্দোলন করতেন। নবজাগরণ শুরু হয়েছে বাংলা থেকে। বিধবা বিবাহ প্রচলন, বাল্য বিবাহ রোধ, সতীদাহ প্রথা নিবারণ- প্রতিটি সামাজিক সংস্কারের জন্ম হয়েছে বাংলার মাটি থেকে। তাই এই বাংলা কোন অবহেলা সহ্য করবে না। বাংলা কখনও মাথা নিচু করতে জানে না। এই বাংলা মাথা উঁচু করে চলতে জানে। নেতাজির নাম বললেই আমার হৃদয়ে একটা আবেগের জায়গায় জন্ম নেয়।’

শনিবার কলকাতার শ্যামবাজার মোড় থেকে রেড রোড পর্যন্ত একটি মিছিল করেন মুখ্যমন্ত্রী। মিছিল শেষে নিজের বক্তৃতায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজি তথা বাংলার আরও অনেক ভূমিকা তুলে ধরেন মমতা। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং নবজাগরণের সূচনাস্থল যে বাংলাই, সেটাও মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

এরপরই ‘গান্ধীবাদ-সুভাষবাদ জিন্দাবাদ’, ‘সুভাষ বোস জিন্দাবাদ’ স্লোগান তোলেন মমতা। এসময় নেতাজীর জন্মদিনকে জাতীয় ছুটির দিন ঘোষণা করার আরও একবার দাবি তোলেন মমতা। পাশাপাশি শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেন, তরুণের স্বপ্ন এবং সবুজের অভিযান এই দুটো বই যেন কম্পালসারি করা হোক। 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:১৮
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের

অনলাইন ডেস্ক

মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের

মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। আর তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সেখানকার সমাজে। পুত্রের পিতৃত্বের অধিকারে কোনও দাবি থাকতে পারে না বাবার। 

শুক্রবার এক থ্যালাসেমিয়া রোগীর পিতৃত্বের অধিকার নিয়ে এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। 

রায়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, “কোনও মৃত ব্যক্তির বীর্যের ওপর সবার প্রথম অধিকার তার স্ত্রীর। আর কারও নয়। কারণ সন্তান ধারণের পরবর্তী সিদ্ধান্ত তার কাঁধেই বর্তায়।”

আদালত সূত্রের খবর, সম্প্রতি এক ব্যক্তি তার মৃত পুত্রের সংরক্ষিত থাকা বীর্যের ওপর অধিকার জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। দীর্ঘদিন আগেই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তি দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে জীবিত অবস্থায় তিনি তার বংশবৃদ্ধির জন্য বীর্য সংরক্ষণে সায় দেন। পরে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে সেই মৃত ব্যক্তির পিতৃত্বের অধিকার নিয়েই টানাপোড়েন শুরু হয়। সেই মামলার শুনানিতেই এই ঐতিহাসিক রায় দিতে দেখা যায় কলকাতা হাইকোর্টকে।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, সংরক্ষিত বীর্য গর্ভধারণের জন্য মৃতের স্ত্রী বা অন্য কাউকে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু তার জন্য সর্বাগ্রে মৃতের স্ত্রীর অনুমতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাবা–ছেলের সম্পর্কের জোরে মৃত ব্যক্তির পিতৃত্বের অধিকারে কোনও রূপ হস্তক্ষেপ করতে পারে না তার পরিবার। রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতীয় সংবিধানের ১২ নম্বর অনুচ্ছেদের উপরেও বিশেষভাবে জোর দিতে দেখা যায় বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যকে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৪৩
প্রিন্ট করুন printer

বৈশালীকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক

বৈশালীকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার

বৈশালী ডালমিয়াকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে একাধিকবার মন্তব্য করেছেন তিনি। দলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় তিনি মুখ খুলেছিলেন।

আজ শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী অরূপ রায়ের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ আনেন তিনি। পরে সন্ধ্যার পরই দল থেকে বহিষ্কার করা হল বালির এই বিধায়ককে। তবে দলের অভিযোগ মানতে নারাজ বৈশালী। তার ভাষ্য, ‘কাটমানি নিতে না করেছিলাম, অবৈধ নির্মাণের বিরোধিতা করেছিলাম। এটাই কি আমার দলবিরোধী কাজ? 

‘এ কথাগুলো তুলে ধরা যদি বেইমানি হয়, তাহলে আমি বেইমান। তবু মানুষের পাশ থেকে আমি সরব না। মানুষের জন্য আমি কাজ করব’ বলেও তিনি ঘোষণা দেন। এছাড়া বহিষ্কারের পরও মন্ত্রী অরূপ রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। বৈশালী বলেন, বহিষ্কারে আমার কিছু যায় আসে না। তবে দলের মধ্যে যে উইপোকা ছিল, তা রয়েই গেল।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর