শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ২২:২১
প্রিন্ট করুন printer

লাখ টাকায় কারাগারে হলমার্কের তুষারকে নারীসঙ্গের ব্যবস্থা!

অনলাইন ডেস্ক

লাখ টাকায় কারাগারে হলমার্কের তুষারকে নারীসঙ্গের ব্যবস্থা!

হলমার্ক অর্থ কেলেঙ্কারি মামলার অন্যতম আসামি তুষার আহমেদকে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নারীসঙ্গের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এর মধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর জেলার নুর মোহাম্মদ ১ লাখ টাকা, ডেপুটি জেলার মো. গোলাম সাকলাইন ২৫ হাজার ও অন্যান্য সার্জেন্ট ইন্সট্রাক্টর, গেট সহকারী প্রধান কারারক্ষী ৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

কারাগারে বিধিবহির্ভূত নারীসঙ্গের বিষয়টি আলোচনায় আসলে গত ১৪ জানুয়ারি কারা মহাপরিদর্শকের কাছে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এসব কথা উল্লেখ করেন সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায়। তবে এ ঘটনায় নিজের দায় নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে, সিসিটিভি ফুটেজে সম্পৃক্ততার বিষয়টি দেখা যাওয়ায় রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করে সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে রত্না রায় ওই দিনের ঘটনার জন্য জেলার নূর মোহাম্মদ মৃধাকে প্রধানত দায়ী করেছেন। তার সঙ্গে পুরো ঘটনায় ডেপুটি জেলার মো. সাকলায়েন জড়িত ছিলেন। আর ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে তার অগোচরে ও গোপনে হয়েছে।

প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, জেলারই ওই নারীসহ সংশ্লিষ্টদের কারাগারে প্রবেশের অনুমতি দেন এবং ডেপুটি জেলার তাদের রিসিভ করেন। জেলারের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া একজন বিচারাধীন আসামির সঙ্গে কারও সাক্ষাতের জন্য কারাগারের অফিসে আসা সম্ভব নয়। জেলারের সিনিয়র জেল সুপারকে অবহিত করার কথা, কিন্তু জেলার তা করেননি।

সামগ্রিক বিষয়টি গোপন রাখতে ওয়াকিটকি বাদ দিয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করে সমন্বয় করা হয়েছে। তাকে না জানাতেই এসব করা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। প্রতিবেদনে বলা হয়, তুষার আহমেদ একজন সাধারণ বন্দি। তিনি শ্রেণিপ্রাপ্ত নন, এ কারণে তার অফিসে এসে সাক্ষাতের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি জেলারসহ সংশ্লিষ্টরা অবগত আছেন। ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলাইন ও গেট ওয়ার্ডার সহকারী প্রধান খলিলুর রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, তারা জেলারকে অবগত করে বন্দি তুষারকে অফিসে নিয়েছেন।

কারা সূত্র জানায়, ওই নারী কারাগারের অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন ৬ জানুয়ারি ১টা ৫৬ মিনিটে। কারা সেল থেকে হলমার্ক কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা তুষার কারা অফিস কক্ষে আসেন ২টা ৪ মিনিটে। এরপর জেল সুপার রত্না রায় অফিস কক্ষ থেকে বের হয়ে যান ২টা ১৫ মিনিটে। কারা অফিসের একটি কক্ষে টানা ৪৫ মিনিট অবস্থান করেন তুষার ও ওই নারী।  

ঘটনাটি তদন্তে জেলা প্রশাসন ও কারা অধিদপ্তর থেকে পৃথক দুটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তদন্তের স্বার্থে দুই দফায় কারাগারের ৫ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার করা কর্মকর্তারা হলেন- কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায়, জেলার নুর মোহাম্মদ, ডেপুটি জেল সুপার মোহাম্মদ সাকলাইন, সার্জেন্ট আব্দুল বারী ও সহকারী প্রধান কারারক্ষী খলিলুর রহমান।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ওই মহিলা হাজতির স্ত্রী বলে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ওই নারীর যেভাবে সাক্ষাৎ করার বিষয়টি সামনে এসেছে, তা সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী যারা দায়ী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরির্দশক কর্নেল মো. আবরার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কাশিমপুর কারাগারের পাঁচ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায়ের প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, সবগুলো বিষয় আমলে নিয়ে তদন্ত চলছে।

সূত্র : বাংলানিউজ।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল না রাখার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল না রাখার পরামর্শ

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রতি জরুরি কিছু পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তাতে ইন্টারনেট ব্যবহারে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ঝুঁকি ও সুবিধা সম্পর্কে অভিভাবকদের নিজে সতর্ক থাকার পাশপাশি শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, জ্ঞান অর্জন এবং বিনোদনের লক্ষ্যে সঠিক ওয়েবসাইট ও অনলাইন গেম নির্বাচনে অভিভাবকরা সচেতন থাকুন।

বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস তথা মোবাইল ফোন, ট্যাব অথবা কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি নির্ধারণ করে তা অনুসরণের জন্য সন্তানদের উৎসাহিত করুন। এক্ষেত্রে নিজেদের সন্তানদের জন্য আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলুন।

ইন্টারনেটের ক্ষতিকারক কনটেন্ট থেকে সন্তানকে নিরাপদ রাখার জন্য বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের প্যারেন্টাল গাইডেন্স সুবিধা নিন।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা নিজেদের পাসওয়ার্ড যেন কখনও কারো সঙ্গে শেয়ার না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এবং Two Factor Authentication প্রক্রিয়া ব্যবহারে সন্তানদের উৎসাহিত করুন।

বাক্তিগত তথ্য যেমন- জন্ম তারিখ, ফোন নম্বর, ই-মেইল আইডি, স্কুল-কলেজের নাম, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, বাড়ির ঠিকানা, লোকেশন ইত্যাদি ইন্টারনেটে/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না ব্যবহার করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত ছাড়া অপরিচিত কাউকে ইন্টারনেটে বন্ধুত্বের অনুরোধ অথবা কারো বন্ধুত্ব গ্রহণ করার বিষয়ে সন্তানদের নিরুৎসাহিত করুন। পাশাপাশি অনলাইন বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা থেকে সন্তানদের বিরত রাখুন। 

বিটিআরসি জানিয়েছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট বিষয়ের উপর ফেসবুক লাইভে থাকবেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:২৯
প্রিন্ট করুন printer

‘সিএমএইচ’কে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘সিএমএইচ’কে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের সুপারিশ

অসাধারণ সাহস ও দক্ষতার সাথে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়াসহ চিকিৎসা সেবায় অন্যান্য অবদানের জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালকে (সিএমএইচ) চলতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একইসঙ্গে ঢাকার সাভারে অবস্থিত পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ৮ একর জমি দ্রুত মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)’র কাছে হস্তান্তরের সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি’র ১৩তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। 

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া। কমিটির সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্, মো. মোতাহার হোসেন, মো. নাসির উদ্দিন, মো. মহিববুর রহমান ও নাহিদ ইজাহার খান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, ঘোষিত রূপকল্প-৪১-এর আলোকে ‘মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান’কে (স্পারসো) একটি অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত বিকাশের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধানসহ বিভিন্ন বাহিনী, মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

বিমানের সাবেক ১৭ সিবিএ নেতার দুর্নীতি, দুদকের নথি হাইকোর্টে তলব

অনলাইন ডেস্ক

বিমানের সাবেক ১৭ সিবিএ নেতার দুর্নীতি, দুদকের নথি হাইকোর্টে তলব

সাত বছর আগে ২০১৪ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিবিএ নেতা ছিলেন এমন ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত সংক্রান্ত যাবতীয় নথি তলব করেছেন হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে ওই নথি আদালতে দাখিল করতে দুদককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত আগামী ৯ মার্চ পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুদকার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহষ্পতিবার এ আদেশ দেন। 

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন আদালত। আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম এ আজিজ খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

হাইকোর্টের গত ২৮ জানুয়ারি দেওয়া আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল দুদক ১৭ সিবিএ নেতা সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে দুদক থেকে আদালতকে জানানো হয়, সিবিএ নেতারা দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু তারা কি বলেছেন বা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে কী না সে বিষয়ে দুদক থেকে কিছু বলা হয়নি। এ প্রতিবেদন দেখার পর রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সংশ্লিষ্ট নথি আদালতে দাখিল করার আরজি জানান। এরপর আদালত শুনানি নিয়ে নথি তলবের আদেশ দেন।

যে সব সিবিএ নেতার বিষয়ে আদালত নথি তলব করেছেন তারা হলেন- মসিকুর রহমান (সভাপতি), আজাহারুল ইমাম মজুমদার, আনোয়ার হোসেন, মো. ইউনুস খান, মো. মনতাসার রহমান(সাধারণ সম্পাদক), রুবেল চৌধুরী, মো. রফিকুল আলম, আতিকুর রহমান, হারুনর রশিদ, আবদুল বারি, ফিরোজুল ইসলাম, আসমা খানম, আবুল কালাম, আবদুস সোবহান, গোলাম কায়সার আহমেদ, আবদুল জব্বার এবং মো. আবদুল আজিজ। এরা ২০১৪ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সিবিএ (বিমান শ্রমিক লীগ) নেতা ছিলেন। তাদের ২৬ জানুয়ারি দুদকে হাজির হতে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি নোটিশ দেয় দুদক। কিন্তু ওইসব নেতা দুদকে হাজির হতে অস্বীকার করেন। এরপর এ প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এইচআরপিবি হাইকোর্টে রিট আবেদন করে। এ রিট আবেদনে ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে দুদকের নিষ্ক্রয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। এ রুলের ওপর গত ২৮ জানুয়ারি শুনানিকালে দুদকের নেওয়া পদক্ষেপের তথ্য ২৫ ফেব্রুয়ারি জানাতে নির্দেশ দেন আদালত। এ অবস্থায় গতকাল নথি তলব করা হলো।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০৪
প্রিন্ট করুন printer

সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষায় ‘কঠোর পরিশ্রম’ আর ‘অসাধারণ কর্মদক্ষতার’ জন্য ‘প্রশংসা সনদ’ পেলেন সেখানে বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটে অপারেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া। 

বৃহস্পতিবার দারফুরে এলফেশার সুপার ক্যাম্পের বঙ্গবন্ধু ক্যাম্পে তার কাছে এই সনদ হস্তান্তর করেন সুদানে নিযুক্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ড. সুলতান আজম তিমুরি।

মাসুক মিয়া ২০১৯ সালের ২৫ মে সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের পর নিয়ালা সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান এবং সফলভাবে সুদান সরকারের কাছে ক্যাম্প হস্তান্তর করেন। কুটুম টিম সাইটের ফাতাবর্ন আইডিপি ক্যাম্পে বাস্তুচ্যুত মানুষকে নিরাপত্তা প্রদান করে প্রশংসা কুড়ান। এরপর এলফেশার সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান ছাড়াও করোনাকালীন সময়ে জাতিসংঘের কোভিড-১৯ গাইডলাইন মেনে দক্ষতার সাথে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনাসহ জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টাস থেকে আগত বিভিন্ন ভিআইপিদের এসকর্ট প্রদান করেন।

সুদানে শান্তিরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য এ মাসের শুরুতে ‘জাতিসংঘ শান্তি পদকে’ ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের এই কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থী সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সফলভাবে দায়িত্বপালন শেষে আগামী মাসের ১১ তারিখ দেশে ফিরবেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে মাসুক মিয়া জানান, ‘সুদানের দারফুরে জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন যৌথভাবে শান্তিরক্ষায় কাজ করছে। বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এই মিশনে কাজ করার সৌভাগ্য হয় আমার। দায়িত্ব পালনকালে শান্তিরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয় এমন কাজ করার চেষ্টা করেছি যার স্বীকৃতি হিসেবে আমাকে এই ‘প্রশংসা সনদ’ দেওয়া হয়েছে।’

প্রশংসা সনদ পাওয়ার দিনটিকে অত্যন্ত আনন্দের দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌‌''একজন শান্তিরক্ষী হিসেবে মিশনে অনেক প্রতিকূল পরিবেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এই সনদ প্রাপ্তি আমার সকল কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। এরকম ‘প্রশংসা সনদ’ মিশনে কর্মরত অন্যদেরও কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করি।''

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৬
প্রিন্ট করুন printer

এ পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন সাড়ে ২৮ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৬৯৬ জনের

অনলাইন ডেস্ক

এ পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন সাড়ে ২৮ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৬৯৬ জনের

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৪৩৯ জন। তাদের মধ্যে মাত্র ২৭ জনের সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন: জ্বর, টিকা দেওয়া স্থানে লাল হাওয়া ইত্যাদি) দেখা গেছে। আর এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৪০ জন। এদের মধ্যে মোট পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে ৬৯৬ জনের।

বৃহস্পতিবার রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতেতে বলা হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৪৩৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ১২ হাজার ৪৮৯ জন এবং নারী ৬৮ হাজার ৯৫০ জন।

বিজ্ঞতিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিভাগে ৬৩ হাজার ২৪৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ হাজার ২৩৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩ হাজার ৮৬৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৮ হাজার ২১৬ জন, রংপুর বিভাগে ১৬ হাজার ৭০১ জন, খুলনা বিভাগে ২৬ হাজার ৮৩৮ জন, বরিশাল বিভাগে ৭ হাজার ৯৪১ জন ও সিলেট বিভাগে ৮ হাজার ২৮৮ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুসারে, গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। প্রথম দিন টিকা দেওয়া হয় ২৬ জনকে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর