শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:১০, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০৭:১৯, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

সেই সতর্কবার্তা এখন গুরুত্ব পাচ্ছে, রাজনীতিতে কাদা ছোড়াছুড়ি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
সেই সতর্কবার্তা এখন গুরুত্ব পাচ্ছে, রাজনীতিতে কাদা ছোড়াছুড়ি চরমে

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাওয়া ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, ‘নিজেরা কাদা ছোড়াছুড়ি, মারামারি ও কাটাকাটি করলে দেশ ও জাতির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। এই দেশ আমাদের। আমরা সবাই সুখে-শান্তিতে থাকতে চাই। আমরা চাই না হানাহানি, কাটাকাটি, মারামারি। আমাদের মধ্যে মতের বিরোধ থাকতে পারে, চিন্তা-চেতনার বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু দিন শেষে আমরা সবাই দেশ ও জাতির দিকে খেয়াল করে সবাই যেন এক থাকতে পারি। কেবল এক থাকলেই এ দেশ উন্নত হবে, সঠিক পথে পরিচালিত হবে। না হলে আমরা আরো সমস্যার মধ্যে পড়ে যাব। ওই দিকে আমরা যেতে চাই না। আমি আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি। পরে বলবেন সতর্ক করিনি। এই দেশ আমাদের সবার। আমরা সবাই সুখে-শান্তিতে থাকতে চাই। সেই উদ্দেশ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

এর প্রায় পাঁচ মাস পর সেনাপ্রধানের সেই সতর্কবার্তা এখন সচেতন সব মহলে গুরুত্ব পাচ্ছে। অনেকেরই উপলব্ধি, সেনাপ্রধান সেদিন ভুল কিছু বলেননি। সম্প্রতি পুরান ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে অশ্লীল স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে অভিযোগ করেন, এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার পরিচালনার দায়িত্বে না থাকা সত্ত্বেও একটি রাজনৈতিক দল ও তার প্রধান নেতৃত্বকে দায়ী করে বিক্ষোভ মিছিল এবং অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা হচ্ছে। এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে আবারও সেই ফ্যাসিবাদের যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কি না এমন প্রশ্ন উঠতেই পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাদা ছোড়াছুড়ি না করতে সেনাপ্রধানের সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অনেকেই এটা উপলব্ধি করছেন। মেজর জেনারেল (অব.) কাজী ইফতেখার-উল-আলমের মতে, সেনাপ্রধান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ দেখতে চান, বিশৃঙ্খলা চান না। তিনি বলেন, ‘আমিও ব্যক্তিগতভাবে দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে মনে করি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি কারো জন্যই স্বস্তিদায়ক না। আমরা একটা খারাপ সময় পার করছি। এই সময় সবাইকে একতাবদ্ধ থাকা দরকার। একতাবদ্ধ না থাকলে সামনের দিনগুলোতে আমাদের জন্য ভালো কিছু আসবে না বলেই আমি মনে করি। দেশের জন্য, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই।’

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, রাজনীতিতে এ ধরনের কাদা ছোড়াছুড়ি, রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন, তাঁদের বিরুদ্ধে অশ্লীল স্লোগান দেওয়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। এ রকমের কাদা ছোড়াছুড়ি পতিত স্বৈরাচারের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে চব্বিশের গণ-আন্দোলনের পক্ষের রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোকে ভাবতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারকেও সার্বিক পরিস্থিতি নজরে রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও একসময় জুলাই অভ্যুত্থানের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দেন। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর তিনি এ বিষয়ে দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন। দলগুলোও দেশের অস্তিত্ব রক্ষা এবং অপপ্রচার ও আগ্রাসন ঠেকাতে সরকারের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেয়।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম  গত রবিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘এখনো ঐক্যই দরকার। হঠকারীদের স্পেস দিলে বরং দেশের ক্ষতি হবে। বিরোধিতা আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা কোনোভাবেই বিদ্বেষ এবং শত্রুতায় নিয়ে ঠেকানো যাবে না। বড় শয়তান এখনো আমাদের কাঁধে শ্বাস ফেলছে।’ তিনি আরো লেখেন, ‘তবে সবারই রেকনিং দরকার আছে।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানও গত রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে   লেখেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই আপনার নিজস্ব অধিকার। এ ক্ষেত্রে অন্যায়ের প্রতিবাদ হোক শালীন প্রতিবাদের ভাষায়। সমালোচনা হোক যুক্তি ও তথ্যনির্ভর। কোনো ব্যক্তি বা দলের চরিত্রহনন একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নিন্দনীয়।’

এ ধরনের আচরণ সমাজজীবনে কেবল বিশৃঙ্খলা, বিষোদগার ও অনৈক্যের বীজ বপন করবে বলেও মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। তিনি লেখেন, ‘সবার পক্ষেই সংযত, সাবধানী ও দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত প্রয়োজন। মহান আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে এই বাস্তবতাটি উপলব্ধি করার তাওফিক দেন।’

বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন : বিষয়টি সম্পর্কে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক  অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, “রাজনীতিতে এ ধরনের কাদা ছোড়াছুড়ি, রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন, তাঁদের বিরুদ্ধে অশ্লীল স্লোগান দেওয়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। এর একটি ঐতিহাসিক কারণ আছে। আমাদের দেশে এই সংস্কৃতি পাকিস্তান আমল থেকে শুরু হয়। তখন প্রতিপক্ষকে অন্যায়ভাবে ‘দালাল’ আখ্যায়িত করা হতো। স্বাধীনতার পর থেকে এটা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এর ফলাফল আমরা ভোগ করছি। আমাদের ইয়াং জেনারেশন বড় হয়েছে এই সংস্কৃতির মধ্যেই। পলিটিক্যাল এডুকেশনটি পলিটিশিয়ানদের কাছ থেকেই আসে। স্বাধীনতা এসেছে পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় আগে। স্বাধীনতার পর যাদের জন্ম তাদের একাংশের  বয়সও ৫০ বছরের কাছাকাছি। এরা এই রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির মধ্যেই বড় হয়েছে। ইয়াং জেনারেশন, যাদের বয়স ২৪-২৫ বছর, তারা তো এর ভয়াবহ রূপ দেখেছে। একে অন্যকে গালাগাল করা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে স্বাধীনতাবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, রাষ্ট্রদ্রোহী- এ ধরনের আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার হতে দেখেছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে নরেন্দ্র মোদি তো কত কিছুই করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মুসলিমদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সমালোচনা হয়। কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ সে দেশের অনেক রাজনীতিবিদ এ বিষয়ে নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করেছেন। কিন্তু তা অশালীন ভাষায় নয়। আমাদের দেশে রাজনীতিতে চলমান কাদা ছোড়াছুড়ি ও চরিত্রহননের ভয়াবহ এই সংস্কৃতির পরিবর্তন হওয়া দরকার। চব্বিশের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা রাষ্ট্রের, রাজনীতির সংস্কার চেয়েছি। কিন্তু রাজনীতির অগ্রহণযোগ্য এই সংস্কৃতি তো মানসিক বিষয়। মন পরিবর্তন তো কঠিন। এর থেকে বেরিয়ে আসার উপায় হলো আমাদের রাজনীতিবিদ যাঁরা রয়েছেন, রাজনৈতিক দলের নেতা যাঁরা রয়েছেন, তাঁদেরই ইতিবাচক উদ্যোগ নিতে হবে। তাঁদের বলতে হবে, প্রতিপক্ষ দলের সমালোচনা করতে গিয়ে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার, অশালীন আচরণ করা যাবে না। তাহলে আস্তে আস্তে এর পরিবর্তন আসতে পারে। তথ্য উপদেষ্টা বলেছেন, ‘বিরোধিতা আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা কোনোভাবেই বিদ্বেষ এবং শত্রুতায় নিয়ে ঠেকানো যাবে না। এ বার্তা অনেকের কাছে যাবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সংযত হবে বলেই আশা করি।”  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ বলেন,  ‘সম্প্রতি একটি মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে, ওই ঘটনা কেন, কিভাবে, কারা ঘটিয়েছে তা পরিষ্কার হওয়ার আগেই একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে, দলটির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে যে আচরণ, যে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার আমরা দেখলাম তা দুঃখজনক। যারা এসব করেছে তাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে বলেই অনেকে মনে করেন। আসন্ন নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে যেকোনোভাবে ঘায়েল করার অপচেষ্টা থাকতে পারে বলেও অনেকে মনে করেন। আমাদের দেশের রাজনীতিতে শিষ্টাচারের অবনতি বহু সময় ধরে ক্রমে অবনতির দিকে যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন অশ্লীলতার ছড়াছড়ি চরমে। বাধাহীনভাবে যার যা ইচ্ছা বলেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ রকমের কাদা ছোড়াছুড়ি পতিত স্বৈরাচারের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে চব্বিশের গণ-আন্দোলনের পক্ষের রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোকে ভাবতে হবে।’ 

অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ আরো বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হচ্ছে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। ভালো এবং শক্তিশালী রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজন।  কোনো একটি দলকে দুর্বল করা চেষ্টা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রেরই ক্ষতি হয়। একানব্বইয়ের পর থেকে বাংলাদেশ দ্বিদলীয় ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। এ ধরনের দ্বিদলীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্র রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল থাকে। অনেক দেশে এর উদাহরণ রয়েছে। কিন্তু দেশে একটি দল  আওয়ামী লীগ নিজেদের ভুল নেতৃত্বের কারণে এখন গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। এই অবস্থায় মধ্যপন্থী হিসেবে পরিচিত বিএনপিকেও যেকোনো উপায়ে দুর্বল অবস্থানে ঠেলে দেওয়া হলে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মিলিত শক্তিতে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি হবে।  এতে দেশের লাভ হবে বলে মনে হয় না।’
 

এই বিভাগের আরও খবর
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
সর্বশেষ খবর
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা