শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি, ২০২১ ০৬:০৪
প্রিন্ট করুন printer

জার্মান-বাংলা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত : সভাপতি হেলাল, সম্পাদক বিটু

জার্মানি প্রতিনিধি :

জার্মান-বাংলা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত : সভাপতি হেলাল, সম্পাদক বিটু
হাবিবুর রহমান হেলাল ও বিটু বড়ুয়া

নতুন বছর ২০২১-এর শুরুতেই ইউরোপের সমৃদ্ধশালী দেশ জার্মানিতে সেদেশের সরকারের অনুমোদনে প্রমবারের মত প্রতিষ্ঠিত হলো জার্মান-বাংলা প্রেসক্লাব এ. ফাউ.। জার্মানির গণমাধ্যম নীতিমালার সমস্ত বিধি মেনেই রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এই প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠা করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ৭ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইউরোপের প্রবাসী সাংবাদিকদের সংগঠন অল ইউরোপীয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাইনলান্ডফালজ অঙ্গরাজ্যের মাইনজে বসবাসরত চ্যানেল আইয়ের জৈষ্ঠ প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান হেলাল ও সাধারণ সম্পাদক সময় টেলিভিশনের জার্মানির জৈষ্ঠ প্রতিবেদক বিটু বড়ুয়া।

অন্যানদের মধ্যে রয়েছেন জার্মানিতে যমুনা টিভির প্রতিবেদক মো. শামসুজ্জামান উদয়, বাংলাটিভির প্রতিবেদক আশরাফুল হক আকাশ, সিনিয়র চিত্র সাংবাদিক মো. ইউসুফ, কলামিস্ট ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক মৃণাল মজুমদার ও গণমাধ্যমকর্মী মিনহাজ উদ্দিন।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৩৯
প্রিন্ট করুন printer

হাইকমিশনারের সাথে সিঙ্গাপুর বিজনেস চেম্বারের মতবিনিময়

সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি

হাইকমিশনারের সাথে সিঙ্গাপুর বিজনেস চেম্বারের মতবিনিময়

সিঙ্গাপুর বিজনেস চেম্বারের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার। সোমবার সিঙ্গাপুর বিজনেস 

চেম্বার অব সিঙ্গাপুরের (বিডিচ্যাম) ম্যানেজিং কমিটির আমন্ত্রণে হাইকমিশনার মো. তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি  প্রতিনিধি দল বিডিচ্যাম অফিস পরিদর্শনকালীন সময়ে সংগঠনের সদস্যদের পক্ষে চেম্বারের সভাপতি প্রফেসর এম এ রহিম ও সাধারণ সম্পাদক  মো. সাব্বির হাসান সাহান ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে তাদের স্বাগত জানান।

চেম্বারের সভাপতি প্রফেসর ড. এম এ রহীমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হাসান সাহানের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. তৌহিদুল ইসলাম, সিঙ্গাপুরে করোনার পরে এটাই প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুর বিজনেস চেম্বারের সকল নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয় এবং হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বিজনেস চেম্বারকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়। 

সিঙ্গাপুর বিজনেস চেম্বারের পক্ষ থেকে হাইকমিশনারকে বিজনেস চেম্বারের গঠনতন্ত্র তুলে দেওয়া হয়।

হাইকমিশনার প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের দলীয় ও ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে কাজ করতে বিডিচ্যামের বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় হাই-কমিশনারের সাথে কাউন্সেলর এ.কে.এম. আজম চৌধুরী, কাউন্সেলর মোহাম্মদ আতাউর রহমান ও হেড অব চ্যান্সারি  মো. তৌফিক-উর-রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

বিজনেস চেম্বারের পক্ষ থেকে বেশকিছু  কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়। 

অনুষ্ঠানে বিজনেস চেম্বারের সভাপতি প্রফেসর এম এ রাহীম বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কাজ করে চলেছেন তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য উন্নত দেশগুলোর বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা এবং জনশক্তি রফতানি ও কৃষি পণ্যসামগ্রী সিঙ্গাপুরের বাজারে প্রবেশ করানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। 

অনুষ্ঠানে আপ্যায়নের দায়িত্বে ছিলেন সিঙ্গাপুর বিজনেস চেম্বারের সাবেক সভাপতি ব্যবসায়ী শহীদুজ্জামান, বিজনেস চেম্বারের অন্য নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি নাসারুল  ইসলাম মনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লা আমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আজাদ সায়েম, খোরসেদ আলম চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম, কোষাদক্ষ হাবিব উল্লাহ পাটোয়ারী, আজাহারুল ইসলাম, মো. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:০৮
প্রিন্ট করুন printer

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনীতির আকাশ এখনও মেঘাচ্ছন্ন

ড. মোস্তফা সারওয়ার

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনীতির আকাশ এখনও মেঘাচ্ছন্ন
ড. মোস্তফা সারওয়ার

২০২০ সালের ৩ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম স্বচ্ছ এবং কারচুপিহীন নির্বাচন। এই নির্বাচনে বাইডেন ৭ মিলিয়নের বেশি নাগরিকদের ভোটে এবং বিপুল ব্যাবধানে ইলেকটরাল কলেজের ভোটে জয় লাভ করে। কংগ্রেসের দায়িত্ত্ব ছিল ৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক গণনা। ঐদিন দুপুরে ট্রাম্প উত্তেজনাপূর্ণ ভাষণ দিল। দুমাস ধরে ট্রাম্প ভূয়া প্রচার এবং ৬ জানুয়ারির সন্ত্রাসী ভাষণে আমেরিকার বর্ণবাদী শেতাঙ্গদের ট্রাম্প এমনভাবে উত্তেজিত করেছিল যে এরা উন্মাদের মত গণতন্ত্রের তীর্থস্থান ক্যাপিটল হিল দখল করে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের ঘৃণ্য তাণ্ডবে মেতে উঠে। সংবিধান অনুযায়ী তখন চলছিল প্রেসিডেন্টশিয়াল নির্বাচনের ইলেকটরাল কলেজের ভোট গণনার কাজ। সন্ত্রাসীদের আক্রমণে গণনার কাজ পণ্ড হয়ে যায় কয়েক ঘণ্টার জন্য। কংগ্রেস সদস্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যায় নিরাপত্তা বাহিনী। অল্পের জন্য বেঁচে যায় ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এবং স্পীকার ন্যান্সি পেলোসিসহ অন্যান্য কংগ্রেস সদস্যবৃন্দ। নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের হটিয়ে দেবার পর কংগ্রেস পুনরায় গণনা কার্য সম্পন্ন করে। গভীর রাতে বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট এবং হ্যারিসকে ভাইস প্রেসিডেন্ট  হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সৌভাগ্য, মানুষরুপী জঘন্য কীটের দল আমেরিকার চিরায়ত গণতন্ত্র ও পবিত্র সংবিধানের ক্ষতি করতে ব্যর্থ হয়। এখন চলছে বিচারের পালা। প্রায় দুই শতের কাছাকাছি দুষ্কৃতিকারী বর্ণবাদী গুণ্ডাদের বন্দী করা হোয়ছে। আমেরিকার দক্ষ আইন শৃংখলা বাহিনী দ্বারা বাকি বদমায়েশদের পাকড়াও করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। 

ক্যাপিটাল হিলের জঘন্য তাণ্ডবের মূল হোতা ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিশংসনের কাজ সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ। ১৩ জানুয়ারি বিকেলে এই অভিশংসন পাশ হয়েছে – উভয় দলের ইতিবাচক ভোটে। ট্রাম্পই হল আমেরিকার ইতিহাসে দুইবার অভিশংসন প্রাপ্ত একমাত্র প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রে সর্বমোট চার বার অভিশংসন হয়েছে। এটাই প্রথম যখন উভয় দলের সমর্থন পেল।

ট্রাম্পের ক্ষমতা শেষ হয়েছে ২০ জানুয়ারি দুপুরের একটু আগে। ইমপিচমেন্টের ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিতে কলঙ্কের কালিমা লেপন করেছে। ইতিহাসের নিকৃষ্টতম প্রেসিডেন্ট হিসাবে ট্রাম্প পরিগনিত হবে জন্ম জন্মান্তরে। ২০ জানুয়ারির পর নব নির্বাচিত সিনেটের মেজরিটি নেতা চার্লস শুমার ট্রাম্পের বিচারের ব্যবস্থা করতে পারবে যদিও ক্ষমতা থেকে তার মেয়াদ পূর্ণ করে হোআইট হাউস (White House) ছেড়েছে ট্রাম্প। কিন্তু সিনেট চাইলে তাকে রাজনীতি ও অন্যান্য নাগরিক অধিকার থেকেও চিরতরে অযোগ্য এবং বঞ্চিত করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস হবে বিচারক আর ১০০ জন সিনেটর হবে জুরি। দুই তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৬৭ জন সিনেটর অভিযোগের পক্ষে ভোটদান করলেই প্রেসিডেন্টের অপরাধ প্রমাণিত হবে। এ জন্য প্রয়োজন হবে ১৭ জন রিপাবলিকান সিনেটরদের ভোট। এর পর সিনেট ইচ্ছে করলে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্থাৎ ৫১ ভোটে দোষী প্রেসিডেন্টকে চিরতরে অযোগ্য করতে পারবে যে কোন সরকারী পদ, সম্মান, ট্রাস্ট অথবা লাভজনক প্রতিষ্ঠানের পদ থেকে।

উপরোক্ত পটভূমিতে বিতর্ক হলঃ প্রেসিডেন্ট পদ থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ট্রাম্পের উপর অপসারণ কার্যকর নয়, অতএব বিচারের আর কি প্রয়োজন রয়েছে? তার চেয়ে বরং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে বিচার কার্য খারিজ করে দিলে ট্রাম্পকে ভোট দানকারী ৭৪ মিলিয়ন লোক খুশি হয়ে যাবে। জাতীয় ঐক্য কায়েম হবে। এর বিপক্ষে যুক্তি হল ঘৃণ্য দেশদ্রোহীদের গণতন্ত্রের পীঠস্থান ক্যাপিটল হিল আক্রমণের বিচার হতেই হবে। যেখানে একজন পুলিশ অফিসারসহ পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। এই জঘন্য অপরাধের কলকাঠি যে নাড়িয়েছে সেই গডফাদার ট্রাম্পের বিচার না হলে, ভবিষ্যতের ফ্যাসিবাদী একনায়কদের উৎসাহিত করা হবে এবং তাদের হাত থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর গণতন্ত্রের বিধানকে রক্ষা করা যাবে না। তাই প্রথমে বিচার এবং পরে ঐক্য। প্রশ্ন হল ১৭ জন রিপাবলিকান সিনেটরের সমর্থন পাওয়া যাবে কিনা।

রিপাবলিকান সিনেটরদের সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে চলমান ঘটনা প্রবাহের উপর। (১) ৬ই জানুয়ারির পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি রিপাবিলকানদের সমর্থনে ধস নেমেছে। দল নিরপেক্ষ পিউ (Pew) রিসার্চ সেন্টারের ১৫ জানুয়ারি প্রকাশিত পোলিং অনুযায়ী যা দাঁড়িয়েছে শতকরা ৬৮। ৬ জানুয়ারির আগে ছিল ৯০ এর দশকে। মাত্র কয়েক দিনে এই ধস নিদারুণ নিম্নগামী। সব মিলিয়ে মাত্র শতকরা ২৯ জন আমেরিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ত্ব পালনের অনুমোদন করে। একই সময়ে অন্যান্য জনমত জরিপকারী প্রতিষ্ঠানের ফলাফল কিছুটা ভিন্নতর। যেমন গ্যালপ (Gallup) এবং সিএনএন/এসএসআরএস (CNN/SSRS) উভয়ের জরিপে শতকরা ৩৪। সাধারণতঃ বিদায়ী প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বেড়ে যায়। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক বিপরীত। বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহে ট্রাম্পের সমর্থন আরও নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদি তাই ঘটে তখন রিপাবলিকান সিনেটররা নিজেদের স্বার্থেই ট্রাম্পকে পরিত্যাগ করতে পারে। (২) ক্যাপিটল হিলে আক্রমণ নিয়ে চলছে গভীর তদন্ত। এফবিআই সহ তদন্তকারী সংস্থাগুল ট্রাম্পের টুইট, রি-টুইট, ফোনালাপ, এবং অন্যান্য নিদর্শন খুব যত্ন সহকারে পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করছে। এতে যদি অভ্যুত্থানে ট্রাম্পের সংশ্লিষ্টতার আরও ক্ষতিকর এবং উত্তেজনাকর তথ্য বেরিয়ে পড়ে তাহলে মেকনালপন্থী সিনেটররা ট্রাম্পের বিপক্ষে চলে যেতে পারে। এর সংখ্যা নিয়ে রয়েছে বিতর্ক।

১৯ জানুয়ারি দুইটি ঘটনা ঘটেছে যার গুরুত্ব ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হতে পারে আগামী কয়েক বছর। একটি হল বিদায়ী সিনেটের শেষ দিনে মেকনালের বক্তৃতা। যাতে ইঙ্গিত রয়েছে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টের বিচারে মেকনালের সমর্থন। মেকনাল বলেছে, “হাঙ্গামাকারী জনতাকে মিথ্যা হজম করানো হয়েছে। তাদের উত্তেজিত করেছে প্রেসিডেন্ট সহ অন্যান্য শক্তিধর ব্যাক্তিবর্গ। এবং তারা চেষ্টা করেছিল ভীতি প্রদর্শন ও হিংস্রতার মাধ্যমে বন্ধ করবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রথম শাখার একটি বিশেষ পদ্বতি (অর্থাৎ ইলেকটরাল কলেজের ভোট গণনার কাজ) যা ছিল তাদের অপছন্দ। কিন্তু আমরা গুরুত্ত্ব দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি। “ এর আগে আমরা শুনিনি ট্রাম্পের বিপক্ষে এমনি কঠিন বক্তব্য মেকনালের কন্ঠে।মনে হচ্ছে বরফ গলা শুরু হয়েছে তীব্র বেগে।

ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সী শেষ হওয়ার একদিন আগে ১৯ জানুয়ারি সে আভাস দিয়েছে নতুন দল গঠন করার। দলের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। নাম হবে “দেশপ্রেমিক দল” অথবা Patriot Party। অদৃষ্টের পরিহাস, ক্যাপিটল হিলে ব্যর্থ অভ্যূত্থানে অংশগ্রহণকারী দেশদ্রোহিরা হয়ত হবে তথাকথিত  “দেশপ্রেমিক দল” এর তৃণমূল কর্মী ।

নতুন প্রেসিডেন্ট বাইডেন ২০ জানুয়ারির শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানের ভাষণে বলেছেন, “আমরা এই অসভ্য সংঘাতের সমাপ্তি করবই।“ আরও বলেছেন, “সবার ঐক্যে আমরা মহান কাজ করতে পারি। “কিন্তু মাঠের পরিস্থিতি বিপরীত ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঘটনার প্রবাহ যে দিকেই ধাবিত হোক না কেন, যুক্তরাষ্টের রাজনৈতিক আকাশ এখনও মেঘাছন্ন। সবাই অপেক্ষা করছে স্বচ্ছ নীলাকাশের অধির প্রত্যাশায়।

লেখক: এমেরিটাস অধ্যাপক এবং প্রাক্তন উপ-উপাচার্য -ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিয়েন্স, ডীন এবং প্রাক্তন  উপাচার্য-ডেলগাডো কমিউনিটি কলেজ, কমিশনার-রিজিওনাল ট্রানজিট অথরিটি, বিজ্ঞানী ও কবি।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৩৯
প্রিন্ট করুন printer

কানাডার গভর্নর জেনারেল জুলি পায়েতের পদত্যাগ

আহসান রাজীব বুলবুল, কানাডা

কানাডার গভর্নর জেনারেল জুলি পায়েতের পদত্যাগ
জুলি পায়েত

কানাডার গভর্নর জেনারেল জুলি পায়েত তার গভর্নর জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। গত কয়েক মাস ধরে রিডিউ হলে গভর্নর জেনারেলের বিরুদ্ধে তার কর্মচারীরা কর্মক্ষেত্রে হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন। কানাডার গভর্নর জেনারেল জুলি পায়েতের বিরুদ্ধে কর্মক্ষেত্রে হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ পর্যালোচনাও সম্পন্ন হয়েছে এবং হয়রানির ক্ষেত্রে পর্যালোচনার বিবরণগুলি “ক্ষতিকারক”হওয়ার রিপোর্টের পরে গভর্নর জেনারেল জুলি পায়েত তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। 

গত বুধবার জুলি পায়েতের সাথে কথোপকথনের সময় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জুলি পায়েতকে পদত্যাগ করতে বলেন। এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন যে, তিনি জুলি পায়েতের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
 
জাস্টিন ট্রুডো আরও বলেন, কানাডার চিফ জাস্টিস রিচার্ড ওয়াগনার অন্তর্বর্তীকালীন ভিত্তিতে কানাডার গভর্নর জেনারেলের দায়িত্ব পালন করবেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেন, “কানাডা সরকারের প্রতিটি কর্মচারীর নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করার অধিকার রয়েছে এবং আমরা এটিকে সর্বদা খুব গুরুত্ব সহকারে নেব। আজকের ঘোষণাটি রিডিউ হলে নতুন নেতৃত্বের জন্য পর্যালোচনা চলাকালীন কর্মীদের দ্বারা উত্থাপিত কর্মস্থলের উদ্বেগের সমাধান করার একটি সুযোগ এনে দেবে।” 

কানাডার গভর্নর জেনারেল জুলি পায়েত তার পদ থেকে পদত্যাগ করার বিষয়টি কানাডার হেড অফ স্ট্রেট বৃটেনের রাণী ২য় এলিজাবেথকে জানানো হয়ছে। 

উল্লেখ্য গভর্নর জেনারেল কানাডার হেড অফ স্ট্রেট বৃটেনের রাণী ২য় এলিজাবেথ এর প্রতিনিধি হিসাবে কানাডায় নিয়মতান্ত্রিক হেড অফ স্ট্রেট এর দায়িত্ব পালন করেন মাত্র।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো আরও উল্লেখ করেন যে, নতুন গভর্নর জেনারেলের জন্য সুপারিশগুলি “যথাযথভাবে” কানাডার হেড অব স্টেট রানির কাছে প্রেরণ করা হবে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৪
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:০৪
প্রিন্ট করুন printer

বাইডেন প্রশাসনে আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি

বাইডেন প্রশাসনে আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত
ফারাহ আহমেদ

বাইডেন প্রশাসনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন পল্লী উন্নয়ন সচিবালয়ের আন্ডার সেক্রেটারির চীফ অব স্টাফ হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান ফারাহ আহমেদ (Farah Ahmad was named Chief of Staff in the Office of the Under Secretary for Rural Development)। 

কর্ণেল ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েশনের পর নিউজার্সির প্রিন্সটন থেকে বিশেষ কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনকারি ফারাহ ২১ জানুয়ারি এই নিয়োগ প্রাপ্তির আগে কঞ্জ্যুমার এডুকেশনের সিনিয়র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর এবং কঞ্জ্যুমার ফাইন্যান্সিয়াল প্রটেকশন ব্যুরোর চীফ অপারেটিং অফিসারের সিনিয়র এডভাইজার হিসেবে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়াও ফারাহ ইউএসডিএ-তেও কাজ করেছেন। নরসিংদীর সন্তান এবং ওয়াইয়োর একটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ড. মাতলুব আহমেদ এবং ড. ফেরদৌস আহমেদ দম্পত্তির কন্যা ফারাহ হচ্ছেন বাংলাদেশ আনবিক শক্তি কমিশনের অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. আব্দুল বাতেন খানের নাতনী। 
এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান জাইন সিদ্দিক হোয়াইট হাউজের ডেপুটি চিফ অব স্টাফের সিনিয়র এডভাইজার হয়েছেন। জাইনের মা-বাবা ময়মনসিংহের নান্দাইলের সন্তান। বাইডেনের ট্র্যাঞ্জিশন টিমে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টিমেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান রুমানা আহমেদ। রুমানা বারাক ওবামার সময়েও হোয়াইট হাউজে কাজ করেছেন। ফারাহ আহমেদও বারাক ওবামার আমলে ভিন্ন একটি দায়িত্বে ছিলেন। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:১৯
প্রিন্ট করুন printer

কঠিন পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট ট্রায়াল

লাবলু আনসার, যুক্তরাষ্ট্র

কঠিন পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট ট্রায়াল

যুক্তরাষ্ট্রের ২৩২ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা ইমপিচমেন্টের ট্রায়াল শুরু হলো। এ নিয়ে মোট চারবার ইউএস সিনেটে ইমপিচের বিচারের ঘটনা ঘটছে। আর এক মেয়াদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধেই এটি দ্বিতীয় ট্রায়াল। অফিস থেকে বিদায়ের পর আর কোন প্রেডিন্টের বিরুদ্ধে এমন ট্রায়াল হয়নি। প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়া ইমপিচমেন্টের আর্টিক্যালের কপি (ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে উসকানি দেয়া) সোমবার সন্ধ্যায় সিনেটে পেশ করেন প্রতিনিধি পরিষদের ৯ সদস্য (ইমপিচমেন্ট ম্যানেজার)। এ সময় স্পিকার ন্যান্সি পেলসীর স্বাক্ষরিত কপিটি উপস্থাপন করেন ইমপিচমেন্ট ম্যানেজার কংগ্রেসম্যান (ম্যারিল্যান্ড-ডেমক্র্যাট) জেমী রাসকিন। ৯ ফেব্রুয়ারি বিচার শুরুর আগে অভিযুক্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে পাঠানো হবে সেই কপি। এরপর ট্রাম্প তার মতামত জানাবেন সিনেটে। একইসাথে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্যে আইনজীবী নিযুুক্তির তথ্য জানাবেন ট্রাম্প। সেই আইনজীবীরাও অভিযোগের কপি পড়বেন এবং ট্রায়ালে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দেবেন। এই বিচারে সিনেটের ১০০ সদস্যই থাকবেন জুরি হিসেবে। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস’র সভাপতিত্ব করার কথা। কিন্তু আরো জরুরী কাজে ব্যস্ত থাকায় সিনেটর (ভারমন্ট-ডেমক্র্যাট)প্যাটিক লিহাই সভাপতিত্ব করবেন বলে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।  

উল্লেখ্য, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার জন্যে ৬ জানুয়ারি কংগ্রেসের উভয়কক্ষের অধিবেশন চলাকালে ট্রাম্পের লেলিয়ে দেয়া জঙ্গিরা ক্যাপিটল হিলে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে একজন পুলিশ অফিসারসহ ৫ জন নিহত হন। জঙ্গিরা ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ফাঁসিতে ঝুলানোর স্লোগান দেয় এবং স্পিকার পেলসীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। নির্বাচনে বাইডেনের বিজয়ের ফলাফল পাল্টে দেয়ার দাবিতে ঐ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। 

এই বিচার নিয়ে আশংকা প্রকাশকালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সোমবারই সিএনএনকে বলেছেন যে, রিপাবলিকান পার্টির ১৭ সিনেটরের সমর্থন পাওয়া কঠিন হবে। তাই ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করার ব্যাপারটি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তবে ক্যাপিটল হিলের হামলার ভিকটিম রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান এবং সিনেটররাও ছিলেন। সে কারণে শেষ মুহূর্তে ১৭ জনের বেশী সিনেটরও ডেমক্র্যাটদের পাশে আসতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। অর্থাৎ ৫০ ডেমক্র্যাট আর ১৭ রিপাবলিকান হলেই দুই তৃতীয়াংশ ভোটে ট্রাম্প ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। রক্ষা পাবে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানটি। হুমকিতে থাকবে না সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার ব্যাপারটি। কারণ, ট্রাম্পকে ভবিষ্যতের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা সম্ভব হবে দোষী সাব্যস্ত হলেই। অন্যথায় সে ২০২৪ সালের নির্বাচনে মাঠে নামলে তাকে ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে বলেও অনেকের ধারণা।  

সিনেটের লিডার চাক শ্যুমার এবং সংখ্যালঘিষ্ট দল রিপাবলিকান লিডার মিচ ম্যাককনেল ঠিক করবেন বিচারের রোডম্যাপ। সাক্ষী গ্রহণ করতে কতসময়, সাক্ষীদের জিজ্ঞাবাদের জন্যে কত সময় ধার্য করা হবে সেটিও তারাই নির্ধারণ করবেন। ঐ জঙ্গি হামলার ভিকটিম যেহেতু কংগ্রেসম্যান ও সিনেটররাই, তাই বাইরের সাক্ষীর আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা সেটিও আলোচনায় রয়েছে। টিভি ফুটেজ এবং আইফোনের ভিডিও হচ্ছে সাক্ষীগণের প্রধান অবলম্বন। বিচারের সময় ট্রাম্পকে উপস্থিত থাকার নোটিশ নিয়েও কথা বলবেন সিনেটে দুই পার্টির দুই নেতা। ৮ ফেব্রুয়ারির আগ পর্যন্ত ইমপিচমেন্ট ম্যানেজার এবং ট্রাম্পের আইনজীবীরাও পরস্পরের সাথে কথা বলবেন। 

উল্লেখ্য, ১৩ মাস আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রথম ইমপিচমেন্টের ট্রায়াল সমাপ্ত হয় তিন সপ্তাহের মধ্যে। এ ট্রায়ালের জুরিরা শপথ নিচ্ছেন মঙ্গলবার। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে উদ্বোধনী যুক্তি-তর্ক। ট্রাম্পের সমর্থকরা যুক্তির অবতারণা করবেন যে, হোয়াইট হাউজ থেকে বিদায় নেয়া কোন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এধরনের বিচারের অবকাশ নেই। অতীতের নজির প্রদর্শন করবেন ডেমক্র্যাটরা। এই বিচারের মধ্যদিয়ে রিপাবলিকান পার্টিতে ট্রাম্পের অবস্থান জানা যাবে। ট্রাম্পের মত একজন মানুষকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান একটি রাজনৈতিক দল কীভাবে বিবেচনা করছে-তাও বিবেকসম্পন্ন আমেরিকানসহ গণতান্ত্রিক বিশ্ব অবলোকনে সক্ষম হবে। অর্থাৎ এই বিচারের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তিও ব্যাপারটি উদ্ভাসিত হবে। এ বিচারের সময় ট্রাম্পের জঙ্গিরা যাতে আবারো কোন হাঙ্গামার সুযোগ না পায়, সেজন্যে ন্যাশনাল গার্ডের ৭ হাজার সদস্যকে মার্চ পর্যন্ত ক্যাপিটল হিলের নিরাপত্তায় রাখা হচ্ছে। 

৫৭% আমেরিকানই ট্রাম্পকে চান না

পুনরায় যাতে ফেডারেল কোন পদে অধিষ্ঠিত হবার সুযোগ ট্রাম্প না পায় সে ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন ৫৭% আমেরিকান। ইমপিচমেন্টের বিচার প্রক্রিয়ায় প্রথম ধাপ হিসেবে প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়া রেজুলেশনের কপি সোমবার সন্ধ্যায় সিনেটে পেশ করার প্রাক্কালে মনমাউথ ইউনিভার্সিটি পরিচালিত জরিপে এই মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। সিনেটের বিচারে ট্রাম্প দোষী সাব্যস্ত হলেই ভবিষ্যতে তিনি আর প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে পারবেন না। এমনকি সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনেক সুযোগ-সুবিধা হারাবেন। এই জরিপে অংশ নেয়াদের ৪১% ট্রাম্পকে অভিশংসনের বিপক্ষে মত দিয়েছেন। ২% কোন মতামত দেননি। জরিপে অংশ নেয়া রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকের মধ্যে মাত্র ১৯% ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছেন। পক্ষান্তরে ডেমক্র্যাটিক পার্টির ৯০% চেয়েছেন ট্রাম্পকে চিরতরে রাজনীতি-প্রশাসনে নিষিদ্ধ করতে। ৭৮% রিপাবলিকান এমন ইমপিচের বিপক্ষে মত দিয়েছেন।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর