শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০

মাহমুদুল্লাহর প্রতিশোধের মিশন

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মাহমুদুল্লাহর প্রতিশোধের মিশন

তিন দলের টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সেঞ্চুরি হয়েছে একটি এবং হাফ সেঞ্চুরি চারটি। অবশ্য জাতীয় দলের পরীক্ষিত ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি

অবশেষে রানের দেখা মিলেছে মিরপুরের উইকেটে। প্রথমবারের মতো ২০০ পেরিয়েছে দলীয় স্কোর। সেঞ্চুরির দেখাও মিলেছে। যে উদ্দেশ্যে বিসিবি প্রেসিডেন্ট কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন, সেটার পূর্ণতা মিলতে শুরু করেছে তৃতীয় ম্যাচ থেকে। উইকেটের আচরণের সঙ্গে মানিয়ে ২০০ পেরুনো (২২১/৯) স্কোর করেছে তামিম একাদশ। ৫৭ বলে ৮২ রানের ঝড়ো ব্যাটিং করেছেন মেহেদি হাসান। টুর্নামেন্টের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিকুর রহিম। ১০৯ বলে খেলেছেন ১০৩ রানের নান্দনিক এক ইনিংস। যদিও তার দল নাজমুল একাদশ জয় পায়নি। হেরে গেছে তামিম একাদশের কাছে। আজ টুর্নামেন্টের চার নম্বর ম্যাচে নাজমুল একাদশের প্রতিপক্ষ মাহমুদুল্লাহ একাদশ। দুই দলের এটা তৃতীয় ম্যাচ। দুই দলই একটি করে জয় পেয়েছে। হেরেছে একটি করে। দুই দল দ্বিতীয়বারের মতো পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছে আজ। দুই দলের প্রথম লড়াইয়ে দুই তরুণ তওহিদ হৃদয় ও ইরফান শুক্কুরের জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে ৫৩ বল হাতে রেখে নাজমুল একাদশ জয় পেয়েছিল ৪ উইকেটে।

তিন দলের টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সেঞ্চুরি হয়েছে একটি এবং হাফ সেঞ্চুরি চারটি। অবশ্য জাতীয় দলের পরীক্ষিত ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। বিশেষ করে উপরের সারির ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, নাঈম শেখ, ইমরুল কায়েশ, সাইফ হাসানরা এখনো ৫০ পেরুনো ইনিংস খেলেননি। সর্বোচ্চ ৪০ রান করেছেন ইমরুল। তামিম গত ম্যাচে ৩৩, লিটন, সৌম্য, সাইফ, নাইমরা পুরোপুরি ব্যর্থ। মুমিনুল প্রথম ম্যাচে শূন্য করার পরের ম্যাচে করেন ৩৯ রান। নুরুল হাসান সোহান ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে মাহমুদুল্লাহ একাদশকে জয় উপহার দেন। প্রথম ম্যাচে মাহমুদুল্লাহ ৫১ রান করলেও পরের ম্যাচে ১০ রানে সাজঘরে ফেরেন। মুশফিক প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে গত পরশু টুর্নামেন্টের প্রথম সেঞ্চুরি করেন। হাফ সেঞ্চুরি করেছেন দুই তরুণ তওহিদ ও ইরফান। মাহমুদুল্লাহ একাদশের বিপক্ষে এই দুই তরুণ জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে দলকে উপহার দেন জয়। তওহিদ ৫২ ও ইরফান ৫৬ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন। ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরতে ব্যর্থ হলেও মাহমুুদল্লাহ একাদশের নুরুল হাসান সোহান সন্তুষ্ট সতীর্থদের পারফরম্যান্সে, ‘আশার কথা হচ্ছে জাতীয় দলের সবাই পারফর্ম করতেছে। এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ভালো।’

তারকা ব্যাটসম্যানরা পুরোপুরি জ্বলে ওঠেননি। কিন্তু টাইগার বোলাররা দুর্দান্ত বোলিং করছেন। বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন রয়েছেন দারুণ ছন্দে। মুস্তাফিজ দুই ম্যাচেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন। প্রথম ম্যাচের স্পেল ৭-২-১৪-১ ও এবং দ্বিতীয় ম্যাচের স্পেল ৮-২-১৫-৩। প্রথম ম্যাচে তাসকিনের স্পেল ১০-০-৩৭-২ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ১০-১-৪১-১। সাইফ উদ্দিন দুই ম্যাচে নিয়েছেন ৫ উইকেট। আল-আমিনও ভালো বোলিং করেছেন। পরশু দুরন্ত ছিলেন যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম স্ট্রাইক বোলার শরীফুল ইসলাম ৪ উইকেট নিয়েছেন ৩৪ রানের খরচে। পেসারদের ধারাবাহিকতা আস্বস্ত করেছে নির্বাচক প্যানেলকে। মিনহাজুল আবেদীন বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টে বোলাররা ভালো বোলিং করছেন। এটা আশার কথা।’


আপনার মন্তব্য