শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫

মধুবাগ-রামপুরা ‘নতুন’ রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি

সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত!

সরেজমিনে গতকাল নতুন রাস্তার মিরবাগ মোড়ে গিয়ে দেখা যায় “রাস্তা বন্ধ। রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলিতেছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিক দুঃখিত।” -কর্তৃপক্ষ
রফিকুল ইসলাম রনি
প্রিন্ট ভার্সন
সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত!

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত সড়ক হাতিরঝিল মধুবাগ ব্রিজ থেকে রামপুরা পর্যন্ত নতুন রাস্তা। প্রতিদিন এ সড়কে ৪০০ থেকে ৫০০ প্রাইভেট কার, পিকঅ্যাপ ভ্যান, অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করে। রাস্তার দুই পাশে তিন থেকে সাড়ে তিন শতাধিক দোকান আছে। বর্ষার আগে ব্যস্ততম সড়কটিতে এখন (উন্নয়ন কাজ) খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। গত দেড় মাস খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে মধুবাগ থেকে মিরবাগ পর্যন্ত ৫০০ মিটার রাস্তা। ফলে ব্যস্ততম রাস্তাটিতে আর আগের মতো গাড়ি চলার সুযোগ নেই। অন্যদিকে দোকানিরাও পড়েছেন চরম বিপাকে। তাদের ব্যবসায় মন্দা। নতুন রাস্তার দক্ষিণ পাশে একটি সরু গলি দিয়ে কিছু গাড়ি চলাচল করলেও প্রচণ্ড যানজট লেগে থাকছে। মানুষজন ঠিকমতো পায়েও হাঁটতে পারছেন না যানজটের কারণে।

সরেজমিন গতকাল নতুন রাস্তার মিরবাগ মোড়ে গিয়ে দেখা যায়-

রাস্তা বন্ধ। রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলিতেছে সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিক দুঃখিত।-কর্তৃপক্ষ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

স্থানীয়রা জানান, সাময়িক অসুবিধা যেন স্থায়ী সমস্যায় রূপ নিচ্ছে। রাস্তা খুঁড়ে রেখে ফেলে রাখা, ময়লা-আবর্জনার কারণে ভোগান্তি বাড়ছে।

অন্যদিকে রাস্তার দূরত্ব কমানোর জন্য এ সড়ক ব্যবহার করতেন তাঁরাও পড়েছেন বিপাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা রামপুরা রাস্তার পূর্ব পাশে একটি বেসরকারি হাসপাতাল থাকায় যাঁরা সেখানে সেবা নিতেন তাঁরাও বিপাকে আছেন রোগী নিয়ে যাঁরা ওই হাসপাতালে সেবা নিতে আগ্রহী তাঁদের দুই থেকে তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে।  

কবে নাগাদ রাস্তার কাজ শেষ হবে তা কেউ জানে না। প্রাইভেট কার চালক রবিন হোসেন ‘‘সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত’’ সাইনবোর্ড দেখিয়ে বললেন, সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত হলেও সাময়িকটা কত দিন? এক মাস হয়ে গেল মাত্র ৫০০ মিটার রাস্তা খুঁড়ে রেখ দিল। পুরোপুরি খুঁড়তে সময় লাগবে কত? আর রাস্তা কত দিনে যানবাহন ও মানুষ চলাচলের জন্য উপযুক্ত হবে? 

মধুবাগ ফালু টাওয়ারের বাসিন্দা হান্নান হোসেন পারভেজ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মধুবাগ ব্রিজ থেকে রামপুরা পর্যন্ত নতুন রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ির ফলে মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছে।

বিকল্প রাস্তা হিসেবে মধুবাগ খেলার মাঠ থেকে গলির রাস্তা ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তাটি ছোট হওয়ায় একটি প্রাইভেট কার ঢুকলে অন্য পাশ দিয়ে আরেকটি প্রাইভেট কার যেতে পারে না। এ ছাড়াও পিকঅ্যাপ, অটোরিকশা, রিকশা, ভ্যান চলাচল করায় অনেক সময় থমকে থাকে। তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, আমার বাসা থেকে আগে নয়াটোলা আসতে মোটরসাইকেলে যেতে আগে সময় লাগত মাত্র দুই মিনিট। এখন নতুন রাস্তার চাপ থাকায় দুই মিনিটের জায়গায় আধা ঘণ্টা লেগে যায়।

স্থানীয় ফার্নিচার দোকানি আল-আমিন বলেন, প্রায় এক মাসের বেশি সময় দোকানে কেনাবেচা নেই। রাস্তা খুঁড়ে রাখায় ক্রেতা আসছে না। ফলে ঘরভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীর বেতন ব্যবসার মূলধন থেকে দিতে হবে। মালামাল বহন অসুবিধা হওয়ায় ক্রেতার দেখা মিলছে না বলেও জানান তিনি।

আরিফ হোসেন নামে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সাময়িক খোঁড়াখুঁড়ির কারণে আমাদের দীর্ঘ ভোগান্তি বেড়ে গেছে। রাজধানীর সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় না থাকায় একেক সময় একেক সংস্থা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ করে। যে কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাসহ পথচারীদের।

শুধু মধুবাগ ব্রিজ থেকে রামপুরা রাস্তা পর্যন্ত নয়, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের অধিকাংশ সড়কে এখন চলছে সড়ক সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ। করপোরেশনের পাশাপাশি সেবাদানকারী সংস্থা, ঢাকা ওয়াসা, বিটিসিএল, তিতাস, ডেসকোসহ সড়কের নিচে থাকা অন্যান্য সংস্থার সার্ভিস লাইন সংস্কারে নিয়মিতই রাস্তা খুঁড়তে হচ্ছে। ফলে রাজধানীর রাজপথ খোঁড়াখুঁড়িতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিত্যদিনের ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে সড়কে এমন বিশৃঙ্খল অবস্থা প্রতি বছরই সৃষ্টি হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, শহরজুড়ে দুই সিটির উদ্যোগে চলছে সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি ও সংস্কার কাজ। সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি অন্য উন্নয়ন সংস্থাগুলো সড়কের নিচে থাকা সংযোগ সংস্কার করতে সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি করছে। ফলে মানুষের ভোগান্তি বেড়ে গেছে।

রাজধানীর রামপুরা, মিরবাগ, মগবাজার, খিলগাঁও, শান্তিবাগ, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, গুলশান, বনানী, জিগাতলা, ধানমন্ডি, মিরপুর, কল্যাণপুর, আহমদনগর, রাজাবাজার, তেজতুরী বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, এসব এলাকার বিভিন্ন সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে মন্থরগতিতে। বৃষ্টির মৌসুম আসায় হেঁটে চলাও কষ্টকর হয়ে পড়বে। বৃষ্টির কারণে রাস্তার মাটি, কাদাপানিতে একাকার হয়ে যাচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর
সড়কে মূর্তিমান আতঙ্ক
সড়কে মূর্তিমান আতঙ্ক
গলার কাঁটা অবৈধ অটোরিকশা
গলার কাঁটা অবৈধ অটোরিকশা
যানজটে নাকাল নগর জীবন
যানজটে নাকাল নগর জীবন
নাক চেপে চলতে হয় বন্দরনগরে
নাক চেপে চলতে হয় বন্দরনগরে
আঁকাবাঁকা বাসের জটলা
আঁকাবাঁকা বাসের জটলা
হাসপাতালে ঢুকতেই বিড়ম্বনা
হাসপাতালে ঢুকতেই বিড়ম্বনা
খানাখন্দে বেহাল দপদপিয়া সেতু
খানাখন্দে বেহাল দপদপিয়া সেতু
বহুতল ভবনের ৯৯ শতাংশেই অনিয়ম
বহুতল ভবনের ৯৯ শতাংশেই অনিয়ম
৩৩ বছর পর তৃতীয় বাস টার্মিনাল
৩৩ বছর পর তৃতীয় বাস টার্মিনাল
ওপরে সিঙ্গাপুর নিচে আব্দুল্লাহপুর
ওপরে সিঙ্গাপুর নিচে আব্দুল্লাহপুর
খোঁয়াড় আছে কাগজেকলমে!
খোঁয়াড় আছে কাগজেকলমে!
জনবল সংকটে ধুঁকছে কুমিল্লা সিটি
জনবল সংকটে ধুঁকছে কুমিল্লা সিটি
সর্বশেষ খবর
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের
চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের

১০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার
শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন
পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন

২৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার
রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক
কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা
নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’
‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ
গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য
বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য

২ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে
বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি
জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

২০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক