Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
প্রকাশ : ৩১ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৩৪

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু জ্বরে ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৮ হাজার

অনলাইন ডেস্ক

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু জ্বরে ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৮ হাজার

দিন দিন বেড়েই চলছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। শুধু বাংলাদেশই নয় ডেঙ্গুর প্রকোপে ভুগছে সারাবিশ্ব। এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুরেও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চারজন মারা গেছেন। এর আগে দেশটিতে আরও পাঁচজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। চলতি মাসের ২০ তারিখের হিসেব অনুযায়ী দেশটিতে মোট ৯ জন মারা গেছেন।

সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (এমওএইচ) এবং জাতীয় পরিবেশ সংস্থা (এনইএ) গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে আট হাজার ২০ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এ বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা পাঁচগুণ বেশি।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে দেশটিতে ২ হাজার সাতশ ৭২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আর ২০১৮ সালে তিন হাজার দু'শ ৮৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। গত বছর পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী মারা যান। ২০১৭ সালে মারা যান মাত্র দু'জন। তবে ২০১৬ সালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যাটা ছিল বেশি। সে বছর মারা যান ১২ জন রোগী।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটির বেশিরভাগ রোগীই ডেঙ্গু সংক্রমণ থেকে ভালোভাবে সুস্থ হয়ে ওঠেছেন। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তদের মধ্যে অল্প সংখ্যকই জটিল অবস্থায় চলে যান। যার ফলে তারা মারা যান।

চলতি বছরে ডেঙ্গু সনাক্ত হওয়ার পরই কাজ শুরু করে দেয় দেশটির জাতীয় পরিবেশ সংস্থা (এনইএ)। তারা আটটি মশা প্রজননের আবাসস্থল সনাক্ত করেন এবং অতি তাড়াতাড়ি করে ধ্বংস করেন। তারা জরুরিভিত্তিতে ডেঙ্গু মশা ধ্বংস করেত এবং এ সমস্যা থেকে দেশকে উদ্ধার করতে বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের এবং বাসার মালিকদের আহ্বান জানান। 

চলতি বছরের জানুয়ারি থকে গত মাসের মধ্যেই তারা প্রায় ৬০ শতাংশ মশার আবাসস্থল চিহ্নিত করেন। বাসিন্দাদের এবং বাসার মালিকদের সহযোগিতায় তা ধ্বংস করেন। দেশটির বিভিন্ন স্থানে টানানো হয় ডেঙ্গু সচেতনতার ব্যানারও।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় পরিবেশ সংস্থার এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাসা-বাড়িতে ডেঙ্গু মশা প্রজননের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। তারপর ওই বাসাগুলোতে অতিদ্রুত সেই মাশার প্রজননের আবাসস্থলগুলো ধ্বংস করা হয়। 

জাতীয় পরিবেশ সংস্থার ডেঙ্গু নজরদারি সম্পর্কিত তথ্যের ওপর ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে জনায়, গত এপ্রিল থেকে গত মাসে প্রায় পাঁচ হাজার দু’শ ডেঙ্গু মাশার প্রজননের আবাসস্থল সনাক্ত করা হয়েছে।

তারা দেশটির নাগরিকদের জানায়, ডেঙ্গুতে আক্রান্তরা যাতে বেশি করে ডেঙ্গু প্রতিরোধক প্রয়োগ করে মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করেন। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথাও বলা হয়।-স্ট্রেটস টাইমস

বিডি প্রতিদিন/৩১ জুলাই, ২০১৯/আরাফাত


আপনার মন্তব্য