শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৪
প্রিন্ট করুন printer

রায়হান হত্যা মামলায় কনস্টেবল হারুনের জামিন নামঞ্জুর

সিলেট ব্যুরো

রায়হান হত্যা মামলায় কনস্টেবল হারুনের জামিন নামঞ্জুর

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় একজনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার দুপুরে রায়হান হত্যা মামলার আসামি পুলিশ কনস্টেবল হারুনুর রশিদের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আব্দুর রহিম জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন বলে আদালত সূত্র জানায়। শুনানিকালে হারুনকে আদালতে আনা হয়নি।

রায়হানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, আদালতে পুলিশ কনস্টেবল হারুন জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। রায়হান হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি হারুন জড়িত ছিল। জামিন শুনানিকালে আমরা জামিনের বিরোধীতা করেছি। এ ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল কয়েকজন আদালতে পূর্বে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আমাদের বক্তব্য আদালত শুনার পর জামিন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আসামিদের জামিনের বিষয়ে খবর পেয়ে রায়হানের মা'সহ তার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির হন।

হারুনের জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, আদালত ন্যায় বিচার করেছেন জামিন না দিয়ে। আমি আমার ছেলেকে হারিয়েছি, ছেলে হারানো কত কষ্টকর তা একজন মা ভালো বলতে পারবেন। আমি ছেলে হত্যার যথাযথ বিচার চাই। 

তিনি আরও বলেন, আমি আমার ছেলেকে হারিয়ে আজ পথে। কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল হারুন গোপনে আদালতে জামিন নিতে চাচ্ছে। বিষয়টি আমি জানার পর পরই আদালতে ছুটে আসি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। আমার দাবি একটাই আমার ছেলে হত্যার বিচার।

জানা যায়, গতকাল ১১ জানুয়ারি রায়হান হত্যার তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। নগরীর আখালিয়ার নেহারীপাড়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে গত বছরের ১১ অক্টোবর দিবাগত রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে আসে। রাত ৩টা ৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে স্বাভাবিক অবস্থায় রায়হানকে ফাঁড়িতে ধরে আনে পুলিশ। সকাল ৬টা ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে রায়হানকে ফাঁড়ি থেকে বের করা হয়। ৬টা ৪০ মিনিটে ওসমানী হাসপাতালে নেয়া হয় এবং ৭টা ৫০ মিনিটে মারা যায় রায়হান। ওই দিনই ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ দাফন করা হয়।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪০
প্রিন্ট করুন printer

মায়ের অভিযোগে যুবকের কবল থেকে মেয়েকে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:

মায়ের অভিযোগে যুবকের কবল থেকে মেয়েকে উদ্ধার

সিলেটে মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এক যুবকের কবল থেকে ‘অপহৃত’ কিশোরীকে (১৭) উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানার আখালিয়া নোয়াপাড়া থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও মামলার আসামি অলক তালুকদারকে (২০) আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ভিকটিমের মা জালালাবাদ থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার এজাহারে তিনি বলেন, গত ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার সমিপুর গ্রামের মৃত অনিল তালুকদারের ছেলে অলক তালুকদার তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অলক তালুকদার বর্তমানে জালালাবাদ থানার আখালিয়া নোয়াপাড়া এলাকার আশরাফের কলোনিতে বসবাস করছে। কিশোরীটিকে অপহরণ করে সে ওই কলোনির বাসায় রেখেছে। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার ও মামলার আসামিকে গ্রেফতার করে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ থানার ওসি মো. নাজমুল হুদা খান। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:২৯
প্রিন্ট করুন printer

কন্দাল ফসল চাষে ভাগ্য বদলাতে পারে কৃষকের

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি:

কন্দাল ফসল চাষে ভাগ্য বদলাতে পারে কৃষকের

কন্দাল ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা। এই ফসল উন্নয়নের আওতায় মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) মাঠ দিবসের আয়োজন করে উপজেলা কৃষি অফিস। ওইদিন দুপুরে স্থানীয় দেওকলস ইউনিয়নের আলাপুর গ্রামে এই মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। 

গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি মো. মজম্মিল হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মনোজ কান্তি’র পরিচালনায় মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমজান আলী। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘কন্দাল ফসল লতিরাজ কচু খুবই উপকারী সবজি। ধানী জমি বা পরিত্যক্ত স্যাঁতস্যাঁতে যেকোন জায়গায় সহজেই অল্প পুঁজি ও পরিশ্রমে এ সবজি চাষ করা সম্ভব। কচুর লতি, কন্দমূল, ডাটা ও পাতা সবই খাবার উপযোগী। এতে মানবদেহের উপকারী গুণাগুণ রয়েছে। তাছাড়া এ সবজি চাষে পুঁজির অধিক মুনাফা করা সম্ভব।’ 

রমজান আলী আরও বলেন, ‘একজন আদর্শ কৃষকের জন্যে একটি এলাকা পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। কারণ ওই কৃষকই হচ্ছেন সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ কর্মী। প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন আদর্শ কৃষক তৈরী হলে তার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে উপকৃত হতে পারেন অসংখ্য কৃষক। কৃষকদের জন্যে আমাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা সবসময় অব্যাহত আছে এবং থাকবে। কৃষিক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আমরা চাই কৃষিক্ষেত্রে প্রত্যেকেই সফলতা অর্জন করুক। কৃষকদের হাসিই আমাদের প্রাপ্য।’  

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিইউজে) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বেগ, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফয়জুল ইসলাম, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স বিশ্বনাথ শাখার ব্যবস্থাপক এইচএম সেলিম আহমদ, কৃষক জাকারিয়া শিকদার, সার-বীজ ব্যবসায়ী হাফেজ মো. আমিন মিয়া, কন্দাল ফসল লতিরাজ কচুর সফল চাষী জাবের আহমদ।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুন্নবী (দশঘর), জীবন চন্দ্র  দেওকলস), দেওকলস ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান মিনু, কৃষি উদ্যোক্তা কয়ছর আহমদ, মো. নিজাম উদ্দিন, কৃষক সাইফুল হোসেন মোহন, আফরোজ আলী, আবদুর রউফ, সাজাদ মিয়া, ফরিদ আলী, আবদুল ওয়াহিদ, মকদ্দুছ আলী, ইকবাল হোসেন, মোজাক্কির হোসেন বাবুল, সাইদুর রহমান, গয়াছ আলী, সাব্বির রহমান, কৃষাণী নেহার বেগম, লিপি বেগম, রুহেলা বেগম, ছালেখা বেগম, দিলারা বেগম, মোমেনা খাতুন প্রমুখ।  

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

সিলেটে করোনার ভ্যাকসিন রাখার জন্য ওয়ারহাউজ প্রস্তুত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে করোনার ভ্যাকসিন রাখার জন্য ওয়ারহাউজ প্রস্তুত
ফাইল ছবি

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে দেশে এসেছে প্রায় ৭০ লাখ ডোজ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন। এর মধ্যে প্রায় ৪৫ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন আসবে সিলেট বিভাগে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে এই ভ্যাকসিন সিলেট পৌঁছার কথা। ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ওয়ারহাউজ। 

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান জানান, সিলেট বিভাগের চার জেলার জন্য ৩৭ কার্টুন ভ্যাকসিন আসবে। প্রতি কার্টুনে থাকবে ১ হাজার ২০০ করে ভ্যাকসিন। এর মধ্যে মৌলভীবাজারে ৫ কার্টুন, হবিগঞ্জে ৬ কার্টুন ও সুনামগঞ্জে যাবে ৭ কার্টুন ভ্যাকসিন। বাকি ১৯ কার্টুন ভ্যাকসিন বরাদ্দ থাকবে সিলেট জেলার জন্য। 

ডা. আনিসুর রহমান জানান, করোনা আইসোলেশন সেন্টার শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। 

এদিকে, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল জানান, টিকা রাখার জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্প্রসারিত টিকাদান প্রোগ্রাম (ইপিআই) ভবন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখানে সব ধরণের টিকা রাখা হয়। টিকা রাখার জন্য এটি আদর্শ ভবন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০১:৫০
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:১৭
প্রিন্ট করুন printer

যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে আসা ২৮ প্রবাসী করোনায় আক্রান্ত!

সিলেট ব্যুরো :

যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে আসা ২৮ প্রবাসী করোনায় আক্রান্ত!
ফাইল ছবি

যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসা ২৮ জন প্রবাসী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। দেশে ফেরার পর কোয়ারেন্টাইনে রেখে নমুনা পরীক্ষায় তারা করোনা পজিটিভ প্রমাণিত হন। তাদেরকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের সোমবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ২১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নং বিজি-২০২’তে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে আসেন ১৫৭ প্রবাসী। ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে বিভিন্ন হোটেলে রাখা হয়।

আগের নিয়ম অনুসারে, তাদের ৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা। তবে এর আগে তাদেরকে নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ প্রমাণিত হতে হয়। এ হিসেবে সোমবার তাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থেকে ছেড়ে দিতে গত রবিবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করানো হয়। এতে ২৮ জন করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন।

করোনায় আক্রান্ত এসব যাত্রীদের ১৫ জন হোটেল নূরজাহানে, ৫ জন হোটেল ব্রিটানিয়ায়, ৪ জন হোটেল হলিগেইটে, ৩ জন হোটেল লা রোজে ও একজন হোটেল হলি সাইডে অবস্থান করছিলেন।

বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, করোনাভাইরাসের পরীক্ষায় এসব যাত্রী পজিটিভ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে সিলেটের খাদিমপাড়াস্থ ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। এদিকে, এই দুঃসংবাদ পাওয়ার দিনে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১৪৩ সিলেটি। সোমবার দুপুরে তারা ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছার পর নেয়া হয়েছে কোয়ারেন্টাইনে।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২২:২৫
প্রিন্ট করুন printer

বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সুরেশ রঞ্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট :

বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সুরেশ রঞ্জন
ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ এবং মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক। অনুবাদ সাহিত্যের জন্য তিনি এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। সম্মানজনক এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিন।

সোমবার এ বছরের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী। তিনি জানান, এ বছর অনুবাদ সাহিত্যে অধ্যাপক ও অনুবাদক সুরেশ রঞ্জন বসাক পাচ্ছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। এ পুরস্কারের মূল্যমান তিন লাখ টাকা। সঙ্গে দেওয়া হয় সনদ ও ক্রেস্ট। এ বছর পুরস্কার তুলে দেওয়ার দিনক্ষণ ঠিক হয়নি।

পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় সুরেশ রঞ্জন বসাক বলেন, ‘বাংলা একাডেমির মতো একটি প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার প্রাপ্তি যে কোনো বিবেচনায়ই সম্মানের। এটা এক ধরনের স্বীকৃতিও। যদিও কোনো লেখকই স্বীকৃতি বা সম্মাননার জন্য লেখেন না, মনের আনন্দে লেখেন। কিন্তু স্বীকৃতি বা সম্মাননা পেলে সকলেরই ভালো লাগে। এটি বাড়তি পাওনার মতো। এই বাড়তি প্রাপ্তিতে আমারও ভালো লেগেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় চার দশক ধরে সাহিত্য চর্চা করছি। এই সময়ে মৌলিক সাহিত্যের পাশপাশি বিশ্ব সাহিত্যের বড় বড় কীর্তিগুলো বাঙালি পাঠকদের জন্য অনুবাদ করে চলেছি।’

অধ্যাপক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাকের জন্ম ১৯৫৩ সালে, চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত রয়েছেন। সুরেশ রঞ্জন বসাকের প্রকাশিত প্রবন্ধ ৫১টি, গ্রন্থ আছে ২৫টি। তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে- সাহিত্য: নিকট সময় দূরের দেশ, কালের কবিতা ও অন্যান্য প্রবন্ধ, শতাব্দির সাহিত্য, গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের গল্প, কাবুলের গ্রন্থবণিক, দ্য প্রফেট, রীবন্দ্রনাথ ও তিরিশোত্তর বাংলা কবিতা প্রভৃতি।

এদিকে, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি পরিবারের পক্ষ থেকে সুরেশ রঞ্জন বসাককে অভিনন্দিত করা হয়েছে।

এক অভিনন্দন বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার ৫ বছর পর ১৯৬০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। অত্যন্ত সম্মানজনক এই পুরস্কারে সুরেশ রঞ্জন বসাক মনোনীত হওয়ায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। বাংলা সাহিত্য সম্ভারে তিনি আরও বহুদিন মূল্যবান রত্ন যোগ করে যাবেন, এই আমাদের প্রত্যাশা।’

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর