শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:৪৭

ইউনেস্কো ক্লাব সম্মাননা পেলেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইউনেস্কো ক্লাব সম্মাননা পেলেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার

সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ইউনেস্কো ক্লাব সম্মাননা পেলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী চিকিৎসক ও সমাজ উন্নয়নকর্মী ডা. ফেরদৌস খন্দকার। 

বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে গত শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে চলতি বছর আরও যারা এই সম্মাননা পেয়েছেন তারা হলেন- কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, সাংবাদিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, সাহিত্যিক ও চিকিৎসক মোহিত কামাল, কথাসাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ৫ গুণীর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত ৫ গুণীকে তুলে দেওয়া হয় ক্রেস্ট, সম্মাননাপত্রসহ অন্যান্য উপহার সামগ্রী। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল আবু হেনা মোরশেদ জামান, বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা শামসুল মুক্তাদির।

অনুভূতি ব্যক্ত করে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বলেন, পৃথিবীতে আমরাই একমাত্র বীরের জাতি যে, আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলার জন্য জীবন দিয়েছি। বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাতা করেছি। মূলত বাঙালি জাতির দেখানো পথ ধরেই পৃথিবীতে যার যার মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলা ভাষার লেখক হিসেবে এটা আমাকে গর্বিত করে।

ডা. ফেরদৌস খন্দকার বলেন, দেশে বেড়ে ওঠা শিশু কিশোরদের পাশাপাশি যারা প্রবাসে বড় হচ্ছে তাদের কথাও আমাদেরকে মনে রাখতে হবে। বিশেষ করে তারা বাংলা ভাষা কতটা শিখতে পারছে, সেটা প্রতি নজর দিতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি সমন্বিত একটি উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

সম্মাননাপ্রাপ্ত ৫ গুণীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করে আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা শ্রেষ্ঠতম ভালোবাসা। বাঙালি জাতি বায়ান্ন ও একাত্তরে এ ভালোবাসার উজ্জ্বল নিদর্শন রেখেছেন। বায়ান্ন ও একাত্তরের চেতনার পথ ধরেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে।
 
 

বিডি প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য