শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ মে, ২০২১ ০০:১১
প্রিন্ট করুন printer

কীটনাশক প্রয়োগ না করেও দমন করা যায় ক্ষতিকর পোকামাকড়

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

কীটনাশক প্রয়োগ না করেও দমন করা যায় ক্ষতিকর পোকামাকড়
Google News

বরিশালে পান, সুপারি ও ডাল ফসলের পোকামাকড় শনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি শীর্ষক দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বরিশালের রহমতপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের হল রুমে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম। 

দক্ষিণাঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ পোকামাকড় শনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফল, পান, সুপারি ও ডাল ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূচি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরআই’র পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. এস এম শরিফুজ্জামান এবং পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. মো. কামরুল হাসান। 

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিনের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণে মূল প্রশিক্ষক ছিলেন কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. মাহবুবুর রহমান। 

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মাদারীপুরের আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সালেহউদ্দিন, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, পিএসও আলিমুর রহমান, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আনওয়ারুল মোনিম এবং কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক বক্তব্য রাখেন। 

প্রশিক্ষণে বাবুগঞ্জ, উজিরপুর ও আগৈলঝাড়ার ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ না করেও ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন করা যায়। এ জন্য জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। এতে ফসল নিরাপদ থাকে। পাশাপাশি বাজার মূল্যও ভালো পাওয়া যায়। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর