শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জুলাই, ২০১৬ ২৩:১৫

সোনালী ব্যাংকে ৫শ কোটি টাকার অনিয়ম দুর্নীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোনালী ব্যাংকে ৫শ কোটি টাকার অনিয়ম দুর্নীতি

আলোচিত হলমার্ক কেলেঙ্কারির পর নতুন করে প্রায় ৫০৭ কোটি ১৮ লাখ ৫১ হাজার ২৬৬ টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের। নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রকল্প ঋণ দেখিয়ে ‘মুন্নু ফেব্রিক্স’র মাধ্যমেই গায়েব করে দেওয়া হয়েছে ১৪৩ কোটি ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্লেজ ঋণের ঘাটতি মালামালের মূল্য নগদে আদায় ছাড়াই আসল ও সুদসহ বারবার ব্লক ঋণে রূপান্তর এবং প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট আদায় না করে পুনঃতফসিলিকরণ ও পর্যাপ্ত সহায়ক জামানত গ্রহণ না করে পুনরায় সিসি প্লেজ ঋণ নবায়নের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এমনকি ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ থাকা গ্রাহকের সম্পদ ও মালামাল পরিচালনা বোর্ড কিংবা উচ্চপদস্থদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন ব্যাংকটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। সংসদ ভবনে গতকাল অনুষ্ঠিত সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ব্যাংকটির ঋণ পুনঃতফসিল ও সুদ কার্যক্রমের ২০০৯-১০ অর্থবছরের হিসাবের ওপর বাংলাদেশের মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের উপস্থাপিত বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এসব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্লেজ ঋণের ঘাটতি মালামালের মূল্য নগদে আদায় ছাড়াই আসল ও সুদসহ বারবার ব্লক ঋণে রূপান্তর করা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট আদায় না করে পুনঃতফসিলিকরণ ও পর্যাপ্ত সহায়ক জামানত  গ্রহণ না করে পুনরায় সিসি প্লেজ ঋণ নবায়ন করা হয়েছে। এতে ব্যাংকের ৬১ কোটি ৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে। কমিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অমান্য করে যেসব কর্মকর্তা ঋণ পুনঃতফসিল করার সঙ্গে জড়িত তাদের দায়িত্ব থেকে অপসারণ,  ঋণগ্রহীতার জমাকৃত অর্থ ব্যাংকের হিসাবে নগদায়ন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তত্ত্বাবধান জোরদার এবং সংশ্লিষ্ট  প্রতিষ্ঠান যাতে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে পুনরায় ঋণ গ্রহণ না করতে পারে সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অন্যান্য  ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি অবহিত করার সুপারিশ করেছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর