শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪২

ভারত পিয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে

------ কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, পিয়াজের দাম এ মুহূর্তে বেশি। কোনোক্রমেই পিয়াজের দাম ১১০ টাকা কেজি থাকবে না। এটা অবশ্যই কমে আসবে। ভারত ইতিমধ্যেই পিয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে, কাজেই পিয়াজের দাম কমবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশনে গতকাল মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিরিন আখতারের (ফেনী-১) সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, এখন পিয়াজের মৌসুম। পাশের দেশ ভারত থেকে পিয়াজ আসছে, অন্যান্য দেশ থেকেও আসবে। এ ছাড়া আমাদের বিজ্ঞানীরা পিয়াজের উন্নতমানের জাত আবিষ্কার করেছেন এবং এখন হেক্টরে ২০, ২৫, ৩০ টন পর্যন্ত পিয়াজ উৎপাদন করা সম্ভব।

মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল : সরকারি দলের আয়েন উদ্দিনের অন্য এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পিয়াজ নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এটা ঠিক। গত মৌসুমে অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতেই পিয়াজ নষ্ট হয়ে যায়, ফলে অধিক ঘাটতির সৃষ্টি হয়। পাশের দেশ ভারত হঠাৎ পিয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির কারণে দেশে হু হু করে পিয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়, আমরা বাজারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। সরকার দ্রুত চীন, মিসরসহ কয়েকটি দেশ থেকে পিয়াজ আমদানি করে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে বর্তমানে দাম স্থিতিশীল রয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তবে আগামীতে পিয়াজ নিয়ে কোনো সংকট সৃষ্টি হবে না। যদি আমদানি করতেই হয়, তবে আগে থেকেই আমদানির ব্যবস্থা করা হবে। কৃষক যাতে পিয়াজ উৎপাদন করে ন্যায্যমূল্য পায় তার জন্য স্থানীয়ভাবে পিয়াজ সংরক্ষণের নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, দেশে ২৩ থেকে ২৪ লাখ মেট্রিক টন পিয়াজ উৎপাদন হয়, কিন্তু চাহিদা রয়েছে ৩০ থেকে ৩২ লাখ মেট্রিক টন। অবশিষ্ট চাহিদা পূরণে পিয়াজ আমদানি করা হয়। পিয়াজের বিষয়টি সরকার এবার গুরুত্বসহকারে নিয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নানা প্রণোদনা প্রদানের কারণে অতীতের তুলনায় এবার অধিক হারে পিয়াজ উৎপাদন হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা আমদানি বন্ধ করে দেশে পিয়াজ উৎপাদনকারী কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সে ব্যবস্থা করব। কারণ পিয়াজ পচনশীল। ভরা মৌসুমে কৃষক পিয়াজ খুব অল্পমূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এতে পিয়াজ উৎপাদনে তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। আগামীতে এটা যেন না হয় সে ব্যাপারে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর