শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২৩:৩৮

জেলে সম্প্রদায়ের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাইকার সঙ্গে চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জেলে সম্প্রদায়ের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাইকার সঙ্গে চুক্তি
Google News

কক্সবাজারের জেলে সম্প্রদায়ের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। গতকাল সংস্থাটির বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ ইউহো হায়াকাওয়া এবং ওয়ার্ল্ড ফিশের ডিরেক্টর জেনারেল গ্যারেথ জনস্টোন একটি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। জানা গেছে, কক্সবাজারের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনধারণে সহনশীলতা বাড়াতে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। মৎস্য অধিদফতর ও জাইকা বাংলাদেশের সহযোগিতায় পাইলট প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ‘দ্য কনসোর্টিয়াম অব ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সেন্টারের (সিজিআইএআর) অধীনে অলাভজনক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশ। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো, নানা সংকটের মধ্য দিয়ে চলা স্থানীয় জেলেদের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কিছু অনুশীলন প্রণয়ন করা। দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জীবনযাত্রা পাল্টে দিয়েছে ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।

 বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়ের। স্থানীয়দের মজুরি কমেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভূমি এবং উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্তি কমেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় বঙ্গোপসাগরে বছরের বিভিন্ন সময়ে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা।

এত সংকটের সঙ্গে করোনা যুক্ত হয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া, সদর ও মহেশখালীর মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রাকে নাজুক করে তুলেছে। চলমান পরিস্থিতিতে এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ উন্নত করা, বঙ্গোপসাগরে পরিকল্পিতভাবে মাছ ধরা ও ছোট পরিসরে যারা মাছ ধরে এরকম পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে। উপকূলীয় এই এলাকার ইকো সিস্টেম পুনরুদ্ধার এবং সামাজিক সহনশীলতা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছে জাইকা। এই পাইলট প্রকল্পটির এসডিজির লক্ষ্যগুলো হচ্ছে : ১. দারিদ্র্য অবসান ২. ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা ৩. সবার জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করা ৪. সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার অর্জনে অবদান রাখা।

এই বিভাগের আরও খবর