শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:২৩

কয়লা গায়েব মামলা

বড়পুকুরিয়ার সাবেক এমডি কারাগারে

দিনাজপুর প্রতিনিধি

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা গায়েব ঘটনার মামলায় দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক সাত ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২৩ জন আত্মসমর্পণ করার পর ২০ জনকে জামিন দিয়েছে আদালত। এ সময় তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে একজন এমডি প্রকৌশলী হাবিব উদ্দীন আহমেদ। অন্য দুজন হলেন গতকাল দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজ আহমদ ভূঞা এ আদেশ দেন। এদিন সাত ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২৩ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। বাদী ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে বিচারক এ আদেশ দেন।

জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশভুক্তরা হলেন- ঘটনা ধরা পড়ার সময়কার এমডি প্রকৌশলী হাবিব উদ্দীন আহমেদ, মাইন অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আবু তাহের মো. নুরুজ্জামান চৌধুরী ও স্টোর বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ কে এম খালেদুল ইসলাম।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দিনাজপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের মামলা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট এম আমিনুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে ১ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন কয়লা, যার আনুমানিক মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা, গায়েবের ঘটনায় সাবেক সাত এমডিসহ ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন কয়লা চুরি হয় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে। এর আনুমানিক মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা ৮৪ পয়সা। এ ঘটনায় দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। কয়লা গায়েবের ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আনিসুর রহমান বাদী হয়ে গত বছর ২৪ জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করা হয়। মামলাটি দুদকের তফশিলভুক্ত হওয়ায় দুদক কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরে দুদকের উপপরিচালক সামসুল আলম তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে মামলা তদন্ত করেন। ২৪ জুলাই এ মামলায় অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা দ-বিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে।


আপনার মন্তব্য