শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৫০

পাঁচ বছরে ৫১ প্রকল্প বাস্তবায়ন

দুপচাঁচিয়া পৌরসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

পাঁচ বছরে ৫১ প্রকল্প বাস্তবায়ন

দুপচাঁচিয়া পৌরসভায় প্রায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। আরও আট কোটি টাকার ছয়টি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার রয়েছে। ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল হোসেন মেয়র নির্বাচিত হন। খ ক্যাটাগরির পৌরসভা নিয়ে তার যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। মেয়র বেলাল ৪ বছর ১০ মাস তার দায়িত্ব পালনকালে পৌর অডিটরিয়াম, রাস্তাঘাট, সেতু-কালভার্ট, ড্রেন, মসজিদ, মন্দিরের উন্নয়নসহ ৫১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা। রাস্তা আলোকিত করা, পয়ঃনিষ্কাশন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, হাট-বাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মাদক দমন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, ৮০ ভাগ পৌরকর আদায়, ৯৯ ভাগ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের কাজ হয়েছে। মেয়র বেলাল জানান, টেন্ডারবাজি ছাড়াই সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে। ২৪ কোটি ৯২ লাখ ৯৯ হাজার টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রায় ৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় পৌর অডিটরিয়াম, এক কোটি এক লাখ টাকায় মেইল বাসস্ট্যান্ড থেকে ধাপ হাটের রাস্তা কার্পেটিং, আরসিসি ড্রেন নির্মাণ, প্রায় এক কোটি টাকায় উপজেলা পরিষদ মোড় থেকে মহিলা কলেজ হয়ে তিষিগাড়ী পর্যন্ত রাস্তার কার্পেটিং ও আরসিসি ড্রেন নির্মাণ, প্রায় এক কোটি টাকায় দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোল চত্বরসহ রাস্তার সৌন্দর্য্য বর্ধন, ৫৫ লাখ টাকায় মরাগাঙ্গী খালের উপর ব্রিজ, প্রায় ৪০ লাখ টাকায় বোরাই কালীবাড়ি মহাশশ্মানের চুল্লি, সীমানা প্রাচীর ও বসার স্থান, ২৭ লাখ টাকায় ডিমশহর স্কুলের গেটসহ সীমানা প্রাচীর ও গাইডওয়াল নির্মাণ, ৩০ লাখ টাকায় ধাপহাটের ঈদগাহ মাঠ আরসিসিকরণ। ১৬ লাখ টাকায় সিও অফিস সাবস্ট্যান্ডে ইলেকট্রিক পোল স্থাপন ও স্টিক লাইটিংকরণ, প্রায় সাত লাখ টাকায় সিও অফিস বাসস্ট্যান্ডে আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণ। এছাড়া প্রায় ৮ কোটি টাকায় ছয়টি প্যাকেজে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্পগুলোর কাজ শুরুর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  মেয়র জানান, শিশুদের বিনোদনের জন্য শিশু পার্ক ও পৌর মার্কেট নির্মাণ জরুরি। জায়গার অভাবে করা যায়নি। রিকশা, ভ্যান, ভটভটি স্ট্যান্ডসহ পাবলিক টয়লেট স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও জায়গার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। এ প্রকল্পগুলোও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মেয়র বেলাল।


আপনার মন্তব্য