শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ মার্চ, ২০২০ ০০:০৪

বাঘাবাড়িতে ৭০০ শ্রমিকের মানবেতর জীবন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

বাঘাবাড়িতে ৭০০ শ্রমিকের মানবেতর জীবন

করোনার প্রভাবে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ি নৌবন্দর অচল হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ৭০০ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন এনজিও ও বিভিন্ন সমিতি থেকে উচ্চ সুদে নেওয়া ঋণের কিস্তি দিতে না পেরে তারা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। এদিকে বন্দরে কোনো কাজ না থাকায় লেবার ইজারাদাররা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ ছাড়া সার সরবরাহ বন্ধ থাকায় চলতি সেচ মৌসুমে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সারের কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কায় রয়েছে। বন্দর লেবার এজেন্ট ও শ্রমিকরা এ বিষয়ে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বাঘাবাড়ি নৌবন্দরের লেবার এজেন্ট আবদুস সালাম ব্যাপারী জানান, করোনার প্রভাবে নৌপথে চট্টগ্রাম থেকে বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে গত এক মাস কম জাহাজ চলাচল করেছে। আর গত ১ সপ্তাহ ধরে সারবাহী কার্গো-জাহাজ আসা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে এ বন্দরে কর্মরত প্রায় ৭০০ শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বাঘাবাড়ি নৌবন্দরের শ্রমিক আজিবর খান, আলাউদ্দিন ও আল মাহমুদ জানান, গত ১ সপ্তাহ ধরে কোনো কাজকর্ম নেই। এর মধ্যে বিভিন্ন এনজিও ও বিভিন্ন সমিতি থেকে উচ্চ সুদে নেওয়া ঋণের কিস্তি দিতে না পেরে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। এনজিও কর্মীরা কিস্তি নিতে বাড়িতে এসে ভিড় করছে। আমরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে ফিরছি। কৃষক আবু ইউসুফ, হোসেন আলী, মকদম আলী ও রওশন সরকার জানান, বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে সারবাহী জাহাজ না এলে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ইরি-বোরো আবাদে সার সংকট সৃষ্টি হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নৌবন্দরের উপ-পরিচালক সাজ্জাদ আলম ও বাফার গুদামের ইনচার্জ সোলায়মান জানান, উত্তরাঞ্চলে ১৪টি বাফার গুদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে সার মজুদ আছে। ফলে সংকটের আশঙ্কা নেই। তিনি কৃষকদের এ বিষয়ে শঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর