শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ মে, ২০২১ ০০:০৫

আম সরবরাহ নিয়ে শঙ্কায় চাঁপাইয়ের ব্যবসায়ীরা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

আম সরবরাহ নিয়ে শঙ্কায় চাঁপাইয়ের ব্যবসায়ীরা
Google News

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৫ মে থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুরু হয়েছে সাত দিনের বিশেষ লকডাউন। কভিড পরিস্থিতির উন্নতি না হলে গতবারের মতো এবারও জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম বাজারে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম আর দুই সপ্তাহের মধ্যেই পুরোদমে বাজারে চলে আসবে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এই আম সারা দেশে স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ করা যাবে কি না এ নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন জেলার আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। শিবগঞ্জের বাগান মালিক আবদুল লতিফ ও নাজিম উদ্দিন জানান, গত বছর লকডাউনের কারণে আমের পরিচর্যা সঠিকভাবে না করা এবং কীটনাশক ব্যবহার করতে না পারায় দেশব্যাপী আম সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এতে কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের। চলতি মৌসুমে আম ব্যবসায়ীরা গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাগানের ব্যাপক পরিচর্যা করেছেন। ফলে এবার জেলায় বিপুল পরিমাণ আম এসেছে, যা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাজারে নামতে শুরু করবে। করোনা সংকটের কারণে যদি আম এবারও বাজারে পাঠানো না যায় তাবে বাগান মালিক, আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা বড় অঙ্কের লোকসানে পড়বেন।

চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন : চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা  মোকাবিলায় ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত প্রশাসন সাত দিনের বিশেষ লকডাউন ঘোষণা করেছে। গতকাল তৃতীয় দিনে অনেক স্থানে লকডাউন পালিত হচ্ছে ঢিলেঢালাভাবে। শহরের বারঘরিয়ায় মানুষজনকে অবাধে চলাচল করতে দেখা গেছে। গত বুধবার শিবগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে বসেছে সাপ্তাহিক হাট।

এতে লকডাউনের লক্ষ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। সচেতন মানুষ মনে করছেন, লাকডাউনে আরও কঠোরতা অবলম্বন করা হোক। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৪ জনের পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ৭ দিনের বিশেষ লকডাউন দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট না, এটি স্থানীয় সমস্যা। আর জেলায় লকডাউন সফল করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ইকবাল হোছাইন। প্রসঙ্গত, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৫২৯ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে এক হাজার ৮৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। মারা গেছেন ২৮ জন। জেলার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২১ জন।

এই বিভাগের আরও খবর