শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ আগস্ট, ২০২১ ২৩:১৯

উপহারের ঘর পেয়ে খুশি তারা

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

উপহারের ঘর পেয়ে খুশি তারা
Google News

সবুজে ঘেরা পারিবেশে সারি সারি ঘর। প্রতিটি ঘরের পেছনে নানা জাতের গাছ। সামনে যার যার সীমানার খোলা জায়গা। কেউ বাগান করেছেন, কেউ করেছেন সবজি চাষ। অনেকে আবার নিজ ঘরের সামনে রঙিন তোরণ বানিয়ে আরও দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছেন। রয়েছে সার্বক্ষণিক বিনামূল্যের বিদ্যুৎ সুবিধা। বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে প্রতি ১০ পরিবারের জন্য স্থাপন করা হয়েছে একটি গভীর নলকূপ। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের জমিসহ ঘর পেয়ে দারুণ খুশি সুবিধাভোগীরা। স্ত্রী-সন্তান বসবাস করেন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের স্বপ্নের ঠিকানায়। পুরুষ অভিভাবকরা কাজ করেন ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়। অনেক পরিবার পালন করছে হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশু। তবে করোনা মহামারীতে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। অভাবে তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়লেও বাসস্থান থাকায় খুশি তারা। জমিসহ পাওয়া ঘর এখন অসহায় মানুষগুলোর নিজস্ব সম্পত্তি। সুবিধাভোগী আবদুল ওয়াহেদ বলেন, ‘আমাদের এখানকার ঘরগুলো বেশ টেকসই। অন্য জেলার যে সব কথা শুনেছি তাতে আমরা চিন্তায় ছিলাম। সে তুলনায় আমাদের সব ঘর সুন্দর এবং ভালোমানের।’ আরেক সুবিধাভোগী গৃহবধূ নাজমা বলেন, ‘আমি নামাজ পড়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করি। তাঁর দানে আল্লাহর রহমতে আজ আমরা সুখে আছি। আল্লাহ যেন ওনাকে দীর্ঘজীবী করেন।’ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আমরা দুই দফায় ১৭৫টি ঘর বরাদ্দ পেয়েছি। এর মধ্যে ১০০ ঘর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে প্রতি পারবারে দুই শতাংশ জমিসহ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ৭৫টি ঘরের নির্মাণ প্রক্রিয়া চলমান। কাজ শেষ হলেই তা হস্তান্তর করা হবে।’

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, ‘আমরা নিজেদের তত্ত্বাবধানে ঘরগুলো নির্মাণ করেছি। আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার (বাসস্থান) শতভাগ ত্রুটিমুক্ত করার। আমাদের আরও পরিকল্পনা আছে আশ্রয়ণ প্রকল্পে সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর সন্তানেরা যাতে লেখাপড়া শিখতে পারে সে জন্য প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা।’ জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, ‘বরাদ্দ অনুযায়ী আমাদের জেলার ঘরগুলো উন্নতমানের হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন তত্ত্বাবধান করায় এর গুণগতমান ভালো হয়েছে। আশা করছি দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্যায়ের ঘরগুলো আরও উন্নতমানের হবে।’

এই বিভাগের আরও খবর