বগুড়ার ধুনটে জোড়শিমুল সরকারি হাটের জায়গায় ১৮টি অবৈধ স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নোটিশ দিয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) রাজিয়া সুলতানা। কিন্তু নোটিশ প্রদানের ১৯ দিনেও সরকারি হাটের জায়গা থেকে ওই সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়নি। এতে হাটের খাজনা না পেয়ে লোকশানের মুখে পড়তে হয়েছে হাটের ইজারাদারকে।
জানা গেছে, বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশী ইউনিয়নের পারলক্ষিপুর মৌজার ৩০৪৬ নং দাগে ৫৮ শতক জমি জোড়শিমুল হাটের জন্য প্রতিবছর ইজারা দেওয়া হয়। চলতি বাংলা ১৪২৫ সালের জন্য ধুনটের হামিম ইমপেক্সের সত্ত্বাধিকারী ফেরদৌস আলম শ্যামল ৪ লাখ ৮ হাজার টাকায় সরকারী ওই হাটটি ইজারা নিয়েছেন। কিন্তু হাটটি ইজারা নেওয়ার পর থেকেই ওই হাটের ১৮টি অবৈধ স্থাপনার ব্যবসায়ীরা ইজারাদারকে কোন খাজনা প্রদান করেন না। এতে হাটের খাজনা না পেয়ে ইজারাদারের লোকশান গুনতে হচ্ছে।
এবিষয়ে গত ৬ মে ইজারাদার ফেরদৌস আলম শ্যামল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে গত ১০ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সার্ভেয়ার দিয়ে জায়গা নির্ধারণ করে ওই হাটের ১৮টি অবৈধ স্থাপনা ৭দিনের মধ্যে অপসারনের জন্য নোটিশ প্রদান করেন।
ইজারাদার ফেরদৌস আলম শ্যামল জানান, সরকারী হাটের জায়গায় অবৈধ স্থাপনাগুলো ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের জন্য ইউএনও নোটিশ প্রদান করেছে। কিন্তু ১৮ দিনেও ওই সকল অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করেনি। এতে হাটের খাজনা আদায় না হওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে।
বগুড়ার ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া সুলতানা বলেন, সরকারী হাটের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এতেও যদি তারা অপসারণ না করে তাহলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার