শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৯, শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫ আপডেট: ০১:৫৭, শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

আমাদের পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, প্রাকৃতিক, যত রকমের বিপদ-আপদ ঝড়ঝঞ্ঝাই দেখা দিক না কেন, প্রথম ধাক্কাটাই ঠিক ঠিক পড়ে গিয়ে মেয়েদের ওপরে। সেই যে হাওড়ে বিপন্ন হয় প্রায় দুই কোটি মানুষ, অবর্ণনীয় কষ্ট সবারই হয়, কিন্তু সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ যে পোহাতে হয় মেয়েদেরই, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এনজিও ঋণ মহাজনী ঋণের চেয়ে কম দুর্বিষহ নয়। সেটা তো জানাই আছে আমাদের। কিন্তু ঘরের মানুষটি যে তার চেয়েও নির্মম হতে পারে সে-ও সত্য। জেনেছিল তা বগুড়ার সেই গৃহবধূটিও, স্বামী যাকে ঘরের ভিতরে জ্যান্ত পুঁতে ফেলার আয়োজন করেছিল। উদ্ধার করে এনজিওর লোক।

তারা ত্রাণকার্যে আসেনি, এসেছিল ঋণের কিস্তি উশুলের জন্য। মেয়েটি ঋণ করেছে এনজিও থেকে, সেই টাকা বিনিয়োগ করে আয়-উপার্জনের কিছু করত নিশ্চয়ই। কিন্তু স্বামী সন্তুষ্ট ছিল না, স্বামী চাপ দিত বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার। এনেছেও। বার কয়েক এনেছে। শেষে আর পারবে না বলায় স্বামী তাকে প্রহার করেছে, অজ্ঞান করে ফেলেছে এবং নিশ্চিহ্ন করে ফেলে দেবার জন্য ঘরের ভিতরে মাটিতে জ্যান্ত কবর দেওয়ার ব্যবস্থা সুসম্পন্ন করেছিল। সুদের টাকা আদায়ওয়ালারা সময়মতো উদিত না হলে ঘরের ভিতরই কবর হতো। অন্ধকারে। মৃতেরা কবর দাবি করে, কিন্তু জীবিতদেরও অনেকেই কবরেই থাকে, বিশেষ করে মেয়েরা।

অর্থের দাপট দেখেছেন, সেই দাপটের সঙ্গে পুরুষতান্ত্রিকতা যুক্ত হয়ে মেয়েদের জীবন কীভাবে দুর্বিষহ করে তুলেছে সেটা লক্ষ করেছেন? ক্ষমতাবানদের হাতে তারা কেমনভাবে সামগ্রী হিসেবে ব্যবহৃত, তা দেখে তার হৃদয়-পীড়ার কোনো সীমা ছিল না। সময় বদলেছে। আমাদের সমাজে মেয়েরা অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু এখনো তারা পুরুষের সমান অধিকার ও সুযোগ পায়নি। মূল ক্ষমতা পুরুষের হাতেই। সম্পত্তি অর্থবিত্ত সবই পুরুষের পক্ষে, সামাজিক সংস্কারও পুরুষকেই সমর্থন করে। মেয়েরা বিদ্যালয়ে প্রথম হলেও হতে পারে, এখন হচ্ছে, কিন্তু তার বাইরে সর্বত্রই তারা দ্বিতীয়।

তবে আগের দিনের তুলনায় মেয়েরা এখন নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অধিক সচেতন। এখন তারা করুণাপ্রার্থী নয়, ক্ষমতাপ্রার্থী। সমাজে কিছু কিছু পরিবর্তন ঘটেছে এটা নিশ্চয়ই বলা যাবে, কিন্তু সেসব অগ্রগতির পেছনেও মূল শক্তিটা পুরুষের। সেখানে করুণা ছিল না, ছিল অর্থনৈতিক বিন্যাসে পরিবর্তন। ওই পরিবর্তনই নারীকে পেশা, শিক্ষা ও উপার্জনের কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে। ওইটুকুই, তার বেশি কিছু নয়।

ক্ষমতা পুরুষের হাতেই। পুরুষ তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির সুযোগ নেয়, সেই সুযোগে নারীর ওপর কর্তৃত্ব করে। সন্তান ধারণের যে ক্ষমতা নারীর জন্য অসুবিধার কারণ হয় কিংবা হওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেই অসুবিধার সুযোগও পুরুষ গ্রহণ করে এবং গ্রহণ করে নারীকে ভোগ্যসামগ্রীতে পরিণত করার ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদাররা মেয়েদের ওপর যে লাঞ্ছনা ঘটিয়েছিল, সেটি ছিল ওই গণহত্যার নিকৃষ্টতম অধ্যায়। আজ স্বাধীন বাংলাদেশেও নারী নির্যাতনের কোনো অবধি নেই। ধর্ষণ এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। আর ধর্ষণ যে কেবল বেআইনিভাবে হচ্ছে তা নয়, আইনিভাবেও হয়ে থাকে। ঘটে থাকে তা স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্কের ভিতরে থেকেও। প্রতি বছর অসংখ্য নারী-শিশু বিদেশে পাচার হচ্ছে। পাচার করছে পুরুষরাই। টাকার লোভে।

মেয়েদের কাজের যথার্থ মূল্যায়ন যে প্রায় অসম্ভব, সেটাও ওই পুরুষতান্ত্রিকতার কারণেই। এমনকি মেয়েরাও মেনে নেয় পুরুষের মূল্যায়ন। একাত্তরের যুদ্ধে আমাদের বিজয়ের পেছনে মেয়েদের যে অবদান, সেটা যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি। হয়তো হবেও না। মাঝখানে আবার বীরাঙ্গনা নাম দিয়ে কাউকে কাউকে বিড়ম্বিত করা হয়েছে। মেয়েরা প্রাণ হারিয়েছে তো বটেই, সম্ভ্রমও হারিয়েছে, আত্মহত্যাও করেছে। পুরুষদের তবু সুযোগ ছিল সরে যাবার, আত্মগোপন করার, সীমান্ত অতিক্রম করে গিয়ে প্রাণ বাঁচাবার। মেয়েরা আটকে পড়ে গেছে। স্বামী, ভাই, পিতাকে না পেয়ে হানাদাররা শোধ তুলেছে মেয়েদের ওপর। ইতিহাস লেখার সময় এই অংশটাকে আমরা যেন না ভুলি।

একাত্তরের যুদ্ধের সূচনাপর্বে শেখ মুজিবুর রহমান সাতই মার্চের বক্তৃতায় বাঙালি জাতির একক প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছিলেন। রেসকোর্সের মাঠে সেদিন মেয়েরাও ছিল, দেশজুড়ে ছেলেদের সঙ্গে মেয়েরাও ওই বক্তৃতা শুনেছে। বক্তৃতাতে তিনি ভাইদেরই সম্বোধন করেছিলেন, ‘ভায়েরা আমার’ই বলেছিলেন। সেদিন ওই ভাই সম্বোধনে কোনো অপূর্ণতা ছিল বলে মনে হয়নি। কেননা নারী-পুরুষনির্বিশেষে সেদিন সবাই সবার ভাই। বিচ্ছিন্নতা ছিল না। কিন্তু পরে তো বিচ্ছিন্নতা ঠিকই দেখা দিয়েছে। হানাদারদের আক্রমণের মুখে মেয়েদের বিপদটা ছিল নিশ্চুপ ও অবগুণ্ঠিত। মেয়েরা নিজেরাও চায়নি তাদের ওপর দিয়ে কী ধরনের বিপদ ও দুর্ভোগ গেছে সেটা উন্মোচিত হোক। আত্মীয়স্বজনও চেয়েছে, ব্যাপারটা অজানাই থাকুক। ঐক্য ও সংকটের ওই বিশেষ মুহূর্তে ‘আমরা’ বলতে জনগণ আওয়ামী লীগ, বোঝেনি। সমগ্র জাতিকেই বুঝেছে। যে জাতির মধ্যে নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান, গরিব-ধনী সবাই ছিল। বিচ্ছিন্নতা তখন ছিল না ঠিকই, কিন্তু পরে তা চলে এসেছে এটা তো সত্য। বিশেষ করে যুদ্ধ শেষে। তখন সব বাঙালি আর এক থাকেনি, নানাভাবে বিভক্ত হয়ে গেছে। এবং মূল বিভাজনটা ঘটেছে ক্ষমতার কারণেই। পদপদবি সবাই পায়নি, পেয়েছে অল্প কিছু মানুষ, বাদবাকিরা নিক্ষিপ্ত হয়েছে বঞ্চনার প্রাচীন অন্ধকারে। সাধারণভাবে বলতে গেলে নারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং সর্বোপরি গরিব মানুষ ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এরা সমাজের দুর্বলতর অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্ষমতায়নের প্রশ্নটা তাই সমস্যাই রয়ে গেল। তার মীমাংসা হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজও মেয়েদের সঠিক প্রতিনিধিত্ব হয় না। এতে বিশেষভাবে তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতার অভাবটা প্রতিফলিত হয়। সাধারণ আসনে তারা সাধারণত মনোনয়ন পায় না। কদাচিৎ মনোনয়ন পেলেও জয়ী হওয়া কষ্টকর হয়। মেয়েদের জন্য যে ৫০টি আসন সংরক্ষিত আছে, তাতে নির্বাচন নেই, মনোনয়ন রয়েছে। প্রধানত সরকারি দলের সদস্যরাই মনোনীত হয়ে ওই আসনের প্রায় সবটা পেয়ে যায়। সংসদে পাওয়া আসনের অনুপাতে নামমাত্র বণ্টন হয় অন্যদের মধ্যে। স্বভাবতই দাবি ওঠে আসনসংখ্যা বৃদ্ধির এবং সরাসরি নির্বাচনের। মেয়েরা যেহেতু সমানভাবে আসতে পারছে না, তাই প্রাথমিকভাবে প্রতি তিনটি সাধারণ আসনের বিপরীতে একটি অর্থাৎ সব মিলিয়ে ১০০ আসন তাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা অযৌক্তিক মনে হয় না। এবং সে নির্বাচন অবশ্যই সরাসরি হতে হবে।

কিন্তু তাতে কি ক্ষমতায়নের সমস্যার সমাধান হবে? মোটেই না। ক্ষমতায়নের মূল বিষয়টা হলো সর্বক্ষেত্রে অধিকার ও সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠা। সেটা গণতন্ত্রেরও মূল কথা বৈকি। মেয়েদের সমান অধিকারের কথা সংবিধানে সুন্দর করে লেখা আছে, কিন্তু বাস্তবে সেসব অধিকার মোটেই নেই। তাদের জন্য সুযোগও সামান্য। সুযোগ পেলে তারা যে পুরুষদের তুলনায় মোটেই পিছিয়ে থাকবে না তার প্রমাণ  বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের ইতোমধ্যে অর্জিত সাফল্য। কিন্তু ওইটুকুই। তার বাইরে তারা কেবল বঞ্চিত নয়, রীতিমতো বিপন্ন। ক্ষমতাবান পুরুষ। বিদ্যাসাগরের ভাষায় পুরুষ জাতি তাদের নানাভাবে বঞ্চিত ও বিপন্ন করেছে।

নারীর ক্ষমতায়নের জন্য আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। সেটাই হওয়া দরকার আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনে সংসদীয় গণতন্ত্র কী ধরনের ভূমিকা রাখবে, সে নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ক্ষমতা বড়ই নৃশংস প্রাণী, সবকিছুকে সে তার ভোগের সামগ্রী করতে চায়। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও দুর্বলের ক্ষমতায়ন যে সহজ ব্যাপার নয়, এবং তা যে সংগ্রাম ভিন্ন অর্জিত হয় না সেই নির্মম সত্যটি আমরা যেন কখনোই উপেক্ষা না করি। এ ব্যাপারে আপস বা অল্পে সন্তুষ্টির কোনো জায়গা নেই।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
চাঁদাবাজি-মাদক দমনে এখনই সুবর্ণ সুযোগ
চাঁদাবাজি-মাদক দমনে এখনই সুবর্ণ সুযোগ
সর্বশেষ খবর
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৫ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারে চোরাচালানের অভিযোগে আটক ২
কক্সবাজারে চোরাচালানের অভিযোগে আটক ২

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন