নান্দনিক নির্মাণ শৈলী দিয়ে দৃষ্টিনন্দন ও সৌন্দর্য মন্ডিত বাংলাদেশের বৃহৎ দিনাজপুরের ঈদগাহ ঐতিহাসিক গোর এ শহীদ বড় ময়দানে ঈদের জামাত সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে আদায়ের লক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে এক সাথে ৫ লাখের অধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।
আজ রবিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে আগামী ঈদ উল ফিতরের জামাত সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে আদায়ের লক্ষে প্রস্তুতিমূলক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ড. আবু নঈম মুহাম্মদ আব্দুছ ছবুরের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এম ইকবালুর রহিম এমপি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার হামিদুল আলম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম, কোতয়ালী আওয়ামী লীগের আনোয়ারুলসহ বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনীতিসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, এই দৃষ্টিনন্দন ঈদগাহে মিনারে রয়েছে ৫২টি গম্বুজ। প্রধান গম্বুজের সামনে রয়েছে মেহরাব, যেখানে ইমাম দাড়াবেন, তার উচ্চতা ৪৭ ফুট। এর পাশাপাশি রয়েছে ৫১টি গম্বুজ। এছাড়া ৫১৬ ফুট দৈর্ঘ্যরে ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে। ঈদগাহ মাঠের দু'ধারে করা হয়েছে অজুর ব্যবস্থা। পুরো মিনার সিরামিক্স ইট দিয়ে আচ্ছাদিত করা হয়েছে। প্রতিটি গম্বুজ ও মিনারে রয়েছে বৈদ্যুতিক লাইটিং। রাত হলেই ঈদগাহ মিনার আলোকিত হয়ে ওঠে।
দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ ইকবালুর রহিমের পরিকল্পনা এবং জেলা পরিষদের অর্থায়নে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। ইরাকের মসজিদে নব্বী, কুয়েত, ভারত ও ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের স্থাপনার আদলে এই ঈদগাহ ময়দান সাজানো হয়েছে।
২০১৫ সালের ঐতিহাসিক গোর এ-শহীদ ময়দানের পশ্চিম প্রান্তের প্রায় অর্ধেক অংশ জুড়ে কাজ শুরু হয়। নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে শত বছরের স্টেশন (অফিসার্স) ক্লাব অন্য প্রান্তে সরিয়ে দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে এক কোটি ৯০ লাখ টাকা আলাদা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানা গেছে। মিনার কেন্দ্রিক মাঠের আয়তন ২০ থেকে ২২ একর। তবে মাঠের মধ্যে আরও কিছু স্থাপনা অপসরণের কাজ চলছে। যা শেষ হওয়ার পর পুরো মাঠের আয়তন হবে ৬৫ একর।
বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার