Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ মার্চ, ২০১৯ ১৯:৪৮

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফের উত্তপ্ত ঝিনাইদহ পদ্মকর ইউনিয়ন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফের উত্তপ্ত ঝিনাইদহ পদ্মকর ইউনিয়ন

দুই আওয়ামী লীগ নেতার এলাকায় অাধিপত্য বিস্তার, বাজার দখল নিয়ে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পদ্মাকর ইউনিয়ন। গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটা হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এলাকাবাসী মনে করছেন এই পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে গত ৩ বছর আগের মত নিহতের ঘটনাও ঘটতে পারে।

জানা যায়, সদর উপজেলার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হাটগোপালপুর বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিতে বছরের পর বছর পদ্মাকর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ নিজামুল গনি লিটু ও সাবেক চেয়ারম্যান ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বিকাশ বিশ্বাসের সমর্থকদের বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন উপলক্ষে আবারো উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে ওই ইউনিয়ন। গত ১ সপ্তাহে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। প্রতিদিন ঘটছে মারধর ও ভাংচুরের ঘটনা।

গত ১২ মার্চ উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর করা হয় দোকানপাট। সর্বশেষ শনিবার রাতে বিকাশ বিশ্বাসের সমর্থকরা লিটুর সমর্থকদের বাড়িঘর, দোকান পাটে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, লুটপাট করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিশোধ নিতে রবিবার সকালে লিটু চেয়ারম্যানের সমর্থকরা সাবেক চেয়ারম্যান বিকাশ বিশ্বাসের সমর্থকদের বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করে।

বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ নিজামুল গনি লিটু বলেন, আমি শান্তি চাই। কিন্তু বিকাশ বিশ্বাসের সমর্থকরা আমার সমর্থকদের বাজারে যেতে দেয় না। আমার সমর্থকদের মারধর করা হচ্ছে। আমি চাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক আর এ সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করুক।

সাবেক চেয়ারম্যান বিকাশ বিশ্বাস বলেন, চেয়ারম্যান লিটু ও জেলা পরিষদের সদস্য ইমাজুল বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে আমার সমর্থক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মারধর করছে। আমি কোন অশান্তি চাই না।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান বলেন, মারামারি যারা করবে তার দায়ভার তারাই বহন করবে। সম্প্রতি মারামারির ঘটনায় ২ টি মামলা হয়েছে। গ্রেফতারও হয়েছে কয়েকজন। যারা এ ধরনের কাজ করছেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
 
বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য