শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৮:০৩

কুমেক হাসপাতালে দীর্ঘ জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে চিকিৎসক ও রোগী

মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা

কুমেক হাসপাতালে দীর্ঘ জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে চিকিৎসক ও রোগী

বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীর মানুষের প্রধান ভরসাস্থল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল। প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী সেবা নিতে আসেন এ হাসপাতালে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে নিয়মিত ভর্তি থাকেন এক হাজারের বেশি রোগী। এ হাসপাতাল বৃহত্তর কুমিল্লার একমাত্র করোনা চিকিৎসালয়। গত এক সপ্তাহের বৃষ্টিতে হাসপাতাল আঙিনায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসক, স্টাফ, রোগী ও রোগীর স্বজনরা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটকের সামনে হাঁটু সমান পানি। অন্য ফটক দিয়ে রোগী ও রোগীর স্বজনরা আসা-যাওয়া করলেও সেখানেও রয়েছে জলাবদ্ধতা। আশেপাশের ময়লা আবর্জনা ভাসছে হাসপাতাল আঙিনায়। নিচতলার এক্সরে বিভাগ সংলগ্ন স্থান ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে গেছে। হাসপাতাল মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা অনেকটা পুকুরে পরিণত হয়েছে। হাসপাতাল এলাকা নিচু হওয়াতে আশেপাশের সব পানি ঢুকে পড়ছে। মুমূর্ষু রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য পরিবহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। রাতে জরুরি প্রয়োজনে বের হতে পারছেন না রোগীর স্বজনরা। করোনার কারণে বহির্বিভাগে রোগী অর্ধেক কমে গেছে, বৃষ্টির কারণে রোগী কমে গেছে দুই তৃতীয়াংশ। লম্বা সময় ধরে জলাবদ্ধতার কারণে ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতালের স্টাফরাও পড়েছেন দুর্ভোগের কবলে। ময়লা পানি গায়ে মেখে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। দীর্ঘ সময় ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল না থাকায় এ দূরাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ডাক্তার জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা হবে, হচ্ছে শুনছি কয়েক বছর ধরে। বাস্তবে কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুজিবুর রহমান বলেন, নিচু এলাকা হওয়ার কারণে কুচাইতলি ও এর আশেপাশের সব পানি এখানে ঢুকে পড়ছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে সিটি করপোরেশনে বারবার যোগাযোগ করেছি। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে বাখরাবাদ হয়ে একটি আউটলাইন করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করবেন। দ্রুত একটি টেন্ডার প্রক্রিয়া হওয়ার কথা। আশা করি, শিগগিরই সমস্যা কেটে যাবে।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর শওকত হোসেন জানান, সকল সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। হাসপাতালের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারে টেন্ডার আহ্বানের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর