শিরোনাম
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৭:০০

পরকীয়া প্রেমের জেরে যুবক খুন, শিক্ষক দম্পতি আটক

দিনাজপুর প্রতিনিধি

পরকীয়া প্রেমের জেরে যুবক খুন, শিক্ষক দম্পতি আটক

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে পরকীয়া প্রেমের জেরে বিকাশ মোহন্ত (২৮) নামে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই এলাকার শিক্ষক দম্পতি স্কুল শিক্ষিকা (কথিত প্রেমিকা) ও তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। পরকীয়া প্রেমের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

মঙ্গলবার সকালে বোচাগঞ্জের পুলহাট বাজারের উত্তরে হরিপুর গ্রামের একটি আম বাগান থেকে ওই যুবকের মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয় মানুষ। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। 

আটক স্কুল শিক্ষিকা পপি রানী রায় বিরল উপজেলার শিষগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ও তার স্বামী মন্টু রায় কাঞ্চন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বলে জানা গেছে। 

মৃত বিকাশ মহন্ত বোচাগঞ্জ উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের সিলেট গ্রামের হিরা লাল মহন্তের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের শিকার বিকাশের পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন।

এলাকাবাসীসহ পুলিশ জানায়, বোচাগঞ্জ উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের সিলেট গ্রামের বিকাশ মহন্ত গত ৩ মাস পূর্বে বিয়ে করে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে একই গ্রামের শিক্ষক মন্টু চন্দ্র রায়ের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা পপি রানী রায়ের মোবাইল ফোন রিসিভ না করার কারণে বিকাশ মহন্তের বাড়িতে গিয়ে তাকে মারধর করে। মারধর করার সময় পপি রানী বিকাশকে তার মোবাইল ফোন রিসিভ ও ম্যাসেজের উত্তর না দেওয়ার কারণ জানতে চায়। এরপর সন্ধ্যা থেকেই বিকাশকে আর কোথাও দেখা যায়নি। 

এ ঘটনার মঙ্গলবার সকালে পুলহাট বাজারে উত্তরে হরিপুর গ্রামের একটি আম বাগান থেকে বিকাশের মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয় মানুষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বিকাশের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে বোচাগঞ্জ পুলিশ। 

এ ব্যাপারে বোচাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে স্কুল শিক্ষিকা পপি রানী ও তার স্বামী স্কুল শিক্ষক মন্টু রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। বিকাশের শরীরের বিভিন্ন জায়গার আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরকীয়া প্রেমের কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় মৃতের পিতা হিরালাল মোহন্ত বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।  

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর