শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর, ২০২০ ২০:১১
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়ায় ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

বগুড়ায় ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতার
প্রতীকী ছবি

বগুড়ায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে আতিকুর রহমান ওরফে ফরিদ মিয়া নামের ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটকে গ্রেফতার করেছে। এসময় তার কাছ থেকে সিআইডি, দুর্নীতি দমন কমশিন (দুদক) এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের জাল পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। রবিবার সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের চারমাথা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আতিকুর রহমান রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর বুজরুক নূরপুর গ্রামের আব্দুর রউফ ওরফে আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আব্দুল রাজ্জাক জানান, আতিকুর চারমাথা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক নারীকে মুখে মাস্ক নেই বলে হুমকি-ধামকি দিচ্ছিল। বিষয়টি দেখে সন্দেহ হলে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন সে নিজেকে ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট বলে জানান। পরে দেহ তল্লাশি করে তার কাছ থেকে সিআইডির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের কমিশনারের দুটি ভুয়া আইডি কার্ড এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের একটি জাল পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়।

সোমবার দুপুরে ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫০
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়ায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:

বগুড়ায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৩৯ লাখ ১৩ হাজার ৮৭৭ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বগুড়া সোনাতলা থানার সাবেক এসআই আলমগীর হোসেন পিপিএম'র (৪৩) বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুমতিক্রমে রবিবার দুদক বগুড়া কার্যালয়ের মামলা দায়ের করেন উপ-সহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী। 

অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার শৌলীসবলা এলাকার মৃত মবজেল হোসেনের ছেলে। তিনি বর্তমানে বগুড়া শহরের লতিফপুর এলাকায় বসবাস করছেন।

সোমবার বগুড়া জেলা দুদক কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসআই আলমগীর হোসেন ১৯৯৭ সালে কনস্টেবল পদে পুলিশে যোগদান করেন। তিনি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের মালিক হয়েছেন- এমন তথ্যের ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধানে নামে। এরপর আলমগীর হোসেনের কাছে তার সম্পদের বিবরণী চায় দুদক। তিনি দুদকের কাছে তার ৭২ লাখ ৫১ হাজার ৭৮ টাকা সম্পদের মালিকানা অর্জনের ঘোষণা প্রদান করেন। সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে তার নামে ৪৫ লাখ ২ হাজার ৭০১ টাকা গ্রহণযোগ্য আয় এবং ১৯৯৭ থেকে ২০১৯ এই ২২ বছরে ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় পাওয়া যায়। ফলে পারিবারিক ব্যয়সহ তার মোট সম্পদ অর্জন ৮৪ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৮ টাকা। 

এদিকে দুদক তদন্তকালে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনের জ্ঞাত আয়ের বাইরে আরও ৩৯ লাখ ১৩ হাজার ৮৭৭ টাকার সম্পদ অর্জন দেখতে পায়। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ- সহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী জানান, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা অনুযায়ী এসআই আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি এসআই আলমগীর হোসেন বগুড়ার সোনাতলা থানা থেকে বদলী হয়ে রাজশাহীর বাঘা থানায় গিয়েছেন। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪৬
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়ার ১০ মামলার আসামি ডাকাত সর্দার ঢাকা থেকে গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

বগুড়ার ১০ মামলার আসামি ডাকাত সর্দার ঢাকা থেকে গ্রেফতার

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ৯টি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত ও একটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার বেলাল হোসেন (৪৫)-কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। 

গতকাল রবিবার (২৪ জানুয়ারী) ঢাকার মিরপুর উত্তর মীরেরবাগ ছাপড়া মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে দীর্ঘদিন পলাতক ছিল। সে নন্দীগ্রামের রিধইল গ্রামের গ্রামের মুন্সির ছেলে।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, বগুড়া পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঁঞা বিপিএম এর দিক নির্দেশনায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকা ডাকাত সর্দারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আজ সোমবার গ্রেফতারকৃত ডাকাত সর্দার বেলালকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারো প্রেরণ করা হয়েছে।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই চাঁন মিয়া, এএসআই আবুল কালাম আজাদসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।


বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪১
প্রিন্ট করুন printer

দিনাজপুরে পৃথক সড়ক ঘটনায় তিনজন নিহত

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরে পৃথক সড়ক ঘটনায় তিনজন নিহত

দিনাজপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে এবং একটি তেলবাহি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে পড়েছে। 

ঘন কুয়াশার মাঝেই সোমবার সকাল ৯টার দিকে দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়ক দিয়ে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে আজিজার রহমান (৪২) শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে বীরগঞ্জের ২৫ মাইল নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে।
অপরদিকে, একই সময়ে দিনাজপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের চম্পাতলি এলাকায় একটি তেলবাহি লড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
অন্যদিকে, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে হাকিমপুর উপজেলার হিলি-দলারদরগা রাস্তার বোয়ালদাড়ের বিশাপাড়া এলাকায় পিকআপের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নজরুল ইসলাম ও সাখাওয়াত হোসেন নিহত হয়েছে। 

নিহত আজিজার রহমান(৪২) বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউপির এলায়গা এলাকার মনছুর আলী ছেলে এবং অপর নিহত মোটরসাইকেল আরোহীরা হলো, নজরুল ইসলাম (৫০) রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার মোকসেদপুর বানিয়াপাড়ার মৃত জামালউদ্দিনের ছেলে এবং সাখাওয়াত হোসেন (২৪) একই এলাকার সেকান্দার আলীর ছেলে বলে জানা যায়।  

বীরগঞ্জের ভোগনগর চেয়ারম্যানের বদিউজ্জামান পান্না বলেন, ভোরে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে নিহত আজিজার রহমান মাহানপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে দিনাজপুর-ঠাকুরগাও মহাসড়কের ২৫ মাইল এলাকায় অজ্ঞাত একটি পরিবহন তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। 
দশমাইল হাইওয়ে থানার ওসি ইয়ামিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত্যু ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কোন গাড়ির চাপায় সে নিহত হয়েছেন সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘন কুয়াশার কারণেই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অপরদিকে ঘন কুয়াশার কারণে চম্পাতলি এলাকায় উল্টে যাওয়া তেলবাহি লড়িটি উদ্ধারের কাজ চলছে। ডিজেলবাহি লড়ি উল্টে যাওয়ায় সেখান থেকে বেশ কিছু তেল পড়ে যায়, পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা সেই তেল নিতে হুড়াহুড়ি করে। তবে এঘটনায় কোন হতাহত হয়নি।

এদিকে, বিষয়টি নিশ্চিত করে হাকিমপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, স্থানীয় মাধ্যমে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, নিহত নজরুল ইসলাম ও সাখাওয়াত হোসেন হিলি বাজার থেকে মোটরসাইকেলের পার্টস নিয়ে বোয়ালদাড় হয়ে দলারদরগার দিকে নিজ গন্তেব্যে যাচ্ছিলো। এসময় তারা বোয়ালদাড়ের বিশাপাড়া নামক এলাকায় পৌছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু হয়। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

ফরিদপুরে চোর আখ্যা দিয়ে স্কুলছাত্রকে বেদম প্রহার, হাসপাতালে ভর্তি

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে চোর আখ্যা দিয়ে স্কুলছাত্রকে বেদম প্রহার, হাসপাতালে ভর্তি

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের কোন্দারদিয়া গ্রামে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে বেদম পিটুনী দিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আহত অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। সারা শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ব্যাথায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। এ ঘটনায় থানায় মামলার পুস্তুতি চলছে। স্কু ছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে পিটুনীর ঘটনায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 
স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, দাদপুর ইউনিয়নের কোন্দারদিয়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক রাজা মোল্যার পুত্র, স্থানীয় রাঙামুলারকান্দি স্কুলের ৫ম শ্রেণির ছাত্র মো. সাব্বির মোল্যা (১২) আজ সোমবার ফজর নামাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে অদূরে মসজিদে যাচ্ছিল। মসজিদে যাবার পথে একটি গাছগাছালী ঘেরা বাগান পার হতে হয়। সাব্বির মোল্যা ভয়ের কারণে বাগানটি এড়িয়ে জনৈক মাজেদ মাস্টারের বাড়ির উঠানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এসময় বাড়ির লোকজন সাব্বিরকে ধরে ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। 

পরে মাজেদ মাস্টারের ছেলে ফারুক, জিয়াদ ও মাজেদ মাস্টারের নাতি হাসিব লাঠি দিয়ে সাব্বিরকে বেদমভাবে প্রহার করে। এসময় তারা তার হাতের নখ প্লাস দিয়ে তুলে ফেলার চেষ্টা করলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে সাব্বিরের বাবা-মা সেখান থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। 

সাব্বিরের বাবা রাজা মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, আমার স্ত্রী মাজেদ মাস্টারের বাসায় দীর্ঘ ৬ বছর ধরে কাজ করে আসছিল। গত কয়েকমাস আগে অসুস্থ্যতার কারণে সে আর কাজ করতে পারবে না বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে মাজেদ মাস্টার। বিভিন্ন সময় মাজেদ মাস্টার ও তার ছেলেরা আমার ছেলে সাব্বিরকে তাদের বাড়ির কাজ করে দিতে বলে। কিন্তু আমার ছেলে তাদের কাজ না করায় দেখে নেবার হুমকি দেয়। ভোরে আমার ছেলে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে মাজেদ মাস্টারের ছেলে ও নাতি মিলে তাকে বেদমভাবে প্রহার করে। মারপিটের কারণে আমার ছেলের সারাদেহে মোটা কালো দাগ হয়ে গেছে। আমার ছেলের নখ ভেঙ্গে গেছে। সে এখন ঠিকমতো দাঁড়াতে এবং শুতেও পারছেনা। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। আমি আমার ছেলের উপর নির্মম নির্যাতনের বিচার চাই। 

সাব্বিরের মা মোসা. পানোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যারা অমানুষিক নির্যাতন করেছে তাদের বিচার চাই। আমরা গরীব মানুষ বলে আমাদের উপর এমন অত্যাচার কেন করা হবে। 

এ বিষয়ে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই মাজেদ মাস্টারের ছেলে ফারুকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সামনাসামনি কথা বলবো। আমি এখন ব্যস্ত আছি বলেই ফোনটি কেটে দেয়। 

বোয়ালমারী থানার ওসি জানান, এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 

বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৪
প্রিন্ট করুন printer

ঘন কুয়াশায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে যান চলাচল ব্যাহত

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

ঘন কুয়াশায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে যান চলাচল ব্যাহত

ঘন কুয়াশার কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দিয়ে যানবাহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। কখনো থেমে থেমে দীর্ঘ যানজট আবার কখনো ধীরগতিতে চলাচল করে যানবাহনগুলো। এতে যাত্রী-চালক ও ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

গতরাত একটা থেকে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় সেতু কর্তৃপক্ষ যানবাহন চলাচল সীমিত করে। এতে দুপাশে যানজট লেগে যায়। সকাল সাতটার দিকে সেতুর উপর দুর্ঘটনা ঘটনায় প্রায় ৩০মিনিট পশ্চিম প্রান্তে টোলপ্লাজা বন্ধ রাখা হয়। এতে প্রায় ১৫ কি.মি এলাকা যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে শীতের মধ্যে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এছাড়াও দীর্ঘ সময় গাড়ীতে থাকায় কাচামাল ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়ছে। 

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিমপাড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন জানান, রাত থেকে ঘন কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যায়। একারণে বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে সেতুর দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয। ভোরের দিকে সেতুর উপর দুর্ঘটনা ঘটায় প্রায় ৩০মিনিট যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এতে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।
 
বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ ট্রাফিক কন্ট্রোলার নজরুল ইসলাম জানান, ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য সেতুর উপর যানচলাচল ধীরগতি করা হয়। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর