শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৬
প্রিন্ট করুন printer

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যার অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যার অভিযোগ
নাসু

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক মো. নাসরুল্লাহ ওরফে নাসু (২৯)-কে পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা দিয়ে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দামুড়হুদার মডেল স্কুলের শিক্ষক শরীফ উদ্দীনের বিরুদ্ধে। নিহত নাসরুল্লাহর পিতা চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা গুলশানপাড়ার মমজেদ হোসেন আজ সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী করেন। 

২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় দামুড়হুদার ব্র্যাক মোড়ের অদূরে আখ সেন্টারের কাছে ট্রাকচাপায় নাসুর মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে একটি হত্যা মামলা চলমান রয়েছে।

অভিযোগকারী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৯ সালে প্রতিবেশী শরীফ উদ্দীন মাস্টারের গৃহশিক্ষক ছিলো নাসু। এক পর্যায়ে শরীফ মাস্টারের দ্বিতীয় স্ত্রী রত্না খাতুনের সাথে নাসুর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেটা জানার পর মমজেদ হোসেন ছেলেকে প্রাইভেট পড়াতে নিষেধ করেন। এক পর্যায়ে শরীফ মাস্টার স্ত্রীর প্রেমিক নাসুকে হত্যার পরিকল্পনা করে। স্ত্রী রত্না খাতুনকে দিয়ে ফোনে নাসুকে ডেকে নেয় দামুড়হুদার আখ সেন্টারের কাছে। সেখানে শরীফ মাস্টার এবং তার দুই ছেলে মো. তাহমিদ ও আমজাদ হোসেন এসে নাসুর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে একটি দ্রুতগামি ট্রাক আসতে দেখে তারা নাসুকে ধাক্কা দিয়ে ট্রাকের নিচে ফেলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নাসু। এসময় স্থানীয় কয়েকজন ঘটনাস্থলে অভিযুক্তদের দেখেছেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

নিহত নাসুর পিতা মমজেদ হোসেন বলেন, আমি আমার ছেলেকে ফিরে পাবো না। তবে আপনাদের মাধ্যমে দাবি করছি, আমার ছেলে হত্যার সঠিক বিচার যেন পাই।


বিডি-প্রতিদিন/তাফসীর আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৮
প্রিন্ট করুন printer

কুমিল্লায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অচেতন করে ব্যাংক লুটের চেষ্টা!

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অচেতন করে ব্যাংক লুটের চেষ্টা!
চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

কুমিল্লার চান্দিনায় কৃষি ব্যাংকের একটি শাখার চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অচেতন করে ব্যাংকটি লুটের চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত ৮টায় চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের বদরপুর বাজারের কৃষি ব্যাংক শাখায় এ ঘটনা ঘটে। 

এ সময় অচেতন অবস্থায় চার জনকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তারা হলেন, ব্যাংকের দ্বিতীয় কর্মকর্তা নওশের আলী (৫৫), ক্যাশ কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান (৩১), কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম (৩২) ও নিরাপত্তা প্রহরী আমির হোসেন (৩২)। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় বুধবার কাজের প্রচুর চাপ থাকায় সেগুলো সামাল দিতে আমরা ৩ জন কর্মকর্তা ও একজন প্রহরী ব্যাংকে কাজ করছিলাম। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আমার চোখ মুখ অন্ধকার করে বমি বমি ভাব লাগছিল। এ সময় দেখি বাকিরা কেউ টেবিলেই মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ছে, আবার কেউবা বমি করছে। পরে আমি আর কিছুই বলতে পারবো না। 

ব্যাংক ম্যানেজার রুহুল আমিন জানান, আমি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ব্যাংক থেকে বের হই। ওই সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটর চলছিল। রাত ৮টার দিকে নৈশ প্রহরী রফিকুল ইসলাম এসে দেখেন নিরাপত্তা প্রহরী আমির হোসেন বমি করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। ভেতরে গিয়ে দেখেন বাকিদেরও একই অবস্থা। তাৎক্ষণিক আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদেরকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

তিনি আরও বলেন, বুধবার বিকাল থেকে বদরপুর বাজারের পাশে একটি মাহফিল চলছিল। সেই সুবাদে সন্ধ্যার পর বাজার অনেকটাই জনশূন্য। আমরা ধারণা করছি, অজ্ঞান পার্টি কোন বিষক্রিয়া প্রয়োগ করে সকলকে অচেতন করে লুট করার চেষ্টা করেছিল। যথা সময়ে আমাদের ব্যাংকের নৈশ প্রহরী আসায় সকলকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের ব্যাংকের কোনো প্রকার ক্ষতি হয়নি। 

চান্দিনা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তানভীর হাসান জানান, যে চার জনকে আনা হয়েছে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সঠিক ভাবে তাদের অজ্ঞান হওয়া ও বমি করার কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। রোগীদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ শামসউদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। লুটের কোনো আলামত এখনও আমরা পাইনি। আহত সকলের সাথে পৃথক ভাবে কথা বলেছি। যারা বমি করেছে তাদের নমুনা সংগ্রহ করেছি। আমাদের তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০২
প্রিন্ট করুন printer

ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ সহায়তা প্রদান

দিনাজপুর প্রতিনিধি

ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধাদের
ঋণ সহায়তা প্রদান

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের আত্মনির্ভরশীল কর্মসূচির আওতায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের মাঝে এই ঋণ সহায়তার চেক প্রদান করা হয়। 

আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে পৃথক অংঙ্কে মোট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকার সহজ শর্তে এই ঋণের চেক তুলে দেন উপজেলা নিার্বাহী অফিসার রিয়াজউদ্দিন। 

ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়ারী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল মন্ডলকে ৫০ হাজার, গণিপুর গ্রামের বীরমুক্তি যোদ্ধা নজরুল ইসলামকে ২৫ হাজার, মইচান্দা গ্রামের ছাখাওয়াত হোসেনকে ২৫ হাজার, খয়েরবাড়ী গ্রামের শহিদুর রহমানকে ২০ হাজার ও সিদ্দিসি আবাসনের মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী আছিয়া বেওয়াকে ৩৫ হাজার টাকার ঋণের চেক প্রদান করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ আফরোজ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

বাঘাইছড়িতে ইউপি সদস্যকে হত্যায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

বাঘাইছড়িতে ইউপি সদস্যকে হত্যায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে রূপকারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ১নং ওয়ার্ড সদস্য সমর বিজয় চাকমাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাঘাইছড়ি উপজেলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, বাঘাইছড়ি রূপকারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য বিনয় চাকমা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন- মণিময় চাকমা (৪১), সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বড় ঋষি চাকমা (৪৫), শুভাশীষ চাকমা (৩৮), সুভাষ বসু চাকমা (৪৮), পলক তালুকদার (৪৬), দয়াসিন্ধু চাকমা (৪০), ত্রিদীপ্ত চাকমা (৫৬), বরুণ চাকমা (৪২), সোহাগ চাকমা (২৬) ও প্রভাত কুমার চাকমা (৫৮)। সবার ঠিকানা বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

একই মামলায় আরও ৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। তবে এ পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত যৌথবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। 

এদিকে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ঘটনার জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতার দাবিসহ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) দলের বাঘাইছড়ি থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক জোসি চাকমা। 

অপরদিকে দায় অস্বীকার করে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির নেতা ত্রিদিব চাকমা। 

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার দুপুর ১২টা ৪৫দিকে রাঙামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার পরিষদের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কক্ষে রূপকারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ১নং ওয়ার্ড সদস্য সমর বিজয় চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। 

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন

ঝালকাঠি শহরের আলোচিত শাহাদাৎ হোসেন হত্যা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝালকাঠির জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দেউরি গ্রামের গিয়াস মল্লিক (৪৫), কিস্তাকাঠি গ্রামের শাহীন ভূঁইয়া (৩৫) ও মির্জাপুর গ্রামের জয়নাল কাদি (৪৬)। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ছোহরাব হোসেন নামে একজনকে খালাস দেয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত শাহীন ও জয়নাল আদালতে উপস্থিত থাকলেও গিয়াস মল্লিক পলাতক ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার কারণে ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল ঝালকাঠি শহরের স্টেশন রোডের একটি টিনের দোকানের ম্যানেজার শাহাদাৎ হোসেনকে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে লঞ্চঘাট এলাকার জয়নাল কাদির বাসায় নিয়ে গলাকেটে হত্যা করে আসামিরা। পরে তার মস্তক-বিহীন লাশ সুগন্ধা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ২৩ এপ্রিল দুপুরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় মাথা-বিহীন শাহাদাতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওইদিন ঝালকাঠি থানার পিএসআই আবদুর রহিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জয়নাল কাদিকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়। সাজাপ্রাপ্ত গিয়াস মল্লিকের বাবা দেউরি গ্রামের মোকছেদ আলী মল্লিককে ১৯৮০ সালে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। এ মামলায় আসামি ছিলেন শাহাদাৎ হোসেন। এ মামলায় সকল আসামি খালাস পায়।

বাবাকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে গিয়াস মল্লিক তার সহযোগীদের নিয়ে শাহাদাৎকে হত্যা করে। ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শীল মণি চাকমা তদন্ত শেষে ২৮ অক্টোবর ২০১৪ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত ৩৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত
আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শফী

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শফী নামে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে বাগাতিপাড়া থেকে মোটরসাইকেলে বনপাড়া যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে শফী গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে নাটোর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের রাজপাড়া থানার এসআই শাহীন আক্তার টুম্পা বলেন, রাতে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ নামে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর