শিরোনাম
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৭:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

বেতাগীতে বীজতলা ফেটে চৌচির, বৃষ্টির জন্য হাহাকার

বরগুনা প্রতিনিধি

বেতাগীতে বীজতলা ফেটে চৌচির, বৃষ্টির জন্য হাহাকার
Google News

বরগুনার বেতাগীতে বৃষ্টির অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে বীজতলা। বৃষ্টি নেই, নদী-খালে লোনা পানি, সেচ সংকটে বীজতলা রক্ষা করা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

বরগুনার বেতাগীতে লড়াই এখন তৈরি করা বীজতলা (ধান-চারা যা অন্যত্র তৈরি করে চাষের মূল জমিতে পোঁতা হয়) বাঁচানোর। দীর্ঘ সাতমাস ধরে বৃষ্টির দেখা না মেলায় এ অবস্থায় আউশ ধানের বীজতলা তৈরি করতে বা বাঁচাতে সমস্যায় পড়ছেন কৃষকরা।
 
সেই সাথে ফসলের মাঠ, খাল-বিল ও ডোবা-নালার পানি শুকিয়ে শূন্য জলধার। নদী-খালে আসছে লবণ পানি! দীর্ঘদিন ধরে অনাবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় আশানুরূপ সেচ দিতে না পারায় ইরি-বোরো ও আউশ মৌশুমের বীজতলা ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। 

কৃষকরা জানিয়েছেন, বীজতলায় এখনই পানির বেশি প্রয়োজন ও আদর্শ সময়। তাই বৃষ্টির জন্য আরও অপেক্ষা করতে হলে আউশ মৌসুমে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে। কৃষক মো. ফরিদ হোসেন বলেন, কয়েক দশক ধরে চাষাবাদ করে আসছি কিন্তু এমন অবস্থা কখনও দেখিনি। এভাবে চলতে থাকলে চাষাবাদে দেরি হবে।  
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার পৌরসভা সহ ৭টি ইউনিয়নে-সর্বত্রই কমবেশি ভুগছেন চাষিরা। বিভিন্ন এলাকায় জমি ফেটে চৌচির হয়ে উঠেছে। এতে কৃষকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টি ও খরতাপে এ জনপদে ডায়রিয়া মহামারী আকারে ধারণ করে। এ কারণে করোনার চেয়েও ডায়রিয়ায় আতঙ্কে ভুগছে মানুষ। 

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, পানির অভাবে কৃষকদের বীজতলা বাঁচাতেই এখন খুবই সমস্যা হচ্ছে। সময়মত চাষাবাদ করে বীজ বপন করতে না পারলে অনেক জমি অনাবাদী থাকার উপক্রম এবং এ মৌসুমে ফলন কম হবার আশংকা রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর