যমুনার নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ম সে.মি কমে বিপৎসীমার ৬৬ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতি একই রয়েছে। এখনো হাজার হাজার বসতভিটা পানির নীচে রয়েছে। বন্যার কারণে সাড়ে ৮ হাজার ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।
তাঁত কারখানায় পানি ওঠায় তাঁতীরাও চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাঁত শ্রমিকরা বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ফসলি ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় কৃষি শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছে। এছাড়াও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। টিউবওয়েল তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। রান্নার চুলা তলিয়ে যাওয়া রান্না করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি হলে ঝুপড়ির মধ্যে রাতভর জেগে থাকতে হচ্ছে। ফসল নষ্ট হয়ে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, যমুনার অরক্ষিত অঞ্চলে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। কাজিপুরের নাটুয়ারপাড়া বাজার রক্ষা মাটির বাঁধে ধ্বস নেমে প্রায় ৭০ মিটার এলাকা বিলীন হয়ে গেছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ১ সেমি কমেছে। পানি স্থিতিশীল থাকার পর কমবে বন্যা বলে জানান তিনি।
বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর