শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১ আপডেট:

যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে!

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক
Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে!

অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী কর্তৃক স্ববিরোধী কথাবার্তা এখন প্রতিনিয়ত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বেশ কিছু সময় ধরে তিনি প্রকাশ্যেই বলে বেড়াচ্ছেন যে তাঁর সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ মাত্র কদিন আগেই তিনি বললেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সব ঠিক হয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি আবার বিএনপির আসল কর্ণধার তারেক রহমানের সমালোচনা করেছেন। তাঁর এ স্ববিরোধী অবস্থানের সমন্বয় ঘটানো সম্ভব নয়। দুটি কিডনির বৈকল্যই সম্ভবত তাঁর এহেন দোদুল্যতার জন্য দায়ী। তবে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সব ঠিক হয়ে যাবে বলে তিনি যে কথা বলেছেন তা ঘেঁটে দেখা প্রয়োজন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভবিষ্যতে কী করতে পারে তা অনুধাবন করার সহজতম পন্থা হচ্ছে সেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অতীত পর্যালোচনা। তাই এ লেখনীর মাধ্যমে আমি বিএনপির অতীতের দিকে বিজ্ঞ পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাই, যাতে তারা অতীত ভুলে না যায় আর নতুন প্রজন্ম যেন এগুলো জানতে পারে।

আমি বিলেতে প্রবাসজীবনের ইতি ঘটিয়ে দেশে ফিরেছি। সেটা ছিল বিএনপি-জামায়াতের যৌথ রাজত্বকাল। ঢাকায় ফেরার পর যে সমস্যাগুলো আমাকে এবং আমার দুই মেয়েকে অস্থির করে তুলেছিল তার অন্যতম ছিল পানি সংকট। সেই সংকটের কারণে বেশ কদিন গোসল করতে পারিনি। তার সঙ্গে ছিল বিদ্যুৎ ঘাটতি। দিনের এক বড় সময় বিদ্যুতের অভাবে, বিশেষ করে আমার বিলেতে জন্ম হওয়া এবং বেড়ে ওঠা দুই মেয়ের জীবন এমনই দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল যে তারা আমাকে ক্রমাগত চাপ দিচ্ছিল বিলেতে ফিরে যেতে। আমি তখন আইন পেশায় রত। তাই বিদ্যুৎ ঘাটতি আমার পেশাজীবনেও এনেছিল চরম দুর্গতি। দিশাহারা হয়ে পড়েছিল সব মানুষ, থমকে গিয়েছিল কলকারখানার চাকা, কৃষিকাজে সেচব্যবস্থা। দেশে বিরাজ করছিল চরম খাদ্য ঘাটতি, যার কারণে রাস্তায় বেরোলেই বহু বুভুক্ষু মানুষ ঘিরে ধরত একমুঠো খাবারের জন্য। উত্তর বাংলায় চলছিল মঙ্গা। অনাহারক্লিষ্ট মানুষের ছবি দেখে ভয় হচ্ছিল ১৯৪৩ সালে গোটা বাংলায় যে দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ গিয়েছিল, তা-ই হতে যাচ্ছে কি না।

আর একটি বড় সমস্যা ছিল আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণের ঘটনাগুলো এতই প্রকট হয়ে পড়েছিল যে সন্ধ্যায় সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তাঘাট শূন্য হয়ে যেত। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কোনো মানুষ রাস্তায় বের হতো না। সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে যেত। কেউ পুলিশে নালিশ করলে পুলিশ অপারগতা প্রকাশ ছাড়া কিছুই করতে পারত না। কেননা যারা ত্রাস চালাচ্ছিল তারা ছিল বিএনপি সমর্থক এবং সহায়তাপ্রাপ্ত সরকারি মদদ পাওয়া। তাদের আইনের আওতায় আনার ধৃষ্টতা পুলিশ দেখাতে সাহস পেত না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্রদলের নেতাপাতারা চালাচ্ছিল ধর্ষণের অবাধ কারবার। কৃষি ক্ষেত্রে নেমেছিল অমানিশার অন্ধকার। বিদেশি খাদ্য সাহায্যের ওপর নির্ভর করছিল গোটা দেশ। চিকিৎসাব্যবস্থা ছিল না বললেই চলে। প্রাচুর্যবান লোকেরা সামান্য অসুখ হলেই বিদেশে চলে যেতেন আর দরিদ্র জনগোষ্ঠী ধুঁকে ধুঁকে প্রাণ হারাতেন। তখন মোবাইল ফোনের একচ্ছত্র মালিকানা দেওয়া হয় বিএনপি নেতা মোর্শেদ খানকে, যিনি তার ইচ্ছামতো মোবাইল সেটের মূল্য এবং কলরেট নির্ধারণ করতেন। তিনি একটা সেট বিক্রি করতেন ন্যূনতম ২ লাখ টাকায়। সে সময়ে খুব কম লোকের পক্ষেই এত টাকা দিয়ে মোবাইল কেনা সম্ভব হতো বলে হাতে গোনা কিছু ভাগ্যবান ওপরতলার ব্যক্তিই মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারতেন।

বিএনপির সে সময়ের শাসনকালে জঙ্গিবাদ আফগানিস্তানে তালেবানদের তৎপরতার সঙ্গে তুলনীয় হয়ে পড়েছিল। কুখ্যাত বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে চলছিল জঙ্গি হামলা এবং খুনের মহোৎসব। বিএনপি সরকার বলছিল বাংলা ভাই নামে কেউ নেই, সবই মিডিয়ার সৃষ্টি। বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে বোমা ফাটিয়ে প্রচুর হতাহত ঘটানো হয়েছিল। একই দিন মুন্সীগঞ্জ ছাড়া দেশের ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জঙ্গিরা তাদের শক্তির মহড়া প্রদর্শন করেছিল। নিম্ন আদালতের বেশ কয়েকজন বিচারকসহ বহু লোককে হত্যা করেছিল বিএনপি সরকারের সমর্থনপুষ্ট এ বাংলা ভাই বাহিনী। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সভায় পাকিস্তান থেকে পাওয়া গ্রেনেড নিক্ষেপ করে সাবেক রাষ্ট্রপতির স্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতা আইভি রহমানসহ বেশ কিছু লোককে হত্যা করা হয়। আহত হয়েছিলেন আরও অনেকে যারা এখনো ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন। তবে তাদের মূল টার্গেট, সে সময়ের বিরোধী নেত্রী শেখ হাসিনা অনেকটা অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও তিনি কান এবং চোখে আঘাত পেয়েছিলেন। পরবর্তীকালে এ ঘটনার বিচারের বিচারক সব সাক্ষী-প্রমাণের ভিত্তিতে এই মর্মে রায় দিয়েছিলেন যে, পুরো পরিকল্পনার নেতৃত্বে ছিলেন খালেদাপুত্র, তথা বিএনপির আসল চালক তারেক রহমান, যার সহায়ক হিসেবে কাজ করেছেন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব, পলাতক হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সংসদ সদস্য মওলানা তাজউদ্দিন, নাসিরউদ্দিন পিন্টু, জামায়াত নেতা মুফতি হান্নান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর। এ ছাড়া জড়িত ছিল সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী ডিজিএফআই-প্রধান জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক ব্রিগেডিয়ার রহিম, ছিল পুলিশপ্রধান শহুদুল হক, দুজন পাকিস্তানি। বিচারিক আদালত তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, অন্য আসামিদের মৃত্যুদন্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদের দন্ড দিয়েছিলেন। সাক্ষী-প্রমাণ এবং জড়িতদের তালিকা বিশ্লেষণ করলে  অনেকটাই নিশ্চিত হয় যে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া স্বয়ং প্রত্যক্ষভাবে জড়িত না থাকলেও পুরো বিষয়টি তার জানা ছিল। ঘটনার পরপরই তিনি সবার পরামর্শ উপেক্ষা করে মওলানা তাজউদ্দিনকে রাতারাতি পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এবং এ ঘটনায় জনগণের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য জজ মিয়া নামক এক দিনমজুরকে আসামি বানিয়েছিলেন। ২০০১ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়েই বিএনপি সরকারের মদদপুষ্টরা সারা দেশে যে তান্ডব সৃষ্টি করেছিল তা বিশ্ববিবেককেও কম্পিত করেছিল। পূর্ণিমা শীলসহ শত শত নারীকে ধর্ষণ করেছিল বিএনপি নেতা-কর্মীরা, শত শত বাড়িঘর পুড়িয়ে ফেলেছিল তারা। বহু অমুসলিমকে দেশত্যাগে বাধ্য করে তাদের জমি ও বাড়ি দখল করেছিল সেই হার্মাদরা, যার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু কমিশনের প্রতিবেদনে। খালেদা জিয়া ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’ নামে এক পরিকল্পনা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবাধে যাকে ইচ্ছা তাকে বিনা বিচারে খুন করার আদেশ দিয়েছিল ২০০২ সালে। যার ফলে কয়েক শ লোককে হত্যা এবং পঙ্গু করা হয়েছিল। ভুক্তভোগীরা ছিল আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য প্রগতিশীল দলের সদস্য। অপারেশন ক্লিনহার্টের মাধ্যমেই দেশে বিচারবহিভর্‚ত হত্যাযজ্ঞের সূচনা হয়। যারা হত্যাযজ্ঞে অংশ নিয়েছিল তাদের আইনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য খালেদা জিয়া তার স্বামীর অনুকরণে একটি ইনডেমনিটি আইন করেছিলেন, যদিও হাই কোর্ট সে আইনকে বেআইনি ঘোষণা করেছিলেন। রাষ্ট্রীয় নির্দেশে বিচারবহিভর্‚ত হত্যাযজ্ঞের কোনো নজির বর্তমান বিশ্বে নেই।

সে সময়ের বিএনপি সরকার বিচার বিভাগকে আলাদা করার সাংবিধানিক নির্দেশনা অমান্য করে যাচ্ছিল যাতে তারা বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে পারে এবং যা তারা করছিল। সে সময় বিএনপি নেতৃবৃন্দ যথা তারেক রহমান, কোকো, মোর্শেদ খান, সাকা চৌধুরী, গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, সাদেক হোসেন খোকা প্রমুখ বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারের মহোৎসবে মেতে উঠছিল এবং এ ব্যাপারে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পুলিশ সংস্থা এফবিআইর কর্মকর্তারা। তারেক রহমান এবং কোকোর সিঙ্গাপুরে পাচার করা টাকা সিঙ্গাপুর সরকার পাঠিয়ে দিলেও যুক্তরাজ্যের নেটওয়েস্ট ব্যাংকে পাচার করা তারেক-মামুনের টাকা এখনো আমরা ফেরত পাইনি। তবে সে টাকা নেটওয়েস্ট ব্যাংক জব্দ করে রেখেছে। মোর্শেদ খান যে লাখ লাখ হংকং ডলার হংকংয়ে পাচার করেছে এবং সাকা চৌধুরীর কয়েক হাজার কোটি টাকা হংকং এবং সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ জব্দ করলেও তা আমরা এখনো ফেরত পাইনি।

বিএনপির সময়ে গুপ্ত হত্যা, গুম এবং ধর্ষণ এত বেড়ে গিয়েছিল যে সব লোক ভয়ে জর্জরিত ছিল। বহু বিএনপি এবং ছাত্রদল নেতার হাতে থাকত অবৈধ অস্ত্র। সে সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ছিল তলানিতে, কারণ একদিকে খাদ্যসহ অন্যান্য সামগ্রীর আমদানি যেমন আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গিয়েছিল, অন্যদিকে তেমনি রপ্তানি বাণিজ্যও ছিল নিম্নমাত্রায়। প্রবাসী কর্মীরা প্রয়োজনীয় সুযোগের অভাবে টাকা পাঠাচ্ছিল হুন্ডির মাধ্যমে। রপ্তানি পণ্য এবং খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা একেবারেই ছিল না। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয়, সহায়তা, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে শুধু ভারতের সঙ্গে অপরিহার্য সম্পর্ক নষ্টই করেনি, বরং আমাদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছিল। ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উদ্দেশে আনা ১০ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়ার পর প্রমাণ হলো অনেক কিছু। বিএনপি সরকারের সময়ে কালা জাহাঙ্গীর, মুরগি মিলন, সুইডেন আসলাম, সুব্রত প্রভৃতি ভয়ংকর মাস্তান জনজীবন দুর্বিষহ করেছিল। এদের ভয়ে লোকজন ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, জেলহত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, অপারেশন ক্লিনহার্টের আসামিদের বিচার না করে বিএনপি যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিল তার জের বহু বছর চলেছে। মামলার জট কমানোর কোনো চেষ্টাই হয়নি।

উন্নয়নের ধারা ছিল নিম্নমুখী। তখন হাওয়া ভবন নামে একটি ভবনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে তোলা হয়েছিল একটি বিকল্প বা সম্পূরক সরকার, যে সরকারের মুখ্য কাজ ছিল দুর্নীতি, টাকা পাচার, জঙ্গি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন দুষ্কর্মের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, যার কারণে হাওয়া ভবনের নাম শুনলে মানুষ আঁতকে উঠত। বিদেশনীতিতে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের পন্থা বাদ দিয়ে হয়ে পড়েছিল পাকিস্তানমুখী। পাকিস্তানি সামরিক গোয়েন্দায় দেশ ভরে গিয়েছিল। বিদেশে পাচার হয়ে যাওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার কোনো চেষ্টাই হয়নি, মূলত এজন্য যে পাচারকারীদের বেশির ভাগই ছিল বিএনপি-জামায়াত নেতৃবৃন্দ। তাদের সময়ে মারাত্মক উত্থান ঘটে ধর্ম ব্যবসায়ী এবং ধর্মীয় মৌলবাদীদের শক্তি, যার জের আমরা এখনো পোহাচ্ছি। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি প্রহসনের নির্বাচন দিয়ে বিএনপি গণতন্ত্রের শিকড় কেটে ফেলেছিল। সে সময়ে বহু প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব এবং সাংবাদিক হত্যা করেছিল বিএনপি-জামায়াতের মদদপুষ্টরা। আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দলকে সভা-মিছিল করা তো দূরের কথা, রাস্তায়ও বেরোতে দেওয়া হতো না। ছাত্র রাজনীতিকদের কাছে অস্ত্র এবং দুর্নীতির প্রচলন বিএনপি-জামায়াতের সময়েই দলীয় এবং সরকারি পরিকল্পনা মোতাবেক হয়েছিল। সে সময় ভুয়া ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছিল ১ কোটি অস্তিত্বহীন লোকের নাম দিয়ে, যা পরে বাদ দেওয়া হয়।

প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফেরার কয়েক মাস পর প্রথম বিলেত সফরে যেয়ে আমার এক ভাড়াটের ঘরে দেখা হলো বাংলাদেশের এক সিরামিক কোম্পানি মালিকের সঙ্গে। বিলেতে তার সিরামিক দ্রব্যাদি রপ্তানি করাই ছিল সফরের উদ্দেশ্য। তিনি বললেন, তার তৈরি থালাবাসন অনেক ক্রেতার পছন্দ হলে তারা কিনতে রাজি হয়, কিন্তু শর্ত দেয় যে ‘বাংলাদেশের তৈরি’ কথাটা মুছে ফেলতে হবে। কথাটি শুনে আমিও ক্ষিপ্ত হলাম এই ভেবে যে, আজ বিদেশে আমাদের দেশের মান-মর্যাদার এমন অধঃপতন হয়েছে? তখন বহু প্রবাসী বাংলাদেশি দেশের পরিচয় দিতে লজ্জা পেত। দুঃখ পেতাম এই ভেবে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এ জালিমরা দেশের ভাবমূর্তি কোন খাদে ফেলে দিয়েছে? বিদেশিরা তখন বাংলাদেশকে ভাবত জঙ্গি, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ এবং খুনিদের অভয়ারণ্য হিসেবে। একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো বিদেশি বাংলাদেশে যাওয়ার কথা ভাবতেও পারত না, যার কারণে রপ্তানি বাণিজ্য বেড়ে ওঠেনি। যাতায়াতব্যবস্থা উন্নয়নের অভাবে গোটা অর্থনীতি ছিল বেহাল অবস্থায়। সেই বিএনপির সময় শাহ কিবরিয়া, আহসান উল্লাহ মাস্টার প্রমুখের মতো অত্যন্ত সৎ, দেশের মহাসম্পদতুল্য রাজনীতিককে হত্যা করা হয়েছিল দলীয় মদদে। হত্যা করা হয়েছিল হুমায়ুন আজাদসহ বহু বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং শিল্পকলার ব্যক্তিত্বকে। গড়ে উঠেছিল কামাল সিদ্দিকীর মতো বহু দুর্নীতিবাজ উচ্চাভিলাষী, জনবিরোধী বেশ কিছু আমলা, যারা গণতন্ত্রে কুঠার মারার জন্য কাজ করছিল, পকেটস্থ করেছিল হাজার কোটি টাকা, যার জন্য বিএনপি সরকারের পরাজয়ের পর তারা দেশ থেকে পালিয়েছে। গড়ে উঠেছিল কহিনুরের মতো অত্যাচারী, দুর্নীতিবাজ, গণশত্রু বহু পুলিশ কর্মকর্তা, যারা আজও পলাতক। এদের অত্যাচারে মানুষ ছিল সদা শঙ্কিত। বিএনপি নেতৃবৃন্দ আজ বাকস্বাধীনতা গেল বলে গলা ফাটিয়ে ফেলছেন অথচ তাদের রাজত্বে কেউ সত্য নিয়ে মুখ খুললেই তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩ ধারাবলে আটক করা হতো। যে আইনে যে কোনো ব্যক্তিকে বিনা অপরাধে আটক করে বেশ কয়েক মাস আটকে রাখা যায় বিনা বিচারে। সেই আইনে প্রতিদিন শত শত লোককে আটক করা হতো, যে চর্চা গত ১২ বছরে একবারও হয়নি।

ডা. জাফরুল্লাহ ভাই যদি ওপরে লিখিত কথাগুলো ভুলে যেয়ে থাকেন তাহলে এ লেখাটি পড়লে তার সব মনে আসবে। শক্তিশালী বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র অসম্ভব, কিন্তু প্রথম শর্ত হলো সে দলকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক হতে হবে। যে দলের কর্ণধার মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাপরাধী এক পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তার আশ্রয়ে ছিলেন, যে কর্তার পাকিস্তানে মৃত্যুর পর তিনি প্রধানমন্ত্রীর সব প্রটোকল ভঙ্গ করে আনুষ্ঠানিক শোকবার্তা পাঠিয়ে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে হতবাক করেছিলেন। যে দলের আর এক মহাজন একজন তালিকাভুক্ত রাজাকারের পুত্র, যে রাজাকার দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও বছর দুয়েক জেলে ছিলেন দালাল আইনে, যে দল সৃষ্টি করেছিল ’৭১-এ পরাজিত অপশক্তির লোকেরা যথা মুসলিম লীগ, জামায়াত, নেজামে ইসলাম এবং প্রকট চীনপন্থি যারা স্বাধীনতাবিরোধী ছিল, যে দল চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে আমাদের গর্বের পতাকা তুলে দিয়েছিল, যারা যুদ্ধাপরাধীদের সুযোগ দিয়েছে সম্পদের পাহাড় গড়তে, তারা এ শর্ত পূরণে অক্ষম। দুর্নীতি যে আজ নেই সে কথা কেউ বলতে পারবে না কিন্তু বিএনপি যুগে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারে দুর্নীতি যেমন স্থায়ী আবাস গেড়ে ছিল তা কিন্তু এখন নিশ্চিতভাবেই নেই।

সমুদ্র তলদেশে স্থাপন করা সাবমেরিন ক্যাবল যখন কর্তৃপক্ষ আমাদের বিনা পয়সায় দিতে চেয়েছিলেন, খালেদা জিয়া তখন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় পরবর্তীকালে সেগুলো আমাদের ক্রয় করতে হয়েছে অতি উঁচু মূল্যে, বিদেশি মুদ্রায়। তখন বাংলাদেশ বিমান যুক্তরাজ্যভিত্তিক এক কোম্পানির সঙ্গে ভুল চুক্তি স্বাক্ষর করায় পরে সেই কোম্পানি ব্রিটিশ আদালতে মামলা করলে সেই কোম্পানিকে কয়েক হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল বিমান, যা ছিল বিএনপি আমলের বিমান মন্ত্রণালয়ের অবিবেচনাসুলভ সিদ্ধান্তের ফল।

সে সময় বিএনপি সরকার প্রকাশ্যে স্বাধীনতাবিরোধী বক্তব্য দেওয়া আফতাব নামক এক ব্যক্তিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদে বসালে সেই কুখ্যাত লোকটি কোনো ধরনের বিধান অনুসরণ না করে এক হাজারের অধিক ব্যক্তিকে প্রভাষকসহ বহু পদে পদায়ন করেছিল। আমি হাই কোর্টে থাকাকালীন যাদের অপসারণের আদেশ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। সে সময় খালেদা জিয়া বেগুনবাড়ী এলাকায় বিএনপির বহু নেতাকে বস্তুত বিনামূল্যে জমি প্রদান করেছিলেন কোনো আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে। যার বিরুদ্ধে আমি রুল জারি করেছিলাম, যে মামলা হাই কোর্টে এখনো চলছে।

আর একটি কথা জাফর ভাইকে ভাবতে হবে। এটা তো অস্বীকার করার কোনো পথ নেই যে, বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন আজ বিশ্বকে চমকে দিয়েছে, মানুষের জীবনযাত্রার মান, গড় আয়ু বহুগুণ বেড়ে গেছে। বিএনপি কি এটা পারত? তাদের ইতিহাসে উন্নয়নের কোনো চিহ্নই দেখা যায় না বিধায় সহজেই বলা যায়, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশ যে তিমিরে ছিল সেখানেই থাকত।

লেখক : আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাংক লুটপাট
ব্যাংক লুটপাট
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
আড়ি পাতা
আড়ি পাতা
দারিদ্র্য বাড়ছেই
দারিদ্র্য বাড়ছেই
সর্বশেষ খবর
ফটিকছড়িতে কিশোর মাহিন হত্যা, গ্রেপ্তার ১
ফটিকছড়িতে কিশোর মাহিন হত্যা, গ্রেপ্তার ১

৫৭ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

শ্রীমঙ্গলে জামায়াতের শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত
শ্রীমঙ্গলে জামায়াতের শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১১ মিনিট আগে | রাজনীতি

শ্রীপুরে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
শ্রীপুরে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র পথ নির্বাচন : ডা. জাহিদ
জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র পথ নির্বাচন : ডা. জাহিদ

১৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারত আমাদের ডলার দিয়ে রুশ তেল কিনছে: ট্রাম্পের উপদেষ্টা
ভারত আমাদের ডলার দিয়ে রুশ তেল কিনছে: ট্রাম্পের উপদেষ্টা

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৬৫
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৬৫

২২ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কলাপাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে জরিমানা
কলাপাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে জরিমানা

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শখ করে মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে ভেসে গেল দুুই কিশোর
শখ করে মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে ভেসে গেল দুুই কিশোর

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের
নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের

৩৫ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

ইন্টারনেট স্লো? যেসব স্থানে রাখা উচিত নয় রাউটার
ইন্টারনেট স্লো? যেসব স্থানে রাখা উচিত নয় রাউটার

৫৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মরক্কোতে পাওয়া গেল সবচেয়ে প্রাচীন ডাইনোসরের জীবাশ্ম
মরক্কোতে পাওয়া গেল সবচেয়ে প্রাচীন ডাইনোসরের জীবাশ্ম

৫৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ফরিদপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুমন গ্রেফতার
ফরিদপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুমন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২৮ বছর পর মাদাগাস্কারকে রাজার খুলি ফিরিয়ে দিল ফ্রান্স
১২৮ বছর পর মাদাগাস্কারকে রাজার খুলি ফিরিয়ে দিল ফ্রান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুষের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির বিরুদ্ধে মামলা
ঘুষের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানুষকে পরিবর্তন এনে দিতে হবে বিএনপিকে : মির্জা ফখরুল
মানুষকে পরিবর্তন এনে দিতে হবে বিএনপিকে : মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমাজনে আটক ৩৩ কলম্বিয়ান সৈনিকের মুক্তি
আমাজনে আটক ৩৩ কলম্বিয়ান সৈনিকের মুক্তি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে চাঁদা দাবি, নারীসহ গ্রেফতার ৭
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে চাঁদা দাবি, নারীসহ গ্রেফতার ৭

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে হত্যা মামলায় ৩ ভাই গ্রেপ্তার
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় ৩ ভাই গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিডিসির নতুন পরিচালকের নাম ঘোষণা করল হোয়াইট হাউস
সিডিসির নতুন পরিচালকের নাম ঘোষণা করল হোয়াইট হাউস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বগুড়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ
দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১
কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের
হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ
রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা