শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫

শেষ রাতের সৌভাগ্যবান যারা

মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী
প্রিন্ট ভার্সন
শেষ রাতের সৌভাগ্যবান যারা

তারায় মোড়ানো রাতের আকাশ। চাঁদের হাসি পৃথিবীর অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়েছে। রাত বাড়ছে। হাজার বছরের পুরোনো রাত। একেক মানুষের কাছে রাত এসেছে ভিন্ন ভিন্ন উপলক্ষ্য হয়ে।  খুব অল্পসংখ্যক মানুষের রাত কাটে প্রভুর কদমে সেজদায় লুটিয়ে। জীবনের গুনাহ-খাতা মনে করে ক্ষমার আশায় প্রভুর কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ার এ রাতগুলো সোনায় মোড়ানো কোনো সন্দেহ নেই। কেননা কোরআনে বিশ্বাসী বান্দার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে এ বিশেষ সময়ে বিশেষ আমলটির কথা উদ্ধৃত করেছেন আল্লাহতায়ালা। সুরা আলে ইমরানের ১৭ নম্বর আয়াতের শেষ অংশে আল্লাহ বলেন, ‘মুসতাগফিরিনা বিল আসহার। অর্থাৎ তারা শেষ রাতের ক্ষমা প্রার্থণাকারী সৌভাগ্যবান বান্দা।’

আরবি ‘মুসতাগফিরুনা’ শব্দটি ‘মুসতাগফিরুন’ শব্দের বহুবচন। মুসতাগফিরুন ইসমে ফায়েলের সিগাহ। বাবে ইসতিফআল থেকে এসেছে। বহুবচনে অর্থ দাঁড়ায়  ক্ষমা প্রার্থনাকারীরা। একইভাবে আসহার শব্দটিও বহুবচন। একবচন হলো সাহরুন। বহুবচনে অর্থ দাঁড়ায় রাতের শেষ সময়গুলো। পবিত্র রমজান মাসে যে সময়ে আমরা সাহরি খাই এখানে সে সময়টাকেই আসহার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ভোরের আগের সময় হলো সাহর বা সাহরির সময়। ‘মুসতাগফিরিনা বিল আসহার’ অর্থ বিশ্বাসী বান্দারা রাতের শেষ প্রহরে ক্ষমাপ্রার্থনা করে।’

লেখার এ পর্যায়ে আল্লাহতায়ালা একটি চমৎকার চিন্তা কলবে ঢেলে দিয়েছেন। ভুলে যাওয়ার আগে বলে ফেলি। সুরা আলে ইমরানের ১৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা মুমিনদের পাঁচটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেন। ‘তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত, দানশীল ও রাতের শেষ প্রহরে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী।’ আয়াতের অনুবাদটি আবার পড়ুন। মুমিন ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত, দানশীল ও শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী হবে। ৫ নম্বর বৈশিষ্ট্যটি মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করুন। তারা শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী। সুবহানাল্লাহ। পৃথিবীর মানুষের বুকে দীর্ঘদিন পুষে রাখা একটি ভুল ভেঙে দিয়েছে এই একটি শব্দই। তারা শেষ রাতে ক্ষমা চায়। কেন ক্ষমা চায়? গুনাহর জন্য। কিসের গুনাহ? যারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত ও দানশীল তাদের কি কোনো গুনাহ থাকতে পারে? আমরা ভাবি মুমিন-মুত্তাকি-পরহেজগার মানেই নিষ্পাপ মাসুম হতে হবে। শুধু আমরা নই। পৃথিবীর সব ধর্মের মানুষই এমনটি ভেবে থাকে। তাদের ফাদার, ধর্মগুরুরা নিষ্পাপ হবেন। কিন্তু কোরআন বলছে ভিন্ন কথা। পরহেজগার হওয়ার জন্য নিষ্পাপ হওয়া জরুরি নয়। পাপ-পুণ্য মিলেই মানুষ। কোনো সম্মানিত ব্যক্তি বা আলেম যদি প্রবৃত্তির তাড়নায় কোনো গুনাহ করে ফেলেন, সেটা স্বাভাবিকভাবেই দেখতে হবে। এজন্য ‘ওভার রিয়েক্ট’ করা যাবে না। কারণ মুমিনের বৈশিষ্ট্যই হলো গুনাহ হয়ে গেলে সে ক্ষমা চেয়ে নেবে। মুত্তাকি হয়েছে বলে একেবারেই গুনাহ হবে না, এ ধারণা কোরআনবিরোধী। আরও একটি চিন্তার দুয়ার খুলে গিয়েছে। হয়তো ওপরে যা বললাম তা আয়াতের একটি ভাবার্থ। মুসলমানের সমাজে কাউকে গুনাহ করতে দেখলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তাকে নিয়ে কানাঘুষা করার সুযোগ নেই। বরং আরও বেশি দরদি হয়ে তাকে ক্ষমার নদীতে গোসল করার সুযোগ করে দেওয়াই সমাজের প্রতিটি মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব। এর ফলে ওই গুনাহগার বান্দার প্রতি কুধারণা করে কিংবা তার গিবত করে যে গুনাহ হতো সেটা থেকে সবাই বেঁচে গেল। একইভাবে যে মুমিন ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত ও দানশীল স্বভাবতই তার মনে শয়তান জায়গা করে নিতে পারে ইবাদতের অহংকারের রূপ ধরে। যদি একটিবারও তার মনে হয়, আমার মতো খাঁটি মুমিন আর কেউ নেই, যারা পাপী তাদের চেয়ে আমি অনেক ভালো, ইবাদতের জোরে আমি জান্নাতে যাব, ব্যস, তার সব আমল তো বরবাদ হবেই, তার ইমানও ঝুঁকিতে পড়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে আল্লাহ বলে দিয়েছেন, তারা যথেষ্ট পরহেজগার হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের আমল নিয়ে কোনো অহংকার হয় না। বরং সব সময় ভয়ে তটস্থ থাকে কোথাও কোনো ভুল হয়ে গেল কি না। যে কারণে সারা দিন সত্য বলে, দানখয়রাত করে ও আল্লাহ আল্লাহ রসুলের অনুগত থেকেও রাতের শেষে ক্ষমার চাদরে নিজেকে পেঁচিয়ে নেওয়ার কাকুতিমিনতি করে।

শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনার ফলে বান্দা অহংকার থেকে মুক্ত থাকে। আর সমাজ মুক্ত থাকে গিবত-কুধারণার মতো কবিরা গুনাহ থেকে। একটি মাত্র শব্দ দিয়ে আল্লাহতায়ালা পরহেজগার বান্দাকেও বাঁচালেন, সমাজের সবাইকেও নিরাপদ রাখলেন। এই হলো কোরআনের শব্দভান্ডারের মোজেজা। প্রিয় পাঠক! ভুল মানুষই করে। সে ভুল নিয়ে বসে থাকলে চলে না। তাই আল্লাহ মানুষের জন্য ক্ষমার দুয়ার খুলে দিয়েছেন। শেষ রাতে ক্ষমার হাত বাড়িয়ে বান্দাকে ডাকতে থাকেন আল্লাহ।

আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। আর আপনার কাছে যারা ক্ষমা চায়, তাদেরও ক্ষমা করে দিন। হয়তো কোনো আমলের কারণে নয় অন্যকে ক্ষমা করার অসিলায় আল্লাহও আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন। হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আমিন।

লেখক : প্রিন্সিপাল, সেইফ এডুকেশন ইনস্টিটিউট

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড
মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ
দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!
মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু
একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু

২৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যা, গ্রেফতার ২
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যা, গ্রেফতার ২

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট
বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য
তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য

৩৯ মিনিট আগে | পর্যটন

নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ
অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাবিতে রক্তদানে উৎসাহিত করতে ‘সঞ্চালন’-এর নতুন উদ্যোগ
শাবিতে রক্তদানে উৎসাহিত করতে ‘সঞ্চালন’-এর নতুন উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা সম্মেলন শুরু
কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা সম্মেলন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর মৃত্যুতে বিএফইউজে মহাসচিবের শোক
সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর মৃত্যুতে বিএফইউজে মহাসচিবের শোক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ
তিন দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস
মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের
লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন