শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

জিয়ার দর্শন : ন্যায়ের শাসন

এ এস এম আবদুল হালিম
প্রিন্ট ভার্সন
জিয়ার দর্শন : ন্যায়ের শাসন

শুধু বস্তুগত অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, চাই নৈতিক উন্নয়ন। তাই সবার আগে চাই আদর্শ। আদর্শহীন মানুষ যেমন প্রকৃত মানুষ নয়, আদর্শহীন নেতা কখনো নেতা নন। আদর্শ  বিনে রাজনীতি নয়, আদর্শ ছাড়া দেশ পরিচালনা সম্ভব নয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া ছিলেন একজন আদর্শবান। তাঁর আদর্শ ছিল সততা, দেশপ্রেম ও মানুষের জন্য মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন শোষণমুক্ত সমাজ। বৈষম্যহীন সমাজ। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল জাতির ভাগ্যোন্নয়ের চাবিকাঠি। সব শ্রেণির মানুষের কল্যাণের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ১৯ দফা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছিল। এ বিপ্লবী চিন্তাধারা একটি ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ রাষ্ট্র থেকে অতি অল্প সময়ে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল। জাদুর কাঠির মতো কাজ করেছিল আদর্শভিত্তিক এই কর্মসূচি! ১৯ দফার চার দফা ছিল শান্তিপূর্ণ বিপ্লবী কর্মসূচি।

খাদ্যবিপ্লব :  ১৯ দফার মাধ্যমে কৃষি ও খাদ্যবিপ্লবের সূচনা হলো। গৃহীত হলো পাঁচ বছরের মধ্যে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করার কর্মসূচি। ঘোষণা করা হলো দেশে সেচের পানির অভাব, খাল খনন করতে হবে। শীতে পানি মজুত করে রাখতে হবে। আর খাল খননে শুধু সেচ নয়, বন্যা প্রতিরোধে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাতেও অনন্য ভূমিকা রাখবে। মাত্র দেড় বছরে ১ হাজার ২০০ খাল খনন হলো। ওই দেড় বছরে রেকর্ড পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন হলো। এ ছিল এক অদ্ভুত শান্তিপূর্ণ বিপ্লব।

Moral forceএমনিভাবে আলোর দিশারী হয়ে এলো গণশিক্ষা বিপ্লব। দেড় বছরে ৪০ লাখ বয়স্ক লোক লেখাপড়া শেখেন। চোখ থাকতে যারা অন্ধ ছিলেন, তারা আলো ফিরে পেলেন। জনসংখ্যা বিস্ফোরণ দমনে এলো জন্মনিয়ন্ত্রণ বিপ্লব। গ্রামগঞ্জেও ছড়িয়ে দেওয়া হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বাণী। ধ্বংসপ্রাপ্ত শিল্প-কারখানায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হলো। কলের চাকা চলল দিনরাত। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি হলো। এরপর এলো আরেক যুগান্তকারী বিপ্লব; যার নাম গ্রাম সরকার।

গ্রাম সরকার : গ্রামীণ জনপদে কল্যাণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় সরকার পদ্ধতিতে নব নব চিন্তার আধার ছিল গ্রাম সরকার। ৬৫ হাজার গ্রামে গ্রাম সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে সৃষ্টি হলো। ১৯ দফার কর্মসূচির সিংহভাগ বাস্তবায়ন শুরু হলো গ্রাম সরকারের মাধ্যমে। বিপ্লবের অংশীদার হলো গ্রামীণ সাধারণ মানুষ-এই গ্রাম সরকারের মাধ্যমে। গ্রামবাংলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের মানসে জিয়া দরিদ্র কৃষক জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে অবিস্মরণীয় ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। জিয়া ছিলেন এই স্বাধীন দেশের প্রথম নেতা, যিনি দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ছুটে বেড়িয়েছেন, যা তাকে দিয়েছে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা। তিনি সাড়ে তিন বছর পায়ে হেঁটে ১০ হাজার গ্রাম ঘুরেছেন এবং হৃদয়ঙ্গম করেছেন যে জনগণ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। তাঁকে ভালোবাসেন।

মর্যাদাশীল গণতান্ত্রিক ঐক্যবদ্ধ জাতি : একদলীয় শাসন কায়েম করে ‘গণতন্ত্র’ হত্যা করেছিল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। গণতন্ত্রের মানসপুত্র, গণতন্ত্র যাঁর আদর্শে, চিন্তা চেতনায়, মননে তিনি সেই শহীদ জিয়া, শৃঙ্খলিত একদলীয় রাজনীতিকে মুক্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত করেছেন। হাজার হাজার রাজবন্দি মুক্তি পেয়ে প্রকৃত স্বাধীনতার আস্বদ লাভ করলেন। বিশুদ্ধ সমীরণে শ্বাস-প্রশ্বাস নিলেন। প্রভাতের পাখির অনাবিল শান্তির কূজন আর মুক্ত সূর্য কিরণে স্নাত হলেন।

বিদেশনীতি : কোনো রাষ্ট্র বাংলাদেশের শত্রু নয়, তারা সবাই আমাদের বন্ধু। “Friendship to all malice to none”-এ নীতি অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টায় সফল হলেন শহীদ জিয়া। ফারাক্কার পানিবণ্টনের প্রথম লিখিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। জাপানের মতো শক্তিধর দেশকে পরাভূত করে নিরাপত্তা পরিষদে আসন করে নিল বাংলাদেশ। সদ্যঃপ্রসূত দেশ ঘুরে দাঁড়াল। দুর্ভিক্ষ দূর হলো। অর্থনীতি দৃঢ় হলো। পাউন্ডের দাম নেমে ৩০ টাকায় এলো, টাকা শক্তিশালী হলো। আফ্রিকার দুর্ভিক্ষপীড়িত গিনিকে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চাল পাঠিয়ে সাহায্য করল। নবীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ ইতিহাস সৃষ্টি করল। মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াল। দৃপ্ত কণ্ঠে, দৃঢ় পদে অগ্রসরমান হলো। হাজার বছরের ঘুমন্ত জাতি জেগে উঠল, পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে বাংলাদেশ গর্জে উঠল। “শাবাশ বাংলাদেশ।”

বিদ্রোহী নেতা, স্বাধীনতার ত্রাতা : এই সেই অবিস্মরণীয় নেতা, যিনি জীবনবাজি রেখে বাংলার শতকোটি অবহেলিত মানুষকে যুদ্ধে ডাক দিয়েছিলেন। তিনিই একদা ঘোষণা করেছিলেন ‘We revolt’ that was a clarion call, এ ডাক ধ্বংসের নয়, এ ডাক ধ্বংসের বিরুদ্ধে, ন্যায়ের পক্ষে আহ্বান। Thus idea of revolt not an act of violence or destruction, but as a moral uprising against injustice, corruption and inequality.

রাষ্ট্রনায়ক জিয়া : জিয়া শুধু স্বাধীনতা ঘোষক নন, শুধু প্রেসিডেন্ট নন। তিনি ছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়ক। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সবাই রাষ্ট্রপ্রধান, কেউ কেউ রাষ্ট্রনায়ক। এটা সত্য যে রাষ্ট্র রাজনীতিবিদরাই শাসন করেন। তবে সব রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি অর্জন করেন না। রাজনীতিবিদরা রাজনৈতিক স্বার্থে বর্তমান নিয়ে ব্যস্ত। রাষ্ট্রনায়ক শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে নিয়োজিত অর্থাৎ A politician thinks about next election, the statesman thinks about the next generation. এমনিভাবে রাষ্ট্রনায়কগণ হয়ে ওঠেন জনমানুষের শ্রদ্ধার পাত্র। ভালোবাসার আধার। জিয়াও এমনভাবে একদিন রাষ্ট্রনায়ক রূপে হন আবির্ভূত।

আত্মত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ছিলেন জিয়া : শহীদ জিয়া ছিলেন সততা ও ঐক্যের প্রতীক। বিভাজিত বাংলাদেশ নামক এ রাষ্ট্রকে যেমন তত্ত্বীয় ঐক্য দিয়েছিলেন, তেমনি জিয়া তাঁর কর্মদক্ষতা মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে জাতীয় ঐক্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। সমসাময়িক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অনেকে তাঁদের বিশ্লেষণে জিয়ার সফলতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

The party system is restored, political institutions resuscitated, public administration revitalized, the economy invigorated and diplomatic relations strengthened.. রাষ্ট্রীয় জীবনে সর্বত্র ছিল জিয়ার অবশ্যম্ভাবী সফলতার ছোঁয়া। অথচ জিয়া ছিলেন নির্লোভ। অর্থসম্পদ, বাড়িগাড়ি, আরাম-আয়েশ, বিলাসব্যসনের প্রতি তাঁর কোনো আগ্রহই ছিল  না। তাঁর মননে চিন্তা চেতনায় ছিল-“সকলের তরে জীবন মন সকলই দাত্ত, আপনার কথা ভুলিয়া যাও।’’ বস্তুত তাই হওয়া উচিত। রাজনীতি যদি করার লক্ষ্য হয় তাহলে অর্থবিত্তের লালসা তাকে ত্যাগ করতে হবে। অর্থের লালসা আর মানুষের ভালোবাসা সমান্তরাল হতে পারে না। নৈতিক শক্তি অর্থাৎ Moral force-এর ওপর আর কোনো শক্তি নেই।

কালজয়ী এ বিশ্ববরেণ্য নেতা এ দেশের মানুষের জন্য উদারচিত্তে, নিজেকে বিলিয়ে দিতে চেয়েছিলেন।

লেখক : সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব; উপদেষ্টা, বিএনপি

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

২১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা
ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু
গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩
নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ
ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে
সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক
উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ
ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান
বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন
তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮
ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০
মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?
বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন