শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

অতি-হৃত-স্বল্প বুলির চক্র

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
অতি-হৃত-স্বল্প বুলির চক্র

পড়শি সজ্জন হলে কানা মেয়েরও বিয়ে হয়ে যায়। এই প্রবচনের তাৎপর্য হচ্ছে, পাত্রীর পিত্রালয়ের আশপাশের বাড়িতে পাত্রীবিষয়ক বিশদ তথ্য সংগ্রহের জন্য আসা পাত্রপক্ষের লোকদের কাছে পাত্রীর খুঁত চেপে রেখে তার গুণাবলি তুলে ধরা। পড়শি নিজেই যদি ‘কানা’ হয়ে বাঁকা দৃষ্টিতে অবস্থা বিচারে লেগে যান, তাহলে?

তাহলে যা ঘটে সেটা বুঝবার জন্য পাকিস্তানি জমানায় ঢাকা শহরের নবাবপুর রোডে ডা. অশোক রঞ্জন সেনের চেম্বারে ঢুকতে হবে। প্রখ্যাত এই চিকিৎসক বিকাল ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রোগী দেখেন। জটিল রোগে ভোগা সব রোগী আসে দেশের নানা প্রান্ত থেকে। ১৬৫ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে চেম্বারে এসে পৌঁছেছেন আবদুল ওয়াহেদ, সঙ্গে তাঁর স্ত্রী আজিফা খাতুন আর শিশু বয়সি ছেলে।

ছেলের বয়স পৌনে চার বছর। ছেলেটি শুধু ‘মা’ আর ‘বা’ উচ্চারণ পারে। তা-ও অনেক টেনেটুনে। আজিফার শাশুড়ি বলেন, কোনো কোনো শিশু দেরিতে কথা বলে। আমার নাতিও দেরিতে বলবে। চিন্তার কিছু নাই। পড়শি নারীরা বলেন, চিন্তার অবশ্যই আছে। যে বয়সে পোলার আওয়াজে এই বাড়ি ওই বাড়ি সেই বাড়ি কাঁইপ্যা উঠার কথা, সেই বয়সে পোলা পুরাপুরি ‘বাবা’ না কইয়া খালি ‘বা’ কয়! পোলায় বোবা কিনা আল্লা মালুম।

‘ওরে আল্লারে! তুমি কেন আমার ছেলেরে এমন করলে!’ ব্যস, শুরু হয়ে গেল আজিফা খাতুনের আহাজারি। কয়েক শুভার্থী ‘ছেলে দ্রুত কথা বলবে’ আশ্বাস দিয়ে বলে, এটা কর ওটা কর। তাই তিনি এক গুনিনের কাছ থেকে কবচ এনে ছেলের বাম বাহুতে পরিয়ে দেন, তো বাম হাতের কবজিতে বেঁধে দেন মন্ত্রপূত রঙিন সুতো। আল্লার প্রিয় বান্দা হিসেবে নামকরা ব্যক্তির ফুঁ দেওয়া পানি খাওয়াতে থাকলেন সকাল-দুপুর-রাতে।

আজিফার চাচাতো ভাই আবদুস সাত্তার বলেন, বুবু, কী সব আলতুফালতু করতেছ! মুরাদ মওলবির ঘাড়ে ঘা হইছে। তিন বছরেও সারতেছে না। পানিপড়ায় যদি কাজ হইতো তাইলে তো ব্যাডা ফুঁ দেওয়া পানি ঢাইল্লা নিজের ঘাও কত্ত আগে শুকাইয়া ফেলত।

আবু তাহেরবোনকে ‘বেক্কইল্লা কাম’ বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে সাত্তার বলেন, ভাইসাবের (মানে আজিফার স্বামী) লগে কথা হইছে। উনি তোমারে আর ভাগিনারে সামনের সপ্তাহে ঢাকায় নিয়া যাবেন। গেলে দেখবা ডা. সেন তোমার ছেলের মাথায় হাত বুলানোর সঙ্গে সঙ্গে ছেলের সাউন্ড প্রবলেম একেবারে হাওয়া। এভাবেই ঢাকায় এলেন ওয়াহেদ-আজিফা দম্পতি।

ডা. অশোক রঞ্জন সেন খুবই আদুরে ভঙ্গিতে আজিফার ছেলেকে কোলে নেন। তারপর বসিয়ে দেন তাঁর টেবিলে। দুজন এখন মুখোমুখি। পাঁচ-ছয়টি চকলেট দেন তাকে। ছেলেটি মোড়ক খুলে যেই চকলেটটি মুখে দিতে যাবে অমনি ডাক্তারের ইশারায় তাঁর চেম্বারের এক কর্মচারী পিতলের ছোট্ট একটি বাটি ফেলে দিল মেঝেতে। ঝন ঝনান ঝন ঝনাৎ শব্দ হতেই সচকিত শিশুটি পেছনে তাকায়। ডা. সেন বলেন, এ ছেলে বোবা নয়।

ডাক্তারের ঘোষণায় পরমানন্দে হাউমাউ করে কেঁদে দিলেন দম্পতি। কান্নার শব্দে ফের পেছনে তাকায় শিশু এবং টেবিল থেকে লাফ দিয়ে পড়ে মায়ের বুকে। সেই ছেলেটিই আজকের অমিতবাক আমি। মা বলতেন, আমার ছেলে অনেক অনেক কথা বলবে বলেই হয়তো কথা বলা শুরু করতে বিস্তর সময় নিয়েছে।

২.

নিজের শৈশবের বাকসমস্যার ছবিটি অনেক দিন পর আমায় দেখিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মানবের উচ্চারিত শব্দাবলির হ্রাস-বৃদ্ধি’ বিষয়ক গবেষণার ফল। গবেষণা বলছে, একজন মানুষ এখন প্রতিদিন গড়ে আগের চেয়ে ৩৩৮টি শব্দ কম বলছে। সেই হিসাবে বছরে একজন মানুষ প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শব্দ কম বলছে। এতে করে হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা সামাজিক বন্ধনের ধরন নেতিবাচকভাবে বদলে যাচ্ছে।

গবেষণার প্রধান লেখক ভ্যালেরিয়া ফাইফার বলেন, কথা কম বলার অর্থ হচ্ছে অন্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সময় কমিয়ে দেওয়া। মানুষ কথা বলা কমিয়ে দিলে নানা সামাজিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কথা বলার মধ্য দিয়ে যে তাৎক্ষণিক প্রশান্তি ও আবেগপ্রবণ সংযোগ তৈরি হয়, বন্ধন দৃঢ় করার জন্য তা জরুরি। কথা বলা কমলে এসব সুবিধা হারিয়ে যেতে পারে।

‘কথা কম, কাজ বেশি’ মর্মে যে উপদেশ এত দিন আমরা শুনেছি এবং শোনাচ্ছি, তা কি বন্ধ করে দেওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে? তা হলে তো দেয়ালে ঝুলন্ত হিতকথার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে-‘কাজও বেশি, কথাও বেশি।’ মানুষ নাকি প্রায় দুই লাখ বছর ধরে কথা বলে মনের ভাব বিনিময় করছে। ভরসা করছে কণ্ঠস্বরের ওঠানামা আর আবেগপ্রবণ ইশারার ওপর। এগুলোর মাত্রা কমিয়ে দিচ্ছে এসএমএস, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

সেজন্য আমরা কি আফসোস আর বিলাপের নীলবেদনা গায়ে মেখে চিৎপাত শুয়ে দূর আকাশের তারা গুনতে থাকব? না, তার দরকার নেই। আমার মতে, অতিকথন হৃতকথন স্বল্পকথনের চক্রে নিহিত মজাগুলো সংরক্ষণ স্বাস্থ্যপ্রদ হতে পারে।

‘বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করুন’-অনুরোধ করা হয়েছিল আমাদের ছাত্রকালের বন্ধু মুস্তাফিজুর রহমানকে। বত্রিশ মিনিট ভাষণের পরে এই অনুরোধ। মুস্তাফিজ বললেন, বন্ধুগণ! আমি জানি, আপনারা সংগীতানুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষমাণ। তাই আমি, দুই মিনিটের মধ্যে শেষ করছি...। প্রায় পাঁচ মিনিট বক্তৃতার পর তিনি বলেন, আমি আর বেশি সময় নিচ্ছি না। খুব সংক্ষেপে যেটা বলতে চাই, তা হলো...। আরও তিন মিনিট ভাষণ দেন মুস্তাফিজ। চতুর্থ মিনিটেও থামেন না।

মুস্তাফিজের অতিভাষণে রুষ্ট ফখরুল ইসলাম চিৎকার করেন, মাফ কররে, দোস্ত! দয় আল্লার ক্ষ্যামা দে। ফখরুলের সমর্থনে প্রবল করতালি শুরু হলে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে মুস্তাফিজ বলেন, ভঁইষের মতন চিল্লানের কী আছে! পরক্ষণেই শ্রোতাদের উদ্দেশে বলেন : এতক্ষণ ধৈর্য ধরে আমার কথা শোনার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

আমার বামে বসা হিমাংশু বণিক বলেন, বুকে হাত দিয়া কন তো ভাই, আমরা কি উনার বকবকানি ধৈর্যের সঙ্গে শুনছিলাম? ধৈর্য তো কারও ছিল না। তাইলে উনি ধন্যবাদ দিতাছেন কোন আক্কেলে?

৩.

শাহবাজ করিম আর মুস্তাফিজুর একই স্টাইলের কথক। শুরু করেন, থামতে ভুলে যান। আসলে বলা উচিত, থামতে জানেন না। প্রকৃতপক্ষে জগৎসংসারে সত্যিই কিছু কিছু ব্যাপার থাকে, যা শুরু হলে থামানো কঠিন। যেমন স্ট্যালিনের শাসনকালের রাশিয়ায় পুলিসের তদন্তকার্য।

স্ট্যালিন এক প্রভাতে ঘুম থেকে জেগে দেখেন, তাঁর হাতঘড়ি হাতে নেই। অথচ ওটা হাতে-পরা অবস্থাতেই তিনি ঘুমিয়েছিলেন। স্ট্যালিনকে মস্কো নগরীর পুলিস প্রধান বেরিয়া বলেন, উদ্বিগ্ন হবেন না কমরেড। ঘড়িচোরকে দুপুরের মধ্যেই আমরা পাকড়াও করতে সক্ষম।

স্ট্যালিন চা-নাশতা খেয়ে চুরুট ধরান। তামাক সেবন শেষে দাপ্তরিক কিছু কাজ সেরে তিনি ফের একটু বিছানায় গড়িয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছিলেন। এমন সময় দেখেন, হাতঘড়িটি বালিশের খোলের ভিতর থেকে উঁকি দিচ্ছে। তিনি মস্কো পুলিস চিফকে ফোন করেন, বেরিয়া! তোমার কী খবর।

তদন্ত চলছে কমরেড। আমরা আশাবাদী...। স্ট্যালিন বলেন, তদন্ত বন্ধ কর। বেরিয়া বলেন, বললেই তো বন্ধ করা যায় না। আমরা অলরেডি পাঁচ চোর ধরে এনেছি। এদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদে তিনজন স্বীকার করেছে যে তারা আপনার ঘড়ি চুরি করেছে। এমতাবস্থায় তদন্ত থামানো যায়? নাকি থামানো উচিত? স্ট্যালিন বলেন, কিন্তু আমার ঘড়ি তো চুরি যায়নি। বেরিয়া বলেন; তাতে কী! আজ চুরি হয়নি। সামনে যেকোনো দিন চুরি হওয়া সম্ভব। সেজন্য আগাম তদন্ত করে রাখছি।

৪.

শাহবাজ করিম কথা শুরু করলে শ্রোতা মনে মনে দোয়া করেন, ‘এরে বোবা করে দাও প্রভু। সম্ভব না হলে আমারে বধির কর দয়াময়।’ তাঁর কিছু সদগুণও রয়েছে। যেমন টাকা ধার নিয়ে ওয়াদামতো শোধ করা। অতিশয় উজ্জ্বল গুণ হলো, অতিকথন যে ভয়ংকর বদগুণ সেটা পুরোপুরি উপলব্ধি করা।

জনরব এই যে অতিকথনের দোষবশত শাহবাজ চাকরিতে থিতু হতে পারেন না। বিষয়টি তাঁকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করলে তিনি প্রশ্নকর্তাকে প্রহারোদ্যত হওয়ার সমূহ আশঙ্কা। তাই, জনরব জিন্দাবাদ।

সত্তর হাজার টাকা বেতনের একটি চাকরি তিনি তিন মাসও করতে পারেননি। পদত্যাগ করেছেন। শুনে আমরা আহারে উহুরে করেছি। চাকরি ছাড়ার দিন দশেক পরে তাঁর সঙ্গে দেখা। দুনিয়ার কোথায় কে অনাচার করছে সবিস্তারে বলতে থাকলেন। প্রশ্ন করি, সুন্দর চাকরিটা কেন ছাড়লেন?

‘আর কয়েন না ভাই!’ বলেন শাহবাজ, ‘বস্ ব্যাটা বকবক করতে করতে মাথার পোকা বার করায় ফেলতেছিল। আত্মরক্ষার জন্য রিজাইন করতে বাধ্য হয়েছি।’

♦ লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
সর্বশেষ খবর
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬

১১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা
ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

১৮ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ
ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১
পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১

২২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন
ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন

৩০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?
রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন
বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা
সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা
কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক