ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঢাকার কেরানীগঞ্জের দুইটি সংসদীয় আসনের ২২১টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। এরই মধ্যে অনেক কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে। রাত পোহালেই ভোটগ্রহণ।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা-৩ আসনের ১২৬টি এবং ঢাকা-২ আসনের ৯৫টি কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, দলীয় ভোটের জন্য সাদা ব্যালট পেপার, গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট পেপার, অমোচনীয় কালি, ভোটার তালিকা ও অন্যান্য সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তারা স্বাক্ষরের মাধ্যমে এসব সরঞ্জাম বুঝে নিচ্ছেন।
সরেজমিনে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দেখা যায়, সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাচন সামগ্রী সংগ্রহে ভিড় করছেন। কেন্দ্রভিত্তিক প্যাকেট করা সরঞ্জাম পুলিশ ও আনসার সদস্যদের তত্ত্বাবধানে গাড়িযোগে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যরা। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে সমন্বয়ের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সেখান থেকে উপজেলার সব ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার প্রস্তুতিও রয়েছে।
ভোটকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। পাড়া-মহল্লায় ভোট নিয়ে আলোচনা চলছে। কেউ দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আবার কেউ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট নিয়ে মতবিনিময় করছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে অনেকেই আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উমর ফারুক বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সব কেন্দ্রে সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বিডি-প্রতিদিন/মাইনুল